সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

জটিল রোগে ভোগা-বয়স্কদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ওমিক্রন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ৭৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
টানা ৪ দিন ধরে করোনায় মৃতের সংখ্যা ত্রিশের কোটা পেরিয়েছে। যদিও ৫ দিন আগে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২১ আর আক্রান্ত ছিল ১০ হাজার। সেখানে গত ৪ দিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজারের বেশি।

এক বিশেষজ্ঞ বলছেন, এটি কেবল হাসপাতালে আসা মানুষের সংখ্যা। এর বাইরেও কত মানুষ পরীক্ষার বাইরে আছেন, তা অজানা। এভাবে চললে আক্রান্ত ও মৃত্যু আরও বাড়তে পারে।

গবেষণা পরিসংখ্যান আর তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ধোপে টিকছে না বাস্তবতার সঙ্গে। বলা হয়েছিল ওমিক্রন তেমন প্রাণঘাতী নয় কিন্তু ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি। প্রতিদিনই রোগী ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালগুলোতে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলছেন, গত ৪ দিন ধরে মৃতের সংখ্যা ৩০ এর কোটা পেরিয়েছে আর আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজারের বেশি। এটি কেবল হাসপাতালে আসা মানুষের সংখ্যা। এর বাইরে কত মানুষ পরীক্ষার বাইরে আছেন তা জানা নেই। এভাবে চললে, আক্রান্ত ও মৃত্যু আরও বাড়তে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সাবেক উপদেষ্টা ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, তালিকাটা আস্তে আস্তে ওঠানামা করতে করতে উঠছে কি না, আমরা সেটাই দেখছি যে উঠছে। তার মানে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নেই, সংক্রমণ বাড়ছে।

এ বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, আক্রান্ত বেশি হলে মৃত্যু বাড়বেই। কারণ ওমিক্রণ যতই কম প্রাণঘাতী হোক না কেনো কিছু মানুষের ইমিউনিটি প্রকৃতিগতভাবেই কম। তাছাড়া জটিল রোগ ও বয়স্ক ব্যক্তি করোনার যে কোনো ধরনের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, স্বীকৃত সত্য, বাংলাদেশের পরিসংখ্যানটা যা পাচ্ছি সরকারের পক্ষ থেকে, আমরা মনে করি তার চেয়ে অনেক বেশি সংক্রমিত হাসপাতালে বাইরে, বাড়িতে ও বাসাতে আছেন। আমাদের যেটা চেষ্টা করতে হবে সরকারি পরিসংখ্যানে যেটা পাচ্ছি সেইখান থেকে এটাকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
এই বিপদ থেকে বাঁচার উপায় হলো ভ্যাকসিনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।

অনেকেই আক্ষেপ করে বলেন, মাস্ক পরতে ভালো লাগে না কিংবা মাস্ক কবে না পরলেও চলবে? কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন আক্ষেপ না রেখে বরং মাস্ককে জীবনের অংশে পরিণত করতে হবে। আর তাহলেই মুক্তি মিলতে পারে করোনা থেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জটিল রোগে ভোগা-বয়স্কদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ওমিক্রন

আপডেট সময় : ০৯:২১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২

অনলাইন ডেস্ক
টানা ৪ দিন ধরে করোনায় মৃতের সংখ্যা ত্রিশের কোটা পেরিয়েছে। যদিও ৫ দিন আগে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২১ আর আক্রান্ত ছিল ১০ হাজার। সেখানে গত ৪ দিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজারের বেশি।

এক বিশেষজ্ঞ বলছেন, এটি কেবল হাসপাতালে আসা মানুষের সংখ্যা। এর বাইরেও কত মানুষ পরীক্ষার বাইরে আছেন, তা অজানা। এভাবে চললে আক্রান্ত ও মৃত্যু আরও বাড়তে পারে।

গবেষণা পরিসংখ্যান আর তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ধোপে টিকছে না বাস্তবতার সঙ্গে। বলা হয়েছিল ওমিক্রন তেমন প্রাণঘাতী নয় কিন্তু ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি। প্রতিদিনই রোগী ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালগুলোতে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলছেন, গত ৪ দিন ধরে মৃতের সংখ্যা ৩০ এর কোটা পেরিয়েছে আর আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজারের বেশি। এটি কেবল হাসপাতালে আসা মানুষের সংখ্যা। এর বাইরে কত মানুষ পরীক্ষার বাইরে আছেন তা জানা নেই। এভাবে চললে, আক্রান্ত ও মৃত্যু আরও বাড়তে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সাবেক উপদেষ্টা ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, তালিকাটা আস্তে আস্তে ওঠানামা করতে করতে উঠছে কি না, আমরা সেটাই দেখছি যে উঠছে। তার মানে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নেই, সংক্রমণ বাড়ছে।

এ বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, আক্রান্ত বেশি হলে মৃত্যু বাড়বেই। কারণ ওমিক্রণ যতই কম প্রাণঘাতী হোক না কেনো কিছু মানুষের ইমিউনিটি প্রকৃতিগতভাবেই কম। তাছাড়া জটিল রোগ ও বয়স্ক ব্যক্তি করোনার যে কোনো ধরনের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, স্বীকৃত সত্য, বাংলাদেশের পরিসংখ্যানটা যা পাচ্ছি সরকারের পক্ষ থেকে, আমরা মনে করি তার চেয়ে অনেক বেশি সংক্রমিত হাসপাতালে বাইরে, বাড়িতে ও বাসাতে আছেন। আমাদের যেটা চেষ্টা করতে হবে সরকারি পরিসংখ্যানে যেটা পাচ্ছি সেইখান থেকে এটাকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
এই বিপদ থেকে বাঁচার উপায় হলো ভ্যাকসিনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।

অনেকেই আক্ষেপ করে বলেন, মাস্ক পরতে ভালো লাগে না কিংবা মাস্ক কবে না পরলেও চলবে? কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন আক্ষেপ না রেখে বরং মাস্ককে জীবনের অংশে পরিণত করতে হবে। আর তাহলেই মুক্তি মিলতে পারে করোনা থেকে।