সংবাদ শিরোনাম ::
রাস্তার পাশে পিঠা বিক্রি করলেও লাগবে নিবন্ধন দেহেরগতিতে সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য পদে ফের নির্বাচন করতে চান সমাজকর্মী শাহীনা খান। ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়কে ইমরান ট্রাভেলসের বাস উল্টে আহত প্রায় ১৬থেকে১৭,জন আশঙ্কাজনক অবস্থা ৪থেকে৫ জন…. ভাণ্ডারিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে ৬০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজ হোসেনের ‘আধুনিক মাধবপাশা ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় দর্শনায় কেরুজ ৩ হাজার ১৮৫ আখচাষি পেলেন ৯৫ লাখ টাকার প্রণোদনা সব ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক-নৈতিক দায়িত্ব: রহমাতুল্লাহ উজিরপুরে দুই বছরেও দখলমুক্ত হয়নি সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি ও মন্দিরের সম্পত্তি চুয়াডাঙ্গায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে জামায়াতের ২ এমপির সংবাদ সম্মেলন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি শিক্ষক বা অন্য পেশার কেউ সাংবাদিকতা করতে পারবে না -প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান

রাস্তার পাশে পিঠা বিক্রি করলেও লাগবে নিবন্ধন

রাস্তার পাশে পিঠা বিক্রি করলেও লাগবে নিবন্ধন

আজকের ক্রাইম ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিবন্ধন ও লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

এর আওতায় রাস্তার পাশে যারা পিঠা, পুরি ও পেঁয়াজুর মতো খাবারের ব্যবসা করেন, তাদেরও নিবন্ধন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শুধু নিবন্ধন লাগবে যে ১৬ ব্যবসায়

১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্য স্থাপনার জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে- রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ, ক্যাটারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী, কাঁচা ও তাজা খাদ্য ছাড়া অন্যান্য খাদ্যপণ্যের আমদানিকারক, পিঠা, পুরি, পেঁয়াজুসহ খাবার বিক্রেতা, পাইকারি মুদি খাদ্য ব্যবসা, খাদ্য সংরক্ষণাগার ও হিমাগার, ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ উৎপাদনসহ খাদ্য ব্যবসা।

প্রচলিত এ ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার জন্য প্রথমবার বিনা মূল্যে নিবন্ধন দেওয়া হবে।

বিশেষায়িত খাদ্যে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক

শিশুদের ফর্মুলা দুধ এবং বয়স্ক বা নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তৈরি বিশেষ খাবারের ব্যবসা করতে নিবন্ধনের পাশাপাশি লাইসেন্স নিতে হবে ব্যবসায়ীদের। স্বাস্থ্যসহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য ও চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য ও নিউট্রাসিউটিক্যালের মতো খাবারের নির্ধারিত ব্যবসার জন্য লাইসেন্স নিতে হবে। এ ছাড়া জিনগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত খাদ্য, জৈব খাদ্য, অভিনব খাদ্য ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা করতে হবে।

বিশেষায়িত খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে লাইসেন্সের জন্য ফি বা মাশুল দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট ফরম পূরণ করে আবেদন জমা দেওয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন বা লাইসেন্স গ্রহণের কার্যক্রম শুরু হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে বিএফএসএর সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে সরাসরি জমা দেয়া যাবে আবেদন। নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করতে হবে।

পরে পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। যেসব খাদ্যপণ্যের মোড়কে নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক হবে, সেসব পণ্যের প্যাকেট বা মোড়কে নম্বরটি প্রদর্শন করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রাস্তার পাশে পিঠা বিক্রি করলেও লাগবে নিবন্ধন

রাস্তার পাশে পিঠা বিক্রি করলেও লাগবে নিবন্ধন

আপডেট সময় : ০৭:৫৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিবন্ধন ও লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

এর আওতায় রাস্তার পাশে যারা পিঠা, পুরি ও পেঁয়াজুর মতো খাবারের ব্যবসা করেন, তাদেরও নিবন্ধন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শুধু নিবন্ধন লাগবে যে ১৬ ব্যবসায়

১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্য স্থাপনার জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে- রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ, ক্যাটারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী, কাঁচা ও তাজা খাদ্য ছাড়া অন্যান্য খাদ্যপণ্যের আমদানিকারক, পিঠা, পুরি, পেঁয়াজুসহ খাবার বিক্রেতা, পাইকারি মুদি খাদ্য ব্যবসা, খাদ্য সংরক্ষণাগার ও হিমাগার, ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ উৎপাদনসহ খাদ্য ব্যবসা।

প্রচলিত এ ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার জন্য প্রথমবার বিনা মূল্যে নিবন্ধন দেওয়া হবে।

বিশেষায়িত খাদ্যে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক

শিশুদের ফর্মুলা দুধ এবং বয়স্ক বা নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তৈরি বিশেষ খাবারের ব্যবসা করতে নিবন্ধনের পাশাপাশি লাইসেন্স নিতে হবে ব্যবসায়ীদের। স্বাস্থ্যসহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য ও চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য ও নিউট্রাসিউটিক্যালের মতো খাবারের নির্ধারিত ব্যবসার জন্য লাইসেন্স নিতে হবে। এ ছাড়া জিনগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত খাদ্য, জৈব খাদ্য, অভিনব খাদ্য ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা করতে হবে।

বিশেষায়িত খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে লাইসেন্সের জন্য ফি বা মাশুল দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট ফরম পূরণ করে আবেদন জমা দেওয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন বা লাইসেন্স গ্রহণের কার্যক্রম শুরু হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে বিএফএসএর সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে সরাসরি জমা দেয়া যাবে আবেদন। নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করতে হবে।

পরে পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। যেসব খাদ্যপণ্যের মোড়কে নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক হবে, সেসব পণ্যের প্যাকেট বা মোড়কে নম্বরটি প্রদর্শন করতে হবে।