সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয় নগরে ১২২ কেজি গাজা সহ গ্রেপ্তারে ১জন চুয়াডাঙ্গা গার্লস স্কুলে প্রশ্ন ফাঁসের তদন্তের মাঝপথে ভর্তি জালিয়াতি, স্বাক্ষর জালসহ নানা অপকর্মের হোতা অফিস সহায়ক আটক রাজাপুরে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করল সিআইডি বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্নের পর সনদ ও বই বিতরণ ঘোড়াঘাটের কোটি টাকার রানীগঞ্জ হাটসহ প্রতিটি হাটে সড়কের ওপর দোকান! বাবুগঞ্জে ভি-ডব্লিউ-বি কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা‎‎ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস উদযাপন, চালকদের সম্মাননা ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা

ঝালকাঠিতে ইউএনও’র হস্থক্ষেপে ১২ ঘন্টার ব্যবধানে দুটি বাল্যবিয়ে পন্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ২০৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ মনির হোসেন ঝালকাঠি:

ঝালকাঠিতে ইউএনও তানিয়া ফেরদৌসের হস্থক্ষেপে ১২ ঘন্টার ব্যবধানে দুটি বাল্যবিয়ে পন্ড হওয়ার মাধ্যমে দুইজন স্কুল ছাত্রী ফিরে পেল নতুন জীবন। ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ফেরদৌসের হস্থক্ষেপে ১২ ঘন্টার ব্যবধানে দুটি বাল্য বিয়ে পন্ড হয়েছে।

উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নস্থ দাড়িয়াপুর গ্রামের জৈনক জব্বার হাওলাদারের বাড়ীতে ঢাকা থেকে ১৩ বছর বয়সী ৯বম শ্রেনী পড়ুয়া এক ছাত্রীকে নিয়ে ১৭ বছর বয়সি আলামিন পালিয়ে তার নানা বাড়িতে আসে। পরে আলামিনের নানা জব্বারের সহযোগীতায় গত ৮ ফেব্রুয়ারী দিবাগত রাতে ঐ বাড়িতে বিয়ের আয়োজন করে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় গুনজন শুরু হলে একপর্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ফেরদৌস জানতে পারেন। পরে ঐ রাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ কমিটির সদস্য ও স্থানীয় ইউপি সদস্যে দ্বীর্জদাশ ব্যানার্জীর মাধ্যমে বিয়ে বন্ধ করে। পরে ছেলে ও মেয়ের অবিভাবক ডেকে বাল্যবিয়ে দিবেনা মর্মে মুছলেকা রেখে ছেলে ও মেয়েকে যার যার অভিভাবকদের হাতে তুলে দেন।

অপরদিকে একটি বাল্যবিয়ে প্রতিরোধের ১২ ঘন্টা যেতে না যেতেই ০৯ ফেব্রুয়ারী উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নস্থ বালিঘোনা আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দা শহীদুল ইসলাম বাবুলের ছেলে শফিকুল ইসলাম (১৯) এর সাথে একই এলাকার বাসিন্দা ১৩ বছর বয়সী ৯ বম শ্রেনী পড়ুয়া ছাত্রীর সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ের আয়োজন করে। তাদের বিয়ের আয়োজনের সংবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্মতা তানিয়া ফেরদৌসের নজরে আসলে তার হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে পন্ডহয়। পরে সেখানে একইভাবে সন্তানদের অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ে দিবো না মর্মে ছেলে ও মেয়ের অভিভাবকগন মুছলেকা প্রদান করেন।

এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ফেরদৌসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বাল্য বিয়ের কারণে শিশুদের শিক্ষালাভ বাঁধাগ্রস্ত হয়, বিশেষ করে কন্যা শিশুদের উপর প্রভাবটা বেশি পরে। তাই গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আমাদের সর্বদা দৃষ্টি রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। আর তারই ধারাবাহিকতায় আমি ও আমার প্রশাসন এই উপজেলায় বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝালকাঠিতে ইউএনও’র হস্থক্ষেপে ১২ ঘন্টার ব্যবধানে দুটি বাল্যবিয়ে পন্ড

আপডেট সময় : ০২:২০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

মোঃ মনির হোসেন ঝালকাঠি:

ঝালকাঠিতে ইউএনও তানিয়া ফেরদৌসের হস্থক্ষেপে ১২ ঘন্টার ব্যবধানে দুটি বাল্যবিয়ে পন্ড হওয়ার মাধ্যমে দুইজন স্কুল ছাত্রী ফিরে পেল নতুন জীবন। ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ফেরদৌসের হস্থক্ষেপে ১২ ঘন্টার ব্যবধানে দুটি বাল্য বিয়ে পন্ড হয়েছে।

উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নস্থ দাড়িয়াপুর গ্রামের জৈনক জব্বার হাওলাদারের বাড়ীতে ঢাকা থেকে ১৩ বছর বয়সী ৯বম শ্রেনী পড়ুয়া এক ছাত্রীকে নিয়ে ১৭ বছর বয়সি আলামিন পালিয়ে তার নানা বাড়িতে আসে। পরে আলামিনের নানা জব্বারের সহযোগীতায় গত ৮ ফেব্রুয়ারী দিবাগত রাতে ঐ বাড়িতে বিয়ের আয়োজন করে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় গুনজন শুরু হলে একপর্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ফেরদৌস জানতে পারেন। পরে ঐ রাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ কমিটির সদস্য ও স্থানীয় ইউপি সদস্যে দ্বীর্জদাশ ব্যানার্জীর মাধ্যমে বিয়ে বন্ধ করে। পরে ছেলে ও মেয়ের অবিভাবক ডেকে বাল্যবিয়ে দিবেনা মর্মে মুছলেকা রেখে ছেলে ও মেয়েকে যার যার অভিভাবকদের হাতে তুলে দেন।

অপরদিকে একটি বাল্যবিয়ে প্রতিরোধের ১২ ঘন্টা যেতে না যেতেই ০৯ ফেব্রুয়ারী উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নস্থ বালিঘোনা আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দা শহীদুল ইসলাম বাবুলের ছেলে শফিকুল ইসলাম (১৯) এর সাথে একই এলাকার বাসিন্দা ১৩ বছর বয়সী ৯ বম শ্রেনী পড়ুয়া ছাত্রীর সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ের আয়োজন করে। তাদের বিয়ের আয়োজনের সংবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্মতা তানিয়া ফেরদৌসের নজরে আসলে তার হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে পন্ডহয়। পরে সেখানে একইভাবে সন্তানদের অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ে দিবো না মর্মে ছেলে ও মেয়ের অভিভাবকগন মুছলেকা প্রদান করেন।

এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ফেরদৌসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বাল্য বিয়ের কারণে শিশুদের শিক্ষালাভ বাঁধাগ্রস্ত হয়, বিশেষ করে কন্যা শিশুদের উপর প্রভাবটা বেশি পরে। তাই গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আমাদের সর্বদা দৃষ্টি রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। আর তারই ধারাবাহিকতায় আমি ও আমার প্রশাসন এই উপজেলায় বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছি।