সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠিতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ১৮ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীকে সংবর্ধনা প্রদান চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

অসহায় বৃদ্ধাকে মায়ের সম্মান দিয়ে কাছে টেনে নিলেন এসপি জাহিদ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০ ১৯২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এম.এ.আর নয়ন, স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশ পুলিশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম। যে ব্যক্তি তার সাথে কথা বলেনি, তাকে বোঝানো যাবেনা তিনি কি ধরনের মানবিক গুণাবলি সমৃদ্ধ ব্যক্তি। এমন পুলিশ যে জেলায় থাকবে সে জেলার মানুষ পুলিশকে নিয়ে গর্ব করবে এটাই স্বাভাবিক। কারণ পুলিশের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি এ জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে যে পরিমাণ মানবিক কাজ করেছেন তার জন্য জেলাবাসী তাকে আজীবন মনে রাখবে৷ ইতোমধ্যে তিনি জেলার প্রতিটা মানুষের কাছে মানবিক পুলিশ সুপার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন, যে উপাধি জেলাবাসী তাকে ভালোবেসে দিয়েছে৷ করোনাকাল থেকে শুরু করে এখনো পর্যন্ত তিনি যে সমস্ত মানবিক কাজ করেছেন তা লিখে হয়তো শেষ করা যাবে কিন্তু কত সময় লাগবে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাবেনা।

সেই সমস্ত মানবিক কাজের ধারাবাহিকতায় এবার অসহায় বৃদ্ধা রিজিয়া বেগম (৬০) কে মায়ের সম্মান দিয়ে কাছে টেনে নিলেন। হাতে তুলে দিলেন শাড়ি ও নগদ টাকা। রিজিয়া বেগম পুলিশ সুপারের মানবিক গুণের কথা বিভিন্ন মারফতে শুনে বুধবার (৯ই ডিসেম্বর) দুপুরে তার কার্যালয়ে হাজির হন, তবে কোন অভিযোগ জানাতে নয়। দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে তিনি একটুখানি আশা নিয়ে পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের কাছে আসেন। ভরণ পোষন দেওয়ার মত স্বামী কিংবা সন্তান তার নাই। প্রয়োজন একটি শাড়ীর। চাহিদা খুবই কম। কিন্তু এই স্বল্প চাহিদা পূরণের ভরসাস্থল তার অজানা। অশ্রুসিক্ত দুটি নয়নে অসহায়ের মত পুলিশ সুপারের সামনে হাজির হলে মানবিক পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম তাকে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নেন। অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে শোনেন তার দুঃখের কথা। রিজিয়া বেগম তার মনের কথা পুলিশ সুপারের কাছে বলতে পারায় তার দু’চোখ দিয়ে পরিতৃপ্তির অশ্রু ঝরে পড়ে। মানবিক পুলিশ সুপার তাকে তাৎক্ষণিকভাবে একটি শাড়ী এবং ঔষধ কেনার জন্য নগদ টাকা প্রদান করেন। তিনি আরো আশ্বস্ত করেন চুয়াডাঙ্গাবাসীর যেকোন প্রয়োজনে পুলিশ সুপারের দুয়ার রাতদিন ২৪ ঘন্টা খোলা আছে।

এ সময়, পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, সমাজের সর্বস্তরের সামর্থ্যবান মানুষ যদি অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের দিকে একটু সুদৃষ্টি দেয়, তাহলে আমাদের সমাজে সুবিধা বঞ্চিতদের মুখেও হাসি ফোঁটানো সম্ভব। এসময়ে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সকল বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অসহায় বৃদ্ধাকে মায়ের সম্মান দিয়ে কাছে টেনে নিলেন এসপি জাহিদ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০

এম.এ.আর নয়ন, স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশ পুলিশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম। যে ব্যক্তি তার সাথে কথা বলেনি, তাকে বোঝানো যাবেনা তিনি কি ধরনের মানবিক গুণাবলি সমৃদ্ধ ব্যক্তি। এমন পুলিশ যে জেলায় থাকবে সে জেলার মানুষ পুলিশকে নিয়ে গর্ব করবে এটাই স্বাভাবিক। কারণ পুলিশের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি এ জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে যে পরিমাণ মানবিক কাজ করেছেন তার জন্য জেলাবাসী তাকে আজীবন মনে রাখবে৷ ইতোমধ্যে তিনি জেলার প্রতিটা মানুষের কাছে মানবিক পুলিশ সুপার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন, যে উপাধি জেলাবাসী তাকে ভালোবেসে দিয়েছে৷ করোনাকাল থেকে শুরু করে এখনো পর্যন্ত তিনি যে সমস্ত মানবিক কাজ করেছেন তা লিখে হয়তো শেষ করা যাবে কিন্তু কত সময় লাগবে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাবেনা।

সেই সমস্ত মানবিক কাজের ধারাবাহিকতায় এবার অসহায় বৃদ্ধা রিজিয়া বেগম (৬০) কে মায়ের সম্মান দিয়ে কাছে টেনে নিলেন। হাতে তুলে দিলেন শাড়ি ও নগদ টাকা। রিজিয়া বেগম পুলিশ সুপারের মানবিক গুণের কথা বিভিন্ন মারফতে শুনে বুধবার (৯ই ডিসেম্বর) দুপুরে তার কার্যালয়ে হাজির হন, তবে কোন অভিযোগ জানাতে নয়। দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে তিনি একটুখানি আশা নিয়ে পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের কাছে আসেন। ভরণ পোষন দেওয়ার মত স্বামী কিংবা সন্তান তার নাই। প্রয়োজন একটি শাড়ীর। চাহিদা খুবই কম। কিন্তু এই স্বল্প চাহিদা পূরণের ভরসাস্থল তার অজানা। অশ্রুসিক্ত দুটি নয়নে অসহায়ের মত পুলিশ সুপারের সামনে হাজির হলে মানবিক পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম তাকে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নেন। অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে শোনেন তার দুঃখের কথা। রিজিয়া বেগম তার মনের কথা পুলিশ সুপারের কাছে বলতে পারায় তার দু’চোখ দিয়ে পরিতৃপ্তির অশ্রু ঝরে পড়ে। মানবিক পুলিশ সুপার তাকে তাৎক্ষণিকভাবে একটি শাড়ী এবং ঔষধ কেনার জন্য নগদ টাকা প্রদান করেন। তিনি আরো আশ্বস্ত করেন চুয়াডাঙ্গাবাসীর যেকোন প্রয়োজনে পুলিশ সুপারের দুয়ার রাতদিন ২৪ ঘন্টা খোলা আছে।

এ সময়, পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, সমাজের সর্বস্তরের সামর্থ্যবান মানুষ যদি অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের দিকে একটু সুদৃষ্টি দেয়, তাহলে আমাদের সমাজে সুবিধা বঞ্চিতদের মুখেও হাসি ফোঁটানো সম্ভব। এসময়ে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সকল বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।