সংবাদ শিরোনাম ::
আদালত চত্বরে ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু বাবুগঞ্জে গৃহবধূর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় কলেজ শিক্ষক আটক, সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যন্ত গ্রামে জ্ঞানচর্চার বাতিঘর স্পিকার আ. জব্বার খান স্মৃতি পাবলিক লাইব্রেরি আমার কী অপরাধ?”—পদ স্থগিতাদেশে ঝালকাঠি শহরজুড়ে নেতাকর্মীদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ ঝালকাঠির রাজাপুর ও নলছিটিতে ইয়াবা ও গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৩ সাংবাদিকদের সঙ্গে যেকোনো ধরনের অন্যায় -অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহবান সাংবাদিককে চোখ উপড়ে হত্যার হুমকির অভিযোগ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে.. মসজিদের কাজেও পার্সেন্টেজ দিতেহয় অফিস সহকারীকে ঘোড়াঘাটে ফুটবল খেলার মাঠ রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ ঘোড়াঘাট একাধিক মাদক মামলার আসামি সুজনের মুক্তির দাবিতে হট্টগোল করে পুলিশের কাজে বাধা,গ্রেপ্তার ৩৪

সাংবাদিককে চোখ উপড়ে হত্যার হুমকির অভিযোগ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে..

সাংবাদিককে চোখ উপড়ে হত্যার হুমকির অভিযোগ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে..

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ১১৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক।

৫ অক্টোবর, সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পটুয়াখালী,কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামের নিজ বাড়ির সামনে আজকের ক্রাইম নিউজের প্রতিনিধি মোঃ নাঈম হাওলাদারকে এ হত্যার হুমকি দেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃফিরোজ তালুকদার।

সাংবাদিক মোঃ নাঈম হাওলাদার বলেন “প্রতিদিনের মতো আমি আমার বাসার সামনে চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে ধানখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফিরোজ তালুকদার তার বাসার দিক থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে এসে আমার সামনে ব্রেক করেন। গাড়ি থেকে নেমেই কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই দোকানদারসহ ৪-৫ জন লোকের সামনে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকেন। গালাগালির একপর্যায়ে চোখের ওপর আঙুল দিয়ে খোঁচা দিয়ে বলেন, ‘চোখ উপড়ে ফেলে হত্যা করবো।’

সাংবাদিক নাঈম হাওলাদার আরও বলেন।“আমি জিজ্ঞেস করলাম, কিসের জন্য গালাগালি ও হুমকি দিচ্ছেন? তিনি বলেন, ‘আমার ছেলের বিরুদ্ধে লেখালেখি করতে চাস কেন?’”
তিনি আরও বলেন, “এর আগে কয়েক মাস আগে ফিরোজ তালুকদারের ছেলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাদের নিয়ে এলাকায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে অস্থিরতা তৈরি এবং কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত করে। এর বিরুদ্ধে আমি ভিডিও নিউজ করতে গেলে আমাকে বাধা দেওয়া হয় এবং এক পর্যায়ে বাকবিতন্ডায় জড়ায় আমার সাথে তার ছেলে। সেই রেশ ধরে তার বাবা ফিরোজ তালুকদার আমাকে এই হত্যার হুমকি দিয়েছেন।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফিরোজ তালুকদারের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সাংবাদিককে চোখ উপড়ে হত্যার হুমকির অভিযোগ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে..

সাংবাদিককে চোখ উপড়ে হত্যার হুমকির অভিযোগ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে..

আপডেট সময় : ১২:২৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।

৫ অক্টোবর, সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পটুয়াখালী,কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামের নিজ বাড়ির সামনে আজকের ক্রাইম নিউজের প্রতিনিধি মোঃ নাঈম হাওলাদারকে এ হত্যার হুমকি দেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃফিরোজ তালুকদার।

সাংবাদিক মোঃ নাঈম হাওলাদার বলেন “প্রতিদিনের মতো আমি আমার বাসার সামনে চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে ধানখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফিরোজ তালুকদার তার বাসার দিক থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে এসে আমার সামনে ব্রেক করেন। গাড়ি থেকে নেমেই কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই দোকানদারসহ ৪-৫ জন লোকের সামনে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকেন। গালাগালির একপর্যায়ে চোখের ওপর আঙুল দিয়ে খোঁচা দিয়ে বলেন, ‘চোখ উপড়ে ফেলে হত্যা করবো।’

সাংবাদিক নাঈম হাওলাদার আরও বলেন।“আমি জিজ্ঞেস করলাম, কিসের জন্য গালাগালি ও হুমকি দিচ্ছেন? তিনি বলেন, ‘আমার ছেলের বিরুদ্ধে লেখালেখি করতে চাস কেন?’”
তিনি আরও বলেন, “এর আগে কয়েক মাস আগে ফিরোজ তালুকদারের ছেলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাদের নিয়ে এলাকায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে অস্থিরতা তৈরি এবং কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত করে। এর বিরুদ্ধে আমি ভিডিও নিউজ করতে গেলে আমাকে বাধা দেওয়া হয় এবং এক পর্যায়ে বাকবিতন্ডায় জড়ায় আমার সাথে তার ছেলে। সেই রেশ ধরে তার বাবা ফিরোজ তালুকদার আমাকে এই হত্যার হুমকি দিয়েছেন।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফিরোজ তালুকদারের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।