সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক আলমডাঙ্গার স্বপন ফেসবুকে রাজনৈতিক পোস্ট দেয়ায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাবুগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু। প্রবাসীর ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে, বাড়ি থেকেও উচ্ছেদের হুমকি ডিসেম্বরে আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি বিদায় বাংলাদেশ আসিফ মাহমুদ

বরিশালে মেয়র-প্রতিমন্ত্রীসহ ১১০০ আ. লীগ নেতাকর্মীর নামে মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৬:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪ ৪২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স : বরিশাল নগরীর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুর ও লুটের অভিযোগে সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী, সাবেক দুই সিটি মেয়র, জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৩৮১ জন নামধারীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক বাদী হয়ে মামলা করেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমানুল্লাহ আল বারী জানান, বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত মামলার কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। মামলার প্রধান আসামি হলেন-সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কর্নেল অব. জাহিদ ফারুক শামীম।

এছাড়াও উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন-বরিশাল সিটি করপোরেশনের সদ্য সাবেক মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত, সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, সদ্য সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর। এছাড়া মামলায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১৬ জন কাউন্সিলরকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ সংগঠনের উদ্দেশ্যে বিস্ফোরণ ঘটানো ও সহায়তার অপরাধসহ বেআইনি জনতায় মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দাঙ্গা করা, অনধিকার প্রবেশ করে চুরি, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও খুন জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন গত ৪ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টায় নামধারীরাসহ অজ্ঞাত ৭০০ সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে পিস্তল, শর্টগান, ককটেল, রামদা, চাপাতি, চায়নিজ কুড়াল, শাবল নিয়ে নগরের সদর রোডের টাউন হলের পাশে হামলা করে।

তারা গুলি করে ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভীতিজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করে টিভি, কম্পিউটার, সাউন্ড সিস্টেমসহ সাড়ে ৪ লাখ টাকার মালামাল ভাঙচুর করে।এছাড়া দ্বিতীয় তলার জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের আগুন দিয়ে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। দলীয় কার্যালয়ের সামনে রাখা চারটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় লোকজন আগুন নিভাতে গেলে তাদের হুমকি দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বরিশালে মেয়র-প্রতিমন্ত্রীসহ ১১০০ আ. লীগ নেতাকর্মীর নামে মামলা

আপডেট সময় : ০২:২৬:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪

আজকের ক্রাইম ডেক্স : বরিশাল নগরীর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুর ও লুটের অভিযোগে সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী, সাবেক দুই সিটি মেয়র, জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৩৮১ জন নামধারীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক বাদী হয়ে মামলা করেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমানুল্লাহ আল বারী জানান, বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত মামলার কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। মামলার প্রধান আসামি হলেন-সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কর্নেল অব. জাহিদ ফারুক শামীম।

এছাড়াও উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন-বরিশাল সিটি করপোরেশনের সদ্য সাবেক মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত, সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, সদ্য সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর। এছাড়া মামলায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১৬ জন কাউন্সিলরকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ সংগঠনের উদ্দেশ্যে বিস্ফোরণ ঘটানো ও সহায়তার অপরাধসহ বেআইনি জনতায় মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দাঙ্গা করা, অনধিকার প্রবেশ করে চুরি, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও খুন জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন গত ৪ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টায় নামধারীরাসহ অজ্ঞাত ৭০০ সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে পিস্তল, শর্টগান, ককটেল, রামদা, চাপাতি, চায়নিজ কুড়াল, শাবল নিয়ে নগরের সদর রোডের টাউন হলের পাশে হামলা করে।

তারা গুলি করে ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভীতিজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করে টিভি, কম্পিউটার, সাউন্ড সিস্টেমসহ সাড়ে ৪ লাখ টাকার মালামাল ভাঙচুর করে।এছাড়া দ্বিতীয় তলার জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের আগুন দিয়ে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। দলীয় কার্যালয়ের সামনে রাখা চারটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় লোকজন আগুন নিভাতে গেলে তাদের হুমকি দেওয়া হয়।