ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার
ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার
- আপডেট সময় : ১১:৪৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; sv:16.1.10.1.W20; module: video;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 0;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: off;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 41;

ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘২৩টি জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন (২য় সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ঝালকাঠিতে এ প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হচ্ছে। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
প্রকল্পের আওতায় এখানে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন, ওয়ার্কশপ, ছাত্রাবাস, ছাত্রীনিবাস, অফিসার ডরমিটরি, স্টাফ কোয়ার্টার, মসজিদ, সীমানাপ্রাচীর ও প্রধান ফটক নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সরবরাহেরও পরিকল্পনা রয়েছে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা,সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আইসিটি মোঃ বসির গাজী,শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী স্নেহলতা রায়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, ঝালকাঠিতে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি শিক্ষার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। এখন থেকে তাদের ডিপ্লোমা পর্যায়ে পড়াশোনার জন্য দূরবর্তী জেলায় যেতে হবে না। নিজ এলাকায় থেকেই তারা কারিগরি শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে।
তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এর ফলে তাদের কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি দেশের উন্নয়নেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।



















