সংবাদ শিরোনাম ::
ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসায় আগুন, শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ জোতবানী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আবারও প্রার্থী হতে চান আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল,চাইলেন জনগণের দোয়া ও সমর্থন ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা আসবে’ বলে মাইকিং, গ্রেপ্তার ২ হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা হারুন অর রশিদ মোল্লা সস্ত্রীক ওমরাহ পালনে যাচ্ছেন। চুয়াডাঙ্গায় সাড়ে ১৮ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসারত সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু দিওড় ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা মোস্তাফিজুর রহমানের, চাইলেন দোয়া ও সমর্থন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পূনরায় প্রার্থী হতে চান ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ নাজির হোসেন কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল ২০২৬: নিরাপদ ও আনন্দময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপির বিশেষ উদ্যোগ রাস্তার পাশে পিঠা বিক্রি করলেও লাগবে নিবন্ধন

বাবুগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ: নির্মাণাধীন পাকা ঘর ভাঙচুর, আগুন দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫ ২১২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের বারইখালি গ্রামে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একটি নির্মাণাধীন পাকা বসতঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অসহায় রুমানা বেগম (৪৫) ন্যায়বিচারের জন্য পুলিশ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত জালাল হোসেন মোল্লার স্ত্রী রুমানা বেগম স্বামীর মৃত্যুর পর দুই ছেলে ও তিন মেয়েকে নিয়ে দুঃখ–কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন করছিলেন। তিন মেয়ের বিয়ে দেওয়ার পর মেয়েদের সহায়তায় গত কয়েক মাস আগে তিনি একটি পাকা ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

কিন্তু ওই সম্পত্তির ওপর দীর্ঘদিন ধরে অসৎ দৃষ্টি ছিল স্থানীয় মৃত চান্দে আলী হাওলাদারের ছেলে জামাল হাওলাদারের। একাধিকবার জমি দখলের চেষ্টা চালালেও সালিশ-মীমাংসার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান হয়েছিল বলে জানান রুমানা বেগম। সালিশের পর তিনি পুনরায় ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

কিন্তু গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা নির্মাণাধীন পাকা ঘরের সম্পূর্ণ ইটের দেয়াল ভেঙে ফেলে চলে যায়। শুধু তাই নয় ওই সময় রুমানা বেগমের বর্তমান বসতঘরে অগ্নিসংযোগেরও চেষ্টা করা হয়। পরিবারের সদস্যদের টের পেয়ে আগুন লাগানোর চেষ্টা ব্যর্থ হলে অভিযুক্তরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

রুমানা বেগমের মেয়ে দেখতে পান—স্থানীয় জামাল হাওলাদারের ছেলে রিমন হাওলাদার ও কামাল হাওলাদারের ছেলে সাগর হাওলাদার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

ঘটনার পর গ্রাম্যভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও কোনো সুরাহা মেলেনি বলে জানান ভুক্তভোগী। বর্তমানে দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাগর হাওলাদার বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে আগুন দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

ক্ষতিগ্রস্ত রুমানা বেগম দ্রুত ন্যায়বিচার এবং নিজের পরিবারকে নিয়ে নিরাপদে বসবাসের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাবুগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ: নির্মাণাধীন পাকা ঘর ভাঙচুর, আগুন দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:১৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের বারইখালি গ্রামে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একটি নির্মাণাধীন পাকা বসতঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অসহায় রুমানা বেগম (৪৫) ন্যায়বিচারের জন্য পুলিশ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত জালাল হোসেন মোল্লার স্ত্রী রুমানা বেগম স্বামীর মৃত্যুর পর দুই ছেলে ও তিন মেয়েকে নিয়ে দুঃখ–কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন করছিলেন। তিন মেয়ের বিয়ে দেওয়ার পর মেয়েদের সহায়তায় গত কয়েক মাস আগে তিনি একটি পাকা ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

কিন্তু ওই সম্পত্তির ওপর দীর্ঘদিন ধরে অসৎ দৃষ্টি ছিল স্থানীয় মৃত চান্দে আলী হাওলাদারের ছেলে জামাল হাওলাদারের। একাধিকবার জমি দখলের চেষ্টা চালালেও সালিশ-মীমাংসার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান হয়েছিল বলে জানান রুমানা বেগম। সালিশের পর তিনি পুনরায় ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

কিন্তু গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা নির্মাণাধীন পাকা ঘরের সম্পূর্ণ ইটের দেয়াল ভেঙে ফেলে চলে যায়। শুধু তাই নয় ওই সময় রুমানা বেগমের বর্তমান বসতঘরে অগ্নিসংযোগেরও চেষ্টা করা হয়। পরিবারের সদস্যদের টের পেয়ে আগুন লাগানোর চেষ্টা ব্যর্থ হলে অভিযুক্তরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

রুমানা বেগমের মেয়ে দেখতে পান—স্থানীয় জামাল হাওলাদারের ছেলে রিমন হাওলাদার ও কামাল হাওলাদারের ছেলে সাগর হাওলাদার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

ঘটনার পর গ্রাম্যভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও কোনো সুরাহা মেলেনি বলে জানান ভুক্তভোগী। বর্তমানে দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাগর হাওলাদার বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে আগুন দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

ক্ষতিগ্রস্ত রুমানা বেগম দ্রুত ন্যায়বিচার এবং নিজের পরিবারকে নিয়ে নিরাপদে বসবাসের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চান।