সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক কাঁঠালিয়ায় ৮ পিস ইয়াবাসহ কলেজ ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আটক ও স্থায়ী বহিষ্কার ​নলছিটির সাবেক পিআইও বিজন কৃষ্ণ খরাতীর ৫ মাসের কারাদণ্ড ১২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড কাঁঠালিয়ায় ৬৩ কেজি পলিথিন জব্দ, ১০ হাজার টাকা জরিমানা ঘোড়াঘাটের সীমানার ৫০০ মিটার ভিতরে পলাশবাড়ী সীমানা পলক স্থাপনের চেষ্টা এলাকায় ক্ষোভ উপজেলা প্রশাসনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় পরিবেশ ও শব্দ দূষণবিরোধী মোবাইল কোর্ট: ১২ হাজার টাকা জরিমানা দর্শনা ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে পালানোর সময় এক যুবক আটক বোর্ড চ্যালেঞ্জে পাস চার ছাত্রী: তেঁতুলিয়ার বোয়ালমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশংসনীয় উদ্যোগ

বরিশাল নগরীতে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আজকের ক্রাইম ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরিশাল নগরীতে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের জিয়া সড়কের বাইতুন নূর জামে মসজিদসংলগ্ন নতুন রাস্তা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

মৃত রুনা আক্তার (২২) বাগেরহাটের দারিয়া বারইডাঙ্গা এলাকার আমিরুল ইসলামের মেয়ে ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিরপুর দক্ষিণ ডিভিশনে কর্মরত পুলিশ সদস্য শাওন হাওলাদারের স্ত্রী। শাওন হাওলাদার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাদলপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে।

বাড়িওয়ালা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, চলতি মাসের ১ তারিখ পুলিশে কর্মরত স্বামীর পরিচয় দিয়ে রুনা নিজেই বাসাটি ভাড়া নিয়েছেন। তিনি বিএম কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার সকালে তার স্বামী ফোন করে জানান স্ত্রী রুনার ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। বুধবার রাতেও তার সঙ্গে কথা হয়েছে এমনটি জানান শাওন। এরপরে ফ্ল্যাটে গিয়ে রুনাকে ডাকাডাকি করলে কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায় না। পরে ট্রিপল নাইনে ফোন করে বিষয়টি কোতোয়ালি থানা পুলিশকে জানানো হয়।

তারা ঘটনাস্থলে এসে রুনার ঝুলন্ত বড় মরদেহ উদ্ধার করেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. আল মামুন উল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর রুনার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর রুনার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

রুনার স্বামী শাওন জানান, তারা পরস্পর মামাতো-ফুফাতো ভাই-বোন। প্রেমের সম্পর্কে তারা বিয়ে করেছেন। পড়াশোনার সুবাদে রুনা আক্তার জিয়া সড়কের ওই বাসায় থাকতেন। তবে কি কারণে আত্মহত্যা করেছেন তা বলতে পারছেন না তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বরিশাল নগরীতে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বরিশাল নগরীতে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের জিয়া সড়কের বাইতুন নূর জামে মসজিদসংলগ্ন নতুন রাস্তা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

মৃত রুনা আক্তার (২২) বাগেরহাটের দারিয়া বারইডাঙ্গা এলাকার আমিরুল ইসলামের মেয়ে ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিরপুর দক্ষিণ ডিভিশনে কর্মরত পুলিশ সদস্য শাওন হাওলাদারের স্ত্রী। শাওন হাওলাদার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাদলপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে।

বাড়িওয়ালা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, চলতি মাসের ১ তারিখ পুলিশে কর্মরত স্বামীর পরিচয় দিয়ে রুনা নিজেই বাসাটি ভাড়া নিয়েছেন। তিনি বিএম কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার সকালে তার স্বামী ফোন করে জানান স্ত্রী রুনার ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। বুধবার রাতেও তার সঙ্গে কথা হয়েছে এমনটি জানান শাওন। এরপরে ফ্ল্যাটে গিয়ে রুনাকে ডাকাডাকি করলে কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায় না। পরে ট্রিপল নাইনে ফোন করে বিষয়টি কোতোয়ালি থানা পুলিশকে জানানো হয়।

তারা ঘটনাস্থলে এসে রুনার ঝুলন্ত বড় মরদেহ উদ্ধার করেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. আল মামুন উল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর রুনার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর রুনার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

রুনার স্বামী শাওন জানান, তারা পরস্পর মামাতো-ফুফাতো ভাই-বোন। প্রেমের সম্পর্কে তারা বিয়ে করেছেন। পড়াশোনার সুবাদে রুনা আক্তার জিয়া সড়কের ওই বাসায় থাকতেন। তবে কি কারণে আত্মহত্যা করেছেন তা বলতে পারছেন না তিনি।