সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

বাবুগঞ্জে এনজিওর প্রায় ২০ লাখ টাকা নিয়ে দম্পতি উধাও।

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৬:০০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬ ২৪৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন এনজিও থেকে স্থানীয়দের নামে ঋণ উত্তোলন করে প্রায় ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক ভ্যানচালক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীপুর গ্রামের মো. বাদল (৩৫) ও তার স্ত্রী নাজমিন। স্থানীয়দের দাবি, গত ১৪ জুন বিকেলে ওই দম্পতি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বাদল ও নাজমিন এলাকার ২৫ থেকে ৩০ জনের নামে বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ গ্রহণ করান। পরে ঋণের টাকা নিজেদের কাছে রেখে হঠাৎ এলাকা ত্যাগ করেন। এতে অন্তত ৪০টি পরিবার বর্তমানে ঋণের কিস্তির চাপে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার নারীদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে তাদের নামে ঋণ উত্তোলন করতেন। ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে কারও নামে ৩০ হাজার, কারও নামে ৬০ হাজার, আবার কারও নামে ৭০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব ঋণ বিভিন্ন এনজিও— গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বিডিএস), আশা, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ), ব্র্যাকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে। প্রতারণার শিকার কুলসুম বেগম বলেন, নাজমিনের কথায় বিশ্বাস করে আমার ছোট দেবরের স্ত্রীর নামে ছয়টি এনজিও থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু টাকা নিয়ে তারা পালিয়ে গেছে। এখন এনজিও থেকে কিস্তির জন্য আমাদের বাড়িতে আসছে। আমরা খুব বিপদে আছি। সরেজমিনে কয়েকজন ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, বাদল ও নাজমিনের কথায় বিশ্বাস করে তারা ঋণ নিয়েছিলেন। বর্তমানে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে থাকায় ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ তাদের ওপরই পড়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এ ঘটনায় বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে এবং এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তবে অভিযুক্ত মো. বাদল ও তার স্ত্রী নাজমিন পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাবুগঞ্জে এনজিওর প্রায় ২০ লাখ টাকা নিয়ে দম্পতি উধাও।

আপডেট সময় : ০৬:০০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন এনজিও থেকে স্থানীয়দের নামে ঋণ উত্তোলন করে প্রায় ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক ভ্যানচালক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীপুর গ্রামের মো. বাদল (৩৫) ও তার স্ত্রী নাজমিন। স্থানীয়দের দাবি, গত ১৪ জুন বিকেলে ওই দম্পতি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বাদল ও নাজমিন এলাকার ২৫ থেকে ৩০ জনের নামে বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ গ্রহণ করান। পরে ঋণের টাকা নিজেদের কাছে রেখে হঠাৎ এলাকা ত্যাগ করেন। এতে অন্তত ৪০টি পরিবার বর্তমানে ঋণের কিস্তির চাপে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার নারীদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে তাদের নামে ঋণ উত্তোলন করতেন। ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে কারও নামে ৩০ হাজার, কারও নামে ৬০ হাজার, আবার কারও নামে ৭০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব ঋণ বিভিন্ন এনজিও— গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বিডিএস), আশা, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ), ব্র্যাকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে। প্রতারণার শিকার কুলসুম বেগম বলেন, নাজমিনের কথায় বিশ্বাস করে আমার ছোট দেবরের স্ত্রীর নামে ছয়টি এনজিও থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু টাকা নিয়ে তারা পালিয়ে গেছে। এখন এনজিও থেকে কিস্তির জন্য আমাদের বাড়িতে আসছে। আমরা খুব বিপদে আছি। সরেজমিনে কয়েকজন ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, বাদল ও নাজমিনের কথায় বিশ্বাস করে তারা ঋণ নিয়েছিলেন। বর্তমানে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে থাকায় ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ তাদের ওপরই পড়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এ ঘটনায় বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে এবং এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তবে অভিযুক্ত মো. বাদল ও তার স্ত্রী নাজমিন পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।