সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে কৃষকদের মাঝে ফলের চারা এবং সবজি বীজ বিতরণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩ ১২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ,ঘোড়াঘাট(দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে কৃষক-কৃষানীর মাঝে বিনামূল্য বিভিন্ন ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা এবং বিভিন্ন প্রকারের শাক-সবজির বীজ বিতরণ করা হয়েছে। বিনামূল্য এসব চারা ও বীজ পেয়েছেন এই উপজেলার ১৩৭ জন।
১০ আগষ্ট বৃৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্যোগে অনাবাদি পতিত জমি এবং বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় কৃষক-কৃষানীদের মাঝে এ সব কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।
এ সব ফলজ ও ঔষধি চারা এবং শাক-সবজির বীজ সুবিধাভোগীদের হাতে তুলে দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান। এ সব সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা খাদিজাতুল কুবরা এবং কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রুহুল আমিন সহ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বৃন্দ।
২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের অধিনে একজন কৃষক বা কৃষাণী পেয়েছেন সারা বছর ফল দেয় এমন জাতের কাটিমন আম, আনার, সফেদা, লটকন, আমড়া এবং কাঠাল গাছের চারা।
এছাড়াও ঔষধি গাছ হিসেবে অর্জুন এবং ১৪ প্রকারের হাইব্রিড ও উন্নতজাতের শাকসবজির বীজ।
বিনামূল্যে এসব কৃষি উপকরণ পেয়েছেন ফাতেমা বেগম নামে এক নারী। তিনি বলেন, ‘আমার বাড়ির পাশে কিছু জায়গা ফাঁকা পড়ে আছে। কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে গাছের চারা ও বীজ পেলাম। পড়ে থাকা জায়গাতে এখন এসব চারা লাগাবো এবং শাকসবজির আবাদ করবো।’
মনোয়ার হোসেন নামে আরেকজন বলেন, ‘বিনামূল্যে শাকসবজির বীজ পেলাম। এসব বীজ বপণ করে ভালো ভাবে পরিচর্যা করতে পারলে কমপক্ষে ৪-৫ মাস আর শাকসবজি কিনে খেতে হবে না। পাশাপাশি পড়ে থাকা জমিটাও আর ফাঁকা থাকলো না।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান বলেন, ‘পারিবারিক পর্যায়ে নিজেদের পুষ্টিগুণের চাহিদা মেটাতে বর্তমান সরকার এবং কৃষি বিভাগ নানা ধরণের উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেছেন। মাঠ পর্যায়ে আমরা প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন করছি। এসব প্রকল্প থেকে সফলতাও মিলছে আশানুরূপ।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঘোড়াঘাটে কৃষকদের মাঝে ফলের চারা এবং সবজি বীজ বিতরণ

আপডেট সময় : ০৩:১১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩

মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ,ঘোড়াঘাট(দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে কৃষক-কৃষানীর মাঝে বিনামূল্য বিভিন্ন ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা এবং বিভিন্ন প্রকারের শাক-সবজির বীজ বিতরণ করা হয়েছে। বিনামূল্য এসব চারা ও বীজ পেয়েছেন এই উপজেলার ১৩৭ জন।
১০ আগষ্ট বৃৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্যোগে অনাবাদি পতিত জমি এবং বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় কৃষক-কৃষানীদের মাঝে এ সব কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।
এ সব ফলজ ও ঔষধি চারা এবং শাক-সবজির বীজ সুবিধাভোগীদের হাতে তুলে দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান। এ সব সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা খাদিজাতুল কুবরা এবং কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রুহুল আমিন সহ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বৃন্দ।
২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের অধিনে একজন কৃষক বা কৃষাণী পেয়েছেন সারা বছর ফল দেয় এমন জাতের কাটিমন আম, আনার, সফেদা, লটকন, আমড়া এবং কাঠাল গাছের চারা।
এছাড়াও ঔষধি গাছ হিসেবে অর্জুন এবং ১৪ প্রকারের হাইব্রিড ও উন্নতজাতের শাকসবজির বীজ।
বিনামূল্যে এসব কৃষি উপকরণ পেয়েছেন ফাতেমা বেগম নামে এক নারী। তিনি বলেন, ‘আমার বাড়ির পাশে কিছু জায়গা ফাঁকা পড়ে আছে। কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে গাছের চারা ও বীজ পেলাম। পড়ে থাকা জায়গাতে এখন এসব চারা লাগাবো এবং শাকসবজির আবাদ করবো।’
মনোয়ার হোসেন নামে আরেকজন বলেন, ‘বিনামূল্যে শাকসবজির বীজ পেলাম। এসব বীজ বপণ করে ভালো ভাবে পরিচর্যা করতে পারলে কমপক্ষে ৪-৫ মাস আর শাকসবজি কিনে খেতে হবে না। পাশাপাশি পড়ে থাকা জমিটাও আর ফাঁকা থাকলো না।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান বলেন, ‘পারিবারিক পর্যায়ে নিজেদের পুষ্টিগুণের চাহিদা মেটাতে বর্তমান সরকার এবং কৃষি বিভাগ নানা ধরণের উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেছেন। মাঠ পর্যায়ে আমরা প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন করছি। এসব প্রকল্প থেকে সফলতাও মিলছে আশানুরূপ।’