অনলাইন ডেস্ক
টানা ৪ দিন ধরে করোনায় মৃতের সংখ্যা ত্রিশের কোটা পেরিয়েছে। যদিও ৫ দিন আগে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২১ আর আক্রান্ত ছিল ১০ হাজার। সেখানে গত ৪ দিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজারের বেশি।
এক বিশেষজ্ঞ বলছেন, এটি কেবল হাসপাতালে আসা মানুষের সংখ্যা। এর বাইরেও কত মানুষ পরীক্ষার বাইরে আছেন, তা অজানা। এভাবে চললে আক্রান্ত ও মৃত্যু আরও বাড়তে পারে।
গবেষণা পরিসংখ্যান আর তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ধোপে টিকছে না বাস্তবতার সঙ্গে। বলা হয়েছিল ওমিক্রন তেমন প্রাণঘাতী নয় কিন্তু ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি। প্রতিদিনই রোগী ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালগুলোতে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলছেন, গত ৪ দিন ধরে মৃতের সংখ্যা ৩০ এর কোটা পেরিয়েছে আর আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজারের বেশি। এটি কেবল হাসপাতালে আসা মানুষের সংখ্যা। এর বাইরে কত মানুষ পরীক্ষার বাইরে আছেন তা জানা নেই। এভাবে চললে, আক্রান্ত ও মৃত্যু আরও বাড়তে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সাবেক উপদেষ্টা ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, তালিকাটা আস্তে আস্তে ওঠানামা করতে করতে উঠছে কি না, আমরা সেটাই দেখছি যে উঠছে। তার মানে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নেই, সংক্রমণ বাড়ছে।
এ বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, আক্রান্ত বেশি হলে মৃত্যু বাড়বেই। কারণ ওমিক্রণ যতই কম প্রাণঘাতী হোক না কেনো কিছু মানুষের ইমিউনিটি প্রকৃতিগতভাবেই কম। তাছাড়া জটিল রোগ ও বয়স্ক ব্যক্তি করোনার যে কোনো ধরনের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, স্বীকৃত সত্য, বাংলাদেশের পরিসংখ্যানটা যা পাচ্ছি সরকারের পক্ষ থেকে, আমরা মনে করি তার চেয়ে অনেক বেশি সংক্রমিত হাসপাতালে বাইরে, বাড়িতে ও বাসাতে আছেন। আমাদের যেটা চেষ্টা করতে হবে সরকারি পরিসংখ্যানে যেটা পাচ্ছি সেইখান থেকে এটাকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
এই বিপদ থেকে বাঁচার উপায় হলো ভ্যাকসিনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।
অনেকেই আক্ষেপ করে বলেন, মাস্ক পরতে ভালো লাগে না কিংবা মাস্ক কবে না পরলেও চলবে? কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন আক্ষেপ না রেখে বরং মাস্ককে জীবনের অংশে পরিণত করতে হবে। আর তাহলেই মুক্তি মিলতে পারে করোনা থেকে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ বেল্লাল তালুকদার
প্রধান কার্যালয় ফ্লাট#এ ৫ ট্রফিকাল হোম ৫৫/৫৬ শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন রোড মগবাজার রমনা ঢাকা-১২১৭
মোবাইল নং- 01712573978
ই-মেইল:- ajkercrimenews@gmail.com
Copyright © 2026 আজকের ক্রাইম নিউজ. All rights reserved.