সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে পৃথক ০২ টি অভিযানে ভুয়া ডাক্তার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে অর্থদণ্ড প্রদান আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুজনকে গুলি করে হত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয় নগরে ১২২ কেজি গাজা সহ গ্রেপ্তারে ১জন চুয়াডাঙ্গা গার্লস স্কুলে প্রশ্ন ফাঁসের তদন্তের মাঝপথে ভর্তি জালিয়াতি, স্বাক্ষর জালসহ নানা অপকর্মের হোতা অফিস সহায়ক আটক রাজাপুরে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করল সিআইডি বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্নের পর সনদ ও বই বিতরণ ঘোড়াঘাটের কোটি টাকার রানীগঞ্জ হাটসহ প্রতিটি হাটে সড়কের ওপর দোকান! বাবুগঞ্জে ভি-ডব্লিউ-বি কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

মাদ্রাসার একাধিক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ, শিক্ষক পলাতক; প্রতিষ্ঠান সাময়িক বন্ধ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বকুলতলা আল-কারীম ক্বিরাআতুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় একাধিক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ প্রকাশ পাওয়ার পর মাদ্রাসা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল রহমান বর্তমানে গা-ঢাকিয়ে রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, মাদ্রাসায় আবাসিকভাবে থাকা কয়েকজন ছাত্র দীর্ঘদিন ধরে বলাৎকারের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগকারীদের বক্তব্য — অভিযুক্ত শিক্ষক ভয়ভীতি দেখিয়ে কাউকে কিছু বলার জন্য নিষেধ করতেন। ঘটনা প্রথমবার ২৯ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে আসে এবং দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত থানায় আনুষ্ঠানিক কোনো মামলা দায়ের হয়নি; তবে অভিভাবক ও এলাকার মানুষ দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।

খবর পেয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মাদ্রাসাটি সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেন। প্রশাসন জানায় — অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদ্রাসার সভাপতি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি উপাধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ঘটনাটিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন। মাদ্রাসার মোহতামিম নুরুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমি আমার সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার জন্য মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলাম। এর আগেও এখানে এমন ঘটনা ঘটেছিল; সঠিক বিচার না পেয়ে সন্তানকে অন্যত্র নিয়ে গেছি।” স্থানীয়দের দাবি পূর্বেও অনুরূপ অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে; তাই এবার অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়েছে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ জানান, খবর পেয়ে রাতেই তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে মাদ্রাসায় গিয়ে কাউকে না পাওয়ার কারণে মাদ্রাসা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মাদ্রাসার একাধিক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ, শিক্ষক পলাতক; প্রতিষ্ঠান সাময়িক বন্ধ

আপডেট সময় : ০৬:১৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বকুলতলা আল-কারীম ক্বিরাআতুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় একাধিক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ প্রকাশ পাওয়ার পর মাদ্রাসা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল রহমান বর্তমানে গা-ঢাকিয়ে রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, মাদ্রাসায় আবাসিকভাবে থাকা কয়েকজন ছাত্র দীর্ঘদিন ধরে বলাৎকারের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগকারীদের বক্তব্য — অভিযুক্ত শিক্ষক ভয়ভীতি দেখিয়ে কাউকে কিছু বলার জন্য নিষেধ করতেন। ঘটনা প্রথমবার ২৯ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে আসে এবং দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত থানায় আনুষ্ঠানিক কোনো মামলা দায়ের হয়নি; তবে অভিভাবক ও এলাকার মানুষ দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।

খবর পেয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মাদ্রাসাটি সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেন। প্রশাসন জানায় — অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদ্রাসার সভাপতি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি উপাধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ঘটনাটিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন। মাদ্রাসার মোহতামিম নুরুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমি আমার সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার জন্য মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলাম। এর আগেও এখানে এমন ঘটনা ঘটেছিল; সঠিক বিচার না পেয়ে সন্তানকে অন্যত্র নিয়ে গেছি।” স্থানীয়দের দাবি পূর্বেও অনুরূপ অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে; তাই এবার অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়েছে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ জানান, খবর পেয়ে রাতেই তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে মাদ্রাসায় গিয়ে কাউকে না পাওয়ার কারণে মাদ্রাসা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।