সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে পৃথক ০২ টি অভিযানে ভুয়া ডাক্তার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে অর্থদণ্ড প্রদান আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুজনকে গুলি করে হত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয় নগরে ১২২ কেজি গাজা সহ গ্রেপ্তারে ১জন চুয়াডাঙ্গা গার্লস স্কুলে প্রশ্ন ফাঁসের তদন্তের মাঝপথে ভর্তি জালিয়াতি, স্বাক্ষর জালসহ নানা অপকর্মের হোতা অফিস সহায়ক আটক রাজাপুরে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করল সিআইডি বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্নের পর সনদ ও বই বিতরণ ঘোড়াঘাটের কোটি টাকার রানীগঞ্জ হাটসহ প্রতিটি হাটে সড়কের ওপর দোকান! বাবুগঞ্জে ভি-ডব্লিউ-বি কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০ ১৬২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেস্ক
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ভোলার দৌলতখানে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে বাছেদ নামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহাকারীর বিরুদ্ধে। গতকাল শুক্রবার বাছেদকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

বাছেদ দৌলতখান উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চরশুভী গ্রামের শাহ আলম মাঝির ছেলে। সে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী ও নৈশ প্রহরী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বাছেদ তার বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলায় নিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এ সময় স্থানীয়রা বাছেদকে হাতেনাতে ধরে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। গতকাল শুক্রবার ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে বাছেদের বিরুদ্ধে মামলা করলে তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

আজ শনিবার ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী সাংবাদিকদের বলে, ‘দীর্ঘদিন ধরে দপ্তরি বাছেদ আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসত। এতে আমি রাজি ছিলাম না। গত বৃহপতিবার সন্ধ্যায় আমাকে ঘরের মুখ চেপে ওই বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলায় নিয়ে ধর্ষণ করে।’

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, ‘জীবন-জীবিকার নির্বাহের জন্য আমি শ্রমিকের কাজ করি। দুদিন আগে আমি বাড়িতে এসেছি। আমার মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে, এর সঠিক বিচার চাই।’

ওই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাসান মো. আব্দুল্লাহ বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি। পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ফোনে জানানো হয়েছে।’

ওই বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোতাহার বেপারী বলেন, ‘বাছেদ আমার বিদ্যালয়ের একজন দপ্তরি। স্থানীয় লোকজন তাকে হাতেনাতে আটক করলে সংবাদ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে আসি। এর কিছুক্ষণ পর থানা থেকে পুলিশ আসে। বাছেদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে এই ধরনের একাধিক মেয়েলি ঘটনার অভিযোগ রয়েছে।’

দৌলতখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাদিকুর রহমান জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরিক্ষা সম্পন্ন করে বাছেদকে জেলহাজতে সোপর্দ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ১২:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেস্ক
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ভোলার দৌলতখানে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে বাছেদ নামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহাকারীর বিরুদ্ধে। গতকাল শুক্রবার বাছেদকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

বাছেদ দৌলতখান উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চরশুভী গ্রামের শাহ আলম মাঝির ছেলে। সে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী ও নৈশ প্রহরী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বাছেদ তার বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলায় নিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এ সময় স্থানীয়রা বাছেদকে হাতেনাতে ধরে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। গতকাল শুক্রবার ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে বাছেদের বিরুদ্ধে মামলা করলে তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

আজ শনিবার ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী সাংবাদিকদের বলে, ‘দীর্ঘদিন ধরে দপ্তরি বাছেদ আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসত। এতে আমি রাজি ছিলাম না। গত বৃহপতিবার সন্ধ্যায় আমাকে ঘরের মুখ চেপে ওই বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলায় নিয়ে ধর্ষণ করে।’

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, ‘জীবন-জীবিকার নির্বাহের জন্য আমি শ্রমিকের কাজ করি। দুদিন আগে আমি বাড়িতে এসেছি। আমার মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে, এর সঠিক বিচার চাই।’

ওই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাসান মো. আব্দুল্লাহ বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি। পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ফোনে জানানো হয়েছে।’

ওই বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোতাহার বেপারী বলেন, ‘বাছেদ আমার বিদ্যালয়ের একজন দপ্তরি। স্থানীয় লোকজন তাকে হাতেনাতে আটক করলে সংবাদ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে আসি। এর কিছুক্ষণ পর থানা থেকে পুলিশ আসে। বাছেদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে এই ধরনের একাধিক মেয়েলি ঘটনার অভিযোগ রয়েছে।’

দৌলতখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাদিকুর রহমান জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরিক্ষা সম্পন্ন করে বাছেদকে জেলহাজতে সোপর্দ করা হয়েছে।