সংবাদ শিরোনাম ::
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুজনকে গুলি করে হত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয় নগরে ১২২ কেজি গাজা সহ গ্রেপ্তারে ১জন চুয়াডাঙ্গা গার্লস স্কুলে প্রশ্ন ফাঁসের তদন্তের মাঝপথে ভর্তি জালিয়াতি, স্বাক্ষর জালসহ নানা অপকর্মের হোতা অফিস সহায়ক আটক রাজাপুরে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করল সিআইডি বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্নের পর সনদ ও বই বিতরণ ঘোড়াঘাটের কোটি টাকার রানীগঞ্জ হাটসহ প্রতিটি হাটে সড়কের ওপর দোকান! বাবুগঞ্জে ভি-ডব্লিউ-বি কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা‎‎ অনুষ্ঠিত

বানারীপাড়ায় ব্যবসায়ীদের মজুদ পণ্য জব্দ করে নিলামে বিক্রির দাবী সাধারণ মানুষের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৬:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২০ ২০৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি।। ঘাতক ব্যধী করোনা ভাইরাসকে কেন্দ্র করে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বন্দর বাজারের পাইকারী ব্যবসায়ীরা অস্থির করে তুলেছে নিত্য পণ্যের দাম। বিশেষ করে চাল, তেল, ডাল, চিনি, পেঁয়াজ, রসুন ও আলু সহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হু-হু করে বাড়িয়ে দিচ্ছে এখানকার প্রতিটি পাইকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা। সাধারণ ক্রেতারা অভিযোগ করেণ মোবাইল কোর্টে অভিযান পরিচালনা করার সময় বেশির ভাগ খুচরা বিক্রেতাদের দোকানে জরিমানা করা হয়, ফলে প্রতি বারই পার পেয়ে যাচ্ছে পাইকারী ব্যবসায়ীরা। এ অভিযানকে অনেকে আইওয়াশ বলেও মন্তব্য করছেন। অভিযোগ রয়েছে পাইকারী ব্যবসায়ীদের প্রত্যেকের গোডাউনে তল্লাসী করলে শত শত বস্তা চাল,ডাল ও চিনি সহ বিভিন্ন নিত্য পন্যের মজুদ পাওয়া যাবে। মাত্র ৩/৪ দিনের ব্যবধানে একেক বস্তা চালে ২ শত টাকা থেকে ২৫০ টাকা করে বাড়িয়ে দিয়েছেন বাজারের চাল ব্যবসায়ীরা। কোন কোন ক্ষেত্রে এর চেয়েও বেশি রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বাজারের পলাশ কফি হাউজের মালিক পলাশ জানান,তার পিতাকে দিয়ে ১৭ মার্চ বন্দর বাজারের বড় দুটি পাইকারী দোকানে চাল কিনতে পাঠালে ওই দোকান থেকে চাল নেই বলে জানিয়ে দেয়া হয়। তবে বন্দর বাজারের একেক জন পাইকারী ব্যবসায়ীর কমপক্ষে ৭/৮ টি বড় আকারের গোডাউন রয়েছে। সেই গোডাউনে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মূল্য বাড়িয়ে সাধারণ ক্রেতাদের পকেট কাটাই প্রধান লক্ষ থাকে তাদের। এক অনুসন্ধানে জানাগেছে বন্দর বাজারের বেশির ভাগ পাইকারী ব্যবসায়ীরা দেশের যে কোন দূর্যোগের সময় নিত্য পণ্য মজুদ করে অধিক মূল্যে বিক্রি করে বর্তমানে অঢেল অর্থ সম্পদের মালিক বনে গেছেন। যা খতিয়ে দেখা দরকার বলেও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে থেকে দাবী ঊঠেছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ বলেন নিত্য পণ্য মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ক্রেতা সাধারণকে হয়রাণির বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর এ জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বানারীপাড়ায় ব্যবসায়ীদের মজুদ পণ্য জব্দ করে নিলামে বিক্রির দাবী সাধারণ মানুষের

আপডেট সময় : ১২:২৬:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২০

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি।। ঘাতক ব্যধী করোনা ভাইরাসকে কেন্দ্র করে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বন্দর বাজারের পাইকারী ব্যবসায়ীরা অস্থির করে তুলেছে নিত্য পণ্যের দাম। বিশেষ করে চাল, তেল, ডাল, চিনি, পেঁয়াজ, রসুন ও আলু সহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হু-হু করে বাড়িয়ে দিচ্ছে এখানকার প্রতিটি পাইকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা। সাধারণ ক্রেতারা অভিযোগ করেণ মোবাইল কোর্টে অভিযান পরিচালনা করার সময় বেশির ভাগ খুচরা বিক্রেতাদের দোকানে জরিমানা করা হয়, ফলে প্রতি বারই পার পেয়ে যাচ্ছে পাইকারী ব্যবসায়ীরা। এ অভিযানকে অনেকে আইওয়াশ বলেও মন্তব্য করছেন। অভিযোগ রয়েছে পাইকারী ব্যবসায়ীদের প্রত্যেকের গোডাউনে তল্লাসী করলে শত শত বস্তা চাল,ডাল ও চিনি সহ বিভিন্ন নিত্য পন্যের মজুদ পাওয়া যাবে। মাত্র ৩/৪ দিনের ব্যবধানে একেক বস্তা চালে ২ শত টাকা থেকে ২৫০ টাকা করে বাড়িয়ে দিয়েছেন বাজারের চাল ব্যবসায়ীরা। কোন কোন ক্ষেত্রে এর চেয়েও বেশি রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বাজারের পলাশ কফি হাউজের মালিক পলাশ জানান,তার পিতাকে দিয়ে ১৭ মার্চ বন্দর বাজারের বড় দুটি পাইকারী দোকানে চাল কিনতে পাঠালে ওই দোকান থেকে চাল নেই বলে জানিয়ে দেয়া হয়। তবে বন্দর বাজারের একেক জন পাইকারী ব্যবসায়ীর কমপক্ষে ৭/৮ টি বড় আকারের গোডাউন রয়েছে। সেই গোডাউনে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মূল্য বাড়িয়ে সাধারণ ক্রেতাদের পকেট কাটাই প্রধান লক্ষ থাকে তাদের। এক অনুসন্ধানে জানাগেছে বন্দর বাজারের বেশির ভাগ পাইকারী ব্যবসায়ীরা দেশের যে কোন দূর্যোগের সময় নিত্য পণ্য মজুদ করে অধিক মূল্যে বিক্রি করে বর্তমানে অঢেল অর্থ সম্পদের মালিক বনে গেছেন। যা খতিয়ে দেখা দরকার বলেও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে থেকে দাবী ঊঠেছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ বলেন নিত্য পণ্য মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ক্রেতা সাধারণকে হয়রাণির বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর এ জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।