সংবাদ শিরোনাম ::
ভাণ্ডারিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে ৬০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজ হোসেনের ‘আধুনিক মাধবপাশা ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় দর্শনায় কেরুজ ৩ হাজার ১৮৫ আখচাষি পেলেন ৯৫ লাখ টাকার প্রণোদনা সব ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক-নৈতিক দায়িত্ব: রহমাতুল্লাহ উজিরপুরে দুই বছরেও দখলমুক্ত হয়নি সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি ও মন্দিরের সম্পত্তি চুয়াডাঙ্গায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে জামায়াতের ২ এমপির সংবাদ সম্মেলন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি শিক্ষক বা অন্য পেশার কেউ সাংবাদিকতা করতে পারবে না -প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বানারীপাড়ায় প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ: ২৪ ঘন্টার মধ্যে আশুলিয়া থেকে ধর্ষক সাইমন গ্রেপ্তার খাঁনপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় লোকমান হাকিম, প্রার্থিতা ঘিরে ভোটারদের আগ্রহ ভাণ্ডারিয়ায় সরকারি গাছ কাটার সময় উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে আটক ২

সব ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক-নৈতিক দায়িত্ব: রহমাতুল্লাহ

সব ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক-নৈতিক দায়িত্ব: রহমাতুল্লাহ

আজকের ক্রাইম ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৩:২৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেছেন, সব ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

বরিশাল নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে, দুর্গোৎসবে সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে বরিশাল সিটি করপোরেশনের আওতাধীন সব পূজামণ্ডপে ছুটে যান। টানা ৩ দিন নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের মধ্য দিয়ে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রশংসাও কুড়িয়েছেন।

দুর্গোৎসবের আনন্দঘন পরিবেশে নগরীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের পূজামণ্ডপে উপস্থিত হয়ে পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা, আয়োজক ও ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন রহমাতুল্লাহ। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানান এবং পূজামণ্ডপগুলোর আয়োজনে আর্থিক সহযোগিতা দেন।

শুধু দুর্গোৎসবেই নয়, প্রতি বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও আয়োজনে পাশে থাকার চেষ্টা করেন আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়, পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তিনি সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন অটুট রাখতে সহযোগিতা করে আসছেন।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের সম্পর্ক বজায় রাখার এই ধারাবাহিকতা তার এবারের দুর্গোৎসবে অংশগ্রহণকেও বিশেষ তাৎপর্য দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উৎসবের দিনগুলোতে নগরীর পূজামণ্ডপগুলোতে রহমাতুল্লাহ’র ধারাবাহিক উপস্থিতি পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা ও সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলে। ধর্মীয় উৎসবের আনন্দে সবার পাশে দাঁড়ানো এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতির সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি তার এ অংশগ্রহণকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ভানু লাল দে বলেন, ‘দুর্গোৎসব উপলক্ষে আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ নগরীর সব পূজামণ্ডপে এসে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। তিনি আমাদের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং পূজার আয়োজনে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন।’

বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা বলেন, ‘অত্যন্ত আন্তরিক একজন মানুষ রহমাতুল্লাহ ভাই। তিনি নগরীর প্রত্যেকটি মন্দিরে গিয়েছেন। ফুলেল শুভেচ্ছার পাশাপাশি সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতাও করেছেন। তার এই আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ আমাদের মুগ্ধ করেছে। তার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’

এ বিষয়ে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বিশ্বাস করি ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা আমাদের অঙ্গীকার। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে বসবাস করবে এবং প্রত্যেকে নির্বিঘ্নে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার পর এ বছর দুর্গাপূজাকে ঘিরে যে উৎসবমুখর পরিবেশ ও সরকারি বরাদ্দ দেখা গেছে, তা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব।’

ধর্মীয় উৎসব কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানুষের সঙ্গে মানুষের হৃদ্যতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করারও গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। দুর্গোৎসবের আনন্দে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থেকে রহমাতুল্লাহর এ অংশগ্রহণ সেই সামাজিক সম্প্রীতির বার্তাকেই সামনে নিয়ে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সব ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক-নৈতিক দায়িত্ব: রহমাতুল্লাহ

সব ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক-নৈতিক দায়িত্ব: রহমাতুল্লাহ

আপডেট সময় : ০৩:২৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেছেন, সব ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

বরিশাল নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে, দুর্গোৎসবে সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে বরিশাল সিটি করপোরেশনের আওতাধীন সব পূজামণ্ডপে ছুটে যান। টানা ৩ দিন নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের মধ্য দিয়ে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রশংসাও কুড়িয়েছেন।

দুর্গোৎসবের আনন্দঘন পরিবেশে নগরীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের পূজামণ্ডপে উপস্থিত হয়ে পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা, আয়োজক ও ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন রহমাতুল্লাহ। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানান এবং পূজামণ্ডপগুলোর আয়োজনে আর্থিক সহযোগিতা দেন।

শুধু দুর্গোৎসবেই নয়, প্রতি বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও আয়োজনে পাশে থাকার চেষ্টা করেন আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়, পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তিনি সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন অটুট রাখতে সহযোগিতা করে আসছেন।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের সম্পর্ক বজায় রাখার এই ধারাবাহিকতা তার এবারের দুর্গোৎসবে অংশগ্রহণকেও বিশেষ তাৎপর্য দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উৎসবের দিনগুলোতে নগরীর পূজামণ্ডপগুলোতে রহমাতুল্লাহ’র ধারাবাহিক উপস্থিতি পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা ও সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলে। ধর্মীয় উৎসবের আনন্দে সবার পাশে দাঁড়ানো এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতির সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি তার এ অংশগ্রহণকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ভানু লাল দে বলেন, ‘দুর্গোৎসব উপলক্ষে আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ নগরীর সব পূজামণ্ডপে এসে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। তিনি আমাদের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং পূজার আয়োজনে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন।’

বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা বলেন, ‘অত্যন্ত আন্তরিক একজন মানুষ রহমাতুল্লাহ ভাই। তিনি নগরীর প্রত্যেকটি মন্দিরে গিয়েছেন। ফুলেল শুভেচ্ছার পাশাপাশি সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতাও করেছেন। তার এই আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ আমাদের মুগ্ধ করেছে। তার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’

এ বিষয়ে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বিশ্বাস করি ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা আমাদের অঙ্গীকার। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে বসবাস করবে এবং প্রত্যেকে নির্বিঘ্নে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার পর এ বছর দুর্গাপূজাকে ঘিরে যে উৎসবমুখর পরিবেশ ও সরকারি বরাদ্দ দেখা গেছে, তা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব।’

ধর্মীয় উৎসব কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানুষের সঙ্গে মানুষের হৃদ্যতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করারও গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। দুর্গোৎসবের আনন্দে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থেকে রহমাতুল্লাহর এ অংশগ্রহণ সেই সামাজিক সম্প্রীতির বার্তাকেই সামনে নিয়ে এসেছে।