সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

বাউফলে ময়নাতদন্ত ছাড়াই শ্রমিকের লাশ দাফন।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অক্টোবর ২০২১ ১০৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে ময়নাতদন্ত ছাড়াই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সাইদুল ইসলাম (২১) নামের এক শ্রমিকের লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকার মানুষদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বাউফলার দাশপাড়া ইউনিয়নে দাসপাড়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটেছে।

নিহত সাইদুল (২১) খেজুরবাড়িয়া গ্রামের আবুল বষার মৃধার ছেলে।

জানা গেছে, শুক্রবার বিকালে জুলহাস (২৩) হোসেন মোল্লা (২১) ও সাইদুল (২০) তিন বন্ধু মিলে আবুবকর নামে এক হোন্ডা চালকের ভাড়া গাড়ি নিয়ে বেড়াতে যায়। বিকাল ৫টার দিকে কালিশুরী থেকে ফেরার পথে বাজারের দক্ষিণ পার্শ্বে ব্রিজের ঢালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায় মোটরসাইকেলটি। আহত অবস্থায় সাইদুলকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে শনিবার মধ্যরাতে চিকিৎস্যাধীন অবস্থায় মারা যায়।

এলাকাবাসী জানায়, গাড়িচালক ছিলো আমীর হাওলাদারের পুত্র জুলহাস। জুলহাস ও আবদুল আলী হাওলাদারের ছেলে হোসেন মোল্লা সম্পূর্ণ অক্ষত থাকলেও কিভাবে সাইদুল জখম হলো সেটা বুঝে আসছেনা!

নিহত সাইদুলের পিতা আবুল বশার মৃধা জানান, আমার ছেলে ঢাকায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতো। বাড়িতে আসার পরে তিন বন্ধু একসাথে বেড়াতে গেলে ওই ঘটনা ঘটে। রবিবার সকাল ১০টায় পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ‘ঘটনার পর পরই বাউফল থানার দারোগা মামুন স্যার আইছিলো; আমাদের কোন অভিযোগ নাই।’ এসআই মামুন জানান, এ ঘটনার কিছুই আমি জানিনা।

বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন সাংবাদিকদের জানান, তারা নিজেরাই এক্সিডেন্ট হয়েছে, অন্য কারো হাত ছিলনা; অভিযোগ না থাকায় পোস্টমর্টেম করা হয়নি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাউফলে ময়নাতদন্ত ছাড়াই শ্রমিকের লাশ দাফন।

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অক্টোবর ২০২১

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে ময়নাতদন্ত ছাড়াই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সাইদুল ইসলাম (২১) নামের এক শ্রমিকের লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকার মানুষদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বাউফলার দাশপাড়া ইউনিয়নে দাসপাড়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটেছে।

নিহত সাইদুল (২১) খেজুরবাড়িয়া গ্রামের আবুল বষার মৃধার ছেলে।

জানা গেছে, শুক্রবার বিকালে জুলহাস (২৩) হোসেন মোল্লা (২১) ও সাইদুল (২০) তিন বন্ধু মিলে আবুবকর নামে এক হোন্ডা চালকের ভাড়া গাড়ি নিয়ে বেড়াতে যায়। বিকাল ৫টার দিকে কালিশুরী থেকে ফেরার পথে বাজারের দক্ষিণ পার্শ্বে ব্রিজের ঢালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায় মোটরসাইকেলটি। আহত অবস্থায় সাইদুলকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে শনিবার মধ্যরাতে চিকিৎস্যাধীন অবস্থায় মারা যায়।

এলাকাবাসী জানায়, গাড়িচালক ছিলো আমীর হাওলাদারের পুত্র জুলহাস। জুলহাস ও আবদুল আলী হাওলাদারের ছেলে হোসেন মোল্লা সম্পূর্ণ অক্ষত থাকলেও কিভাবে সাইদুল জখম হলো সেটা বুঝে আসছেনা!

নিহত সাইদুলের পিতা আবুল বশার মৃধা জানান, আমার ছেলে ঢাকায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতো। বাড়িতে আসার পরে তিন বন্ধু একসাথে বেড়াতে গেলে ওই ঘটনা ঘটে। রবিবার সকাল ১০টায় পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ‘ঘটনার পর পরই বাউফল থানার দারোগা মামুন স্যার আইছিলো; আমাদের কোন অভিযোগ নাই।’ এসআই মামুন জানান, এ ঘটনার কিছুই আমি জানিনা।

বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন সাংবাদিকদের জানান, তারা নিজেরাই এক্সিডেন্ট হয়েছে, অন্য কারো হাত ছিলনা; অভিযোগ না থাকায় পোস্টমর্টেম করা হয়নি।’