সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫

অসহায় বৃদ্ধাকে মায়ের সম্মান দিয়ে কাছে টেনে নিলেন এসপি জাহিদ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০ ১৮০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এম.এ.আর নয়ন, স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশ পুলিশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম। যে ব্যক্তি তার সাথে কথা বলেনি, তাকে বোঝানো যাবেনা তিনি কি ধরনের মানবিক গুণাবলি সমৃদ্ধ ব্যক্তি। এমন পুলিশ যে জেলায় থাকবে সে জেলার মানুষ পুলিশকে নিয়ে গর্ব করবে এটাই স্বাভাবিক। কারণ পুলিশের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি এ জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে যে পরিমাণ মানবিক কাজ করেছেন তার জন্য জেলাবাসী তাকে আজীবন মনে রাখবে৷ ইতোমধ্যে তিনি জেলার প্রতিটা মানুষের কাছে মানবিক পুলিশ সুপার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন, যে উপাধি জেলাবাসী তাকে ভালোবেসে দিয়েছে৷ করোনাকাল থেকে শুরু করে এখনো পর্যন্ত তিনি যে সমস্ত মানবিক কাজ করেছেন তা লিখে হয়তো শেষ করা যাবে কিন্তু কত সময় লাগবে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাবেনা।

সেই সমস্ত মানবিক কাজের ধারাবাহিকতায় এবার অসহায় বৃদ্ধা রিজিয়া বেগম (৬০) কে মায়ের সম্মান দিয়ে কাছে টেনে নিলেন। হাতে তুলে দিলেন শাড়ি ও নগদ টাকা। রিজিয়া বেগম পুলিশ সুপারের মানবিক গুণের কথা বিভিন্ন মারফতে শুনে বুধবার (৯ই ডিসেম্বর) দুপুরে তার কার্যালয়ে হাজির হন, তবে কোন অভিযোগ জানাতে নয়। দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে তিনি একটুখানি আশা নিয়ে পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের কাছে আসেন। ভরণ পোষন দেওয়ার মত স্বামী কিংবা সন্তান তার নাই। প্রয়োজন একটি শাড়ীর। চাহিদা খুবই কম। কিন্তু এই স্বল্প চাহিদা পূরণের ভরসাস্থল তার অজানা। অশ্রুসিক্ত দুটি নয়নে অসহায়ের মত পুলিশ সুপারের সামনে হাজির হলে মানবিক পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম তাকে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নেন। অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে শোনেন তার দুঃখের কথা। রিজিয়া বেগম তার মনের কথা পুলিশ সুপারের কাছে বলতে পারায় তার দু’চোখ দিয়ে পরিতৃপ্তির অশ্রু ঝরে পড়ে। মানবিক পুলিশ সুপার তাকে তাৎক্ষণিকভাবে একটি শাড়ী এবং ঔষধ কেনার জন্য নগদ টাকা প্রদান করেন। তিনি আরো আশ্বস্ত করেন চুয়াডাঙ্গাবাসীর যেকোন প্রয়োজনে পুলিশ সুপারের দুয়ার রাতদিন ২৪ ঘন্টা খোলা আছে।

এ সময়, পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, সমাজের সর্বস্তরের সামর্থ্যবান মানুষ যদি অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের দিকে একটু সুদৃষ্টি দেয়, তাহলে আমাদের সমাজে সুবিধা বঞ্চিতদের মুখেও হাসি ফোঁটানো সম্ভব। এসময়ে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সকল বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অসহায় বৃদ্ধাকে মায়ের সম্মান দিয়ে কাছে টেনে নিলেন এসপি জাহিদ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০

এম.এ.আর নয়ন, স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশ পুলিশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম। যে ব্যক্তি তার সাথে কথা বলেনি, তাকে বোঝানো যাবেনা তিনি কি ধরনের মানবিক গুণাবলি সমৃদ্ধ ব্যক্তি। এমন পুলিশ যে জেলায় থাকবে সে জেলার মানুষ পুলিশকে নিয়ে গর্ব করবে এটাই স্বাভাবিক। কারণ পুলিশের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি এ জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে যে পরিমাণ মানবিক কাজ করেছেন তার জন্য জেলাবাসী তাকে আজীবন মনে রাখবে৷ ইতোমধ্যে তিনি জেলার প্রতিটা মানুষের কাছে মানবিক পুলিশ সুপার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন, যে উপাধি জেলাবাসী তাকে ভালোবেসে দিয়েছে৷ করোনাকাল থেকে শুরু করে এখনো পর্যন্ত তিনি যে সমস্ত মানবিক কাজ করেছেন তা লিখে হয়তো শেষ করা যাবে কিন্তু কত সময় লাগবে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাবেনা।

সেই সমস্ত মানবিক কাজের ধারাবাহিকতায় এবার অসহায় বৃদ্ধা রিজিয়া বেগম (৬০) কে মায়ের সম্মান দিয়ে কাছে টেনে নিলেন। হাতে তুলে দিলেন শাড়ি ও নগদ টাকা। রিজিয়া বেগম পুলিশ সুপারের মানবিক গুণের কথা বিভিন্ন মারফতে শুনে বুধবার (৯ই ডিসেম্বর) দুপুরে তার কার্যালয়ে হাজির হন, তবে কোন অভিযোগ জানাতে নয়। দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে তিনি একটুখানি আশা নিয়ে পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের কাছে আসেন। ভরণ পোষন দেওয়ার মত স্বামী কিংবা সন্তান তার নাই। প্রয়োজন একটি শাড়ীর। চাহিদা খুবই কম। কিন্তু এই স্বল্প চাহিদা পূরণের ভরসাস্থল তার অজানা। অশ্রুসিক্ত দুটি নয়নে অসহায়ের মত পুলিশ সুপারের সামনে হাজির হলে মানবিক পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম তাকে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নেন। অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে শোনেন তার দুঃখের কথা। রিজিয়া বেগম তার মনের কথা পুলিশ সুপারের কাছে বলতে পারায় তার দু’চোখ দিয়ে পরিতৃপ্তির অশ্রু ঝরে পড়ে। মানবিক পুলিশ সুপার তাকে তাৎক্ষণিকভাবে একটি শাড়ী এবং ঔষধ কেনার জন্য নগদ টাকা প্রদান করেন। তিনি আরো আশ্বস্ত করেন চুয়াডাঙ্গাবাসীর যেকোন প্রয়োজনে পুলিশ সুপারের দুয়ার রাতদিন ২৪ ঘন্টা খোলা আছে।

এ সময়, পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, সমাজের সর্বস্তরের সামর্থ্যবান মানুষ যদি অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের দিকে একটু সুদৃষ্টি দেয়, তাহলে আমাদের সমাজে সুবিধা বঞ্চিতদের মুখেও হাসি ফোঁটানো সম্ভব। এসময়ে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সকল বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।