সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু অভাবের সংসারে অসমাপ্ত ঘর, রেহানার পাশে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন। বাবুগঞ্জে সালিশ বৈঠকে হামলার অভিযোগ, আহত একই পরিবারের ৩ কাঠালিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ৫ জন মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত । মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর )উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি এর কার্যালয়ে আটককৃতদের হাজির করা হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ আবদুল আল মামুন কাওসার শেখ তাদের কারাদণ্ড দেন। ৫জনের মধ্যে ৪ জনের ৬ মাস করে ও একজনের ৭দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০টাকা জরিমানা করা হয়। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মাদক সেবীরা হলো -মোঃ শাকিল মিয়া (,২৬) পিতা মোঃ হেলাল উদ্দিন, গ্রাম মরিচা, সবুজ (২৫ ) পিতা বাহার উদ্দিন, গ্রাম বিরাহিম পুর, জয়নাল আবেদীন(৩৬), পিতা হানিফ উদ্দিন গ্রাম রামেশ্বরপুর, শাহিন আলম পিতা আবু তাহের মন্ডল, গ্রাম বিরাহিমপুর,। এদের প্রত্যেকের ৬ মাস করে কারা বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মোঃ কবিরুল ইসলাম ( ২৫) পিতা কহিনুর ইসলাম, গ্রাম বলাহার, ৭দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মাদক বিরোধী অভিযানে অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনের অপরাধে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
উপজেলায় মাদক সেবন ও মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে কিংবা আড়ালে মাদক সেবনের অভিযোগ উঠছে। বিশেষ করে তরুণ ও যুবকদের একটি অংশ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ায় পরিবার ও সচেতন মহলে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু নির্দিষ্ট স্থান ও আড্ডা কেন্দ্রকে ঘিরে রাতের বেলা মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে যায়।

এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে। মাদক সেবনের পাশাপাশি এর প্রভাবে পারিবারিক অশান্তি, চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধের ঝুঁকিও বাড়ছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মাদক প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান থাকলেও মাদকের সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি—এমন অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়দের।

তাদের দাবি, শুধু মাদকসেবীদের আটক করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না; মাদকের উৎস, সরবরাহকারী ও বিক্রয়কেন্দ্র শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা [নাম] বলেন, “এলাকার কিছু তরুণ মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। সন্ধ্যার পর বিভিন্ন স্থানে তাদের আড্ডা দেখা যায়। এতে অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।”

আরেক বাসিন্দা [নাম] বলেন, “মাদক বন্ধ করতে হলে শুধু মাঝে মাঝে অভিযান চালালে হবে না। যারা মাদক সরবরাহ করে তাদের শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”

অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদকের সহজলভ্যতা তরুণদের ভবিষ্যৎকে হুমকির মুখে ফেলছে। অনেক পরিবার সন্তানদের গতিবিধি নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, মাদক প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

শুধু অভিযান নয়, দরকার দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ
সচেতন মহলের মতে, মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং মাদক সরবরাহের উৎস চিহ্নিত করার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও জোরদার করা দরকার।

এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম

বলেন, “মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক বিক্রি, সরবরাহ বা সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে পুলিশকে জানানোর জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ রুবানা তানজিন বলেন, “মাদক একটি সামাজিক ও আইনগত সমস্যা। মাদক প্রতিরোধে প্রশাসন, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। মাদকের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন—মাদকবিরোধী অভিযান কতটা নিয়মিত ও কার্যকর হচ্ছে, মাদকের উৎস কোথায় এবং কারা এর পেছনে রয়েছে—এসব বিষয়েও কি যথেষ্ট নজরদারি রয়েছে?

এলাকাবাসীর দাবি, মাদকসেবনের অভিযোগ রয়েছে এমন স্থানগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিত নজরদারি, মাদকবিরোধী অভিযান এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হোক। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

মাদকমুক্ত ঘোড়াঘাট গড়তে এখনই কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে এর সামাজিক ক্ষতি আরও বিস্তৃত হতে পারে—এমন আশঙ্কা করছেন সচেতন নাগরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

আপডেট সময় : ০৫:৪১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ৫ জন মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত । মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর )উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি এর কার্যালয়ে আটককৃতদের হাজির করা হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ আবদুল আল মামুন কাওসার শেখ তাদের কারাদণ্ড দেন। ৫জনের মধ্যে ৪ জনের ৬ মাস করে ও একজনের ৭দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০টাকা জরিমানা করা হয়। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মাদক সেবীরা হলো -মোঃ শাকিল মিয়া (,২৬) পিতা মোঃ হেলাল উদ্দিন, গ্রাম মরিচা, সবুজ (২৫ ) পিতা বাহার উদ্দিন, গ্রাম বিরাহিম পুর, জয়নাল আবেদীন(৩৬), পিতা হানিফ উদ্দিন গ্রাম রামেশ্বরপুর, শাহিন আলম পিতা আবু তাহের মন্ডল, গ্রাম বিরাহিমপুর,। এদের প্রত্যেকের ৬ মাস করে কারা বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মোঃ কবিরুল ইসলাম ( ২৫) পিতা কহিনুর ইসলাম, গ্রাম বলাহার, ৭দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মাদক বিরোধী অভিযানে অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনের অপরাধে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
উপজেলায় মাদক সেবন ও মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে কিংবা আড়ালে মাদক সেবনের অভিযোগ উঠছে। বিশেষ করে তরুণ ও যুবকদের একটি অংশ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ায় পরিবার ও সচেতন মহলে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু নির্দিষ্ট স্থান ও আড্ডা কেন্দ্রকে ঘিরে রাতের বেলা মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে যায়।

এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে। মাদক সেবনের পাশাপাশি এর প্রভাবে পারিবারিক অশান্তি, চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধের ঝুঁকিও বাড়ছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মাদক প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান থাকলেও মাদকের সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি—এমন অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়দের।

তাদের দাবি, শুধু মাদকসেবীদের আটক করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না; মাদকের উৎস, সরবরাহকারী ও বিক্রয়কেন্দ্র শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা [নাম] বলেন, “এলাকার কিছু তরুণ মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। সন্ধ্যার পর বিভিন্ন স্থানে তাদের আড্ডা দেখা যায়। এতে অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।”

আরেক বাসিন্দা [নাম] বলেন, “মাদক বন্ধ করতে হলে শুধু মাঝে মাঝে অভিযান চালালে হবে না। যারা মাদক সরবরাহ করে তাদের শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”

অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদকের সহজলভ্যতা তরুণদের ভবিষ্যৎকে হুমকির মুখে ফেলছে। অনেক পরিবার সন্তানদের গতিবিধি নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, মাদক প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

শুধু অভিযান নয়, দরকার দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ
সচেতন মহলের মতে, মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং মাদক সরবরাহের উৎস চিহ্নিত করার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও জোরদার করা দরকার।

এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম

বলেন, “মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক বিক্রি, সরবরাহ বা সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে পুলিশকে জানানোর জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ রুবানা তানজিন বলেন, “মাদক একটি সামাজিক ও আইনগত সমস্যা। মাদক প্রতিরোধে প্রশাসন, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। মাদকের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন—মাদকবিরোধী অভিযান কতটা নিয়মিত ও কার্যকর হচ্ছে, মাদকের উৎস কোথায় এবং কারা এর পেছনে রয়েছে—এসব বিষয়েও কি যথেষ্ট নজরদারি রয়েছে?

এলাকাবাসীর দাবি, মাদকসেবনের অভিযোগ রয়েছে এমন স্থানগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিত নজরদারি, মাদকবিরোধী অভিযান এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হোক। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

মাদকমুক্ত ঘোড়াঘাট গড়তে এখনই কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে এর সামাজিক ক্ষতি আরও বিস্তৃত হতে পারে—এমন আশঙ্কা করছেন সচেতন নাগরি।