সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু অভাবের সংসারে অসমাপ্ত ঘর, রেহানার পাশে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন। বাবুগঞ্জে সালিশ বৈঠকে হামলার অভিযোগ, আহত একই পরিবারের ৩ কাঠালিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

সিলেট বেতার কেন্দ্রের এডির কক্ষে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, সাংবাদিক অপমানের শিকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩ ৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট : বাংলাদেশ বেতার সিলেট কেন্দ্রের কার্যালয়ে গীতিকার হওয়ার তালিকা ভুক্তির আবেদন দিতে গিয়ে অপমানের শিকার হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও সাপ্তাহিক বৈচিত্র্যময় সিলেট পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কবি নূর উদ্দিন রাসেল।
নূর উদ্দিন রাসেল গত ১২ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) বেলা ১টার সময় বাংলাদেশ বেতার সিলেট কেন্দ্রের মিরের ময়দান কার্যালয়ে যান। তার সাথে ছিলেন আরো দু’জন সঙ্গী। এ সময় সহকারী পরিচালক (এডি) প্রদীপ চন্দ্র দাশের কক্ষের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে কক্ষে প্রবেশের অনুমতি চান। তাকে অনুমতি না দিয়ে বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখেন। এরপর রাসেল প্রদীপ চন্দ্র দাশের কাছে সাপ্তাহিক বৈচিত্র্যময় সিলেট পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দেন। এর সুবাদে প্রদীপ বাবু তার কক্ষে যাওয়ার জন্য ইশারা দেন। এ সময় রাসেল তার কক্ষে প্রবেশ করেন। কক্ষে গিয়ে রাসেল দেখতে পান পূর্ব থেকে সেখানে সিলেটের প্রবীণ সংবাদিক তাপস দাশ পুরকায়স্থ সহ চয়ন নামক আরেক সাংবাদিক বসা আছেন। এডি প্রদীপ এই দু’ সাংবাদিককে দেখিয়ে রাসেলকে বলেন, ‘উনাদেরকে তুমি চিন কি-না?’ উত্তরে রাসেল জানান চিনেন। এসব কথাবার্তার পর এডি প্রদীপ দাপটের সাথে বলেন, তার এখানে ‘এ’ গ্রেডের সাংবাদিক ও ভিআইপিরা ঢুকতে পারেন। প্রদীপ অন্যদের বেলায় এমন পারমিশন দেন না।
সাংবাদিক ‘এ’ গ্রেড সম্পর্কে কথাবার্তা বলায় প্রদীপ উপস্থিত গ্রেড সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেননি। ঢাকার পিআইবি কিংবা তথ্য মন্ত্রণালয় সাংবাদিক সম্পর্কে ‘এ’গ্রেড ধারণা দিতে বা বলতে শুনা না গেলেও এডি প্রদীপের মুখে তা শোভা পেল।
রাসেল এডি প্রদীপের কাছে হেয় প্রতিপন্ন সহ অপমান ও দুর্ব্যবহারের শিকার হওয়ায়, রাসেল আরেকটি পরিচয় দেন প্রদীপকে। রাসেল বলেন তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। তখন এডি প্রদীপ বলেন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটানোর কোন পথ তার কাছে নেই। এমতাবস্থায় এডি প্রদীপের কক্ষ থেকে সেই সিনিয়র দু’সাংবাদিক ৩/৫ মিনিট অবস্থান করে চলে যান। কিন্তু দু’সিনিয়র সাংবাদিক সংবাদকর্মী রাসেলের বেলায় কোন প্রতিবাদ করেননি।
এডি প্রদীপ রাসেলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি শুধু মুক্তিযোদ্ধার সন্তানই শিখছেন, আর কিছু শিখতে পারছেন না। সেজন্য এরই প্রভাব তার এখানে পড়ার কোন কারণ তিনি দেখছেন না। প্রদীপের কক্ষ থেকে বের হয়ে আসার সময় প্রদীপ আরো বলেন যে, তাকে যেন অফিসে এসে আর বিরক্ত না করতে। ফলে এডি প্রদীপ তার অফিস থেকে বের হওয়ার জন্য রাসেলকে নির্দেশ করলে রাসেল নীরবে প্রদীপের অফিস ত্যাগ করে চলে আসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেট বেতার কেন্দ্রের এডির কক্ষে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, সাংবাদিক অপমানের শিকার

আপডেট সময় : ১০:২৯:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট : বাংলাদেশ বেতার সিলেট কেন্দ্রের কার্যালয়ে গীতিকার হওয়ার তালিকা ভুক্তির আবেদন দিতে গিয়ে অপমানের শিকার হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও সাপ্তাহিক বৈচিত্র্যময় সিলেট পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কবি নূর উদ্দিন রাসেল।
নূর উদ্দিন রাসেল গত ১২ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) বেলা ১টার সময় বাংলাদেশ বেতার সিলেট কেন্দ্রের মিরের ময়দান কার্যালয়ে যান। তার সাথে ছিলেন আরো দু’জন সঙ্গী। এ সময় সহকারী পরিচালক (এডি) প্রদীপ চন্দ্র দাশের কক্ষের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে কক্ষে প্রবেশের অনুমতি চান। তাকে অনুমতি না দিয়ে বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখেন। এরপর রাসেল প্রদীপ চন্দ্র দাশের কাছে সাপ্তাহিক বৈচিত্র্যময় সিলেট পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দেন। এর সুবাদে প্রদীপ বাবু তার কক্ষে যাওয়ার জন্য ইশারা দেন। এ সময় রাসেল তার কক্ষে প্রবেশ করেন। কক্ষে গিয়ে রাসেল দেখতে পান পূর্ব থেকে সেখানে সিলেটের প্রবীণ সংবাদিক তাপস দাশ পুরকায়স্থ সহ চয়ন নামক আরেক সাংবাদিক বসা আছেন। এডি প্রদীপ এই দু’ সাংবাদিককে দেখিয়ে রাসেলকে বলেন, ‘উনাদেরকে তুমি চিন কি-না?’ উত্তরে রাসেল জানান চিনেন। এসব কথাবার্তার পর এডি প্রদীপ দাপটের সাথে বলেন, তার এখানে ‘এ’ গ্রেডের সাংবাদিক ও ভিআইপিরা ঢুকতে পারেন। প্রদীপ অন্যদের বেলায় এমন পারমিশন দেন না।
সাংবাদিক ‘এ’ গ্রেড সম্পর্কে কথাবার্তা বলায় প্রদীপ উপস্থিত গ্রেড সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেননি। ঢাকার পিআইবি কিংবা তথ্য মন্ত্রণালয় সাংবাদিক সম্পর্কে ‘এ’গ্রেড ধারণা দিতে বা বলতে শুনা না গেলেও এডি প্রদীপের মুখে তা শোভা পেল।
রাসেল এডি প্রদীপের কাছে হেয় প্রতিপন্ন সহ অপমান ও দুর্ব্যবহারের শিকার হওয়ায়, রাসেল আরেকটি পরিচয় দেন প্রদীপকে। রাসেল বলেন তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। তখন এডি প্রদীপ বলেন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটানোর কোন পথ তার কাছে নেই। এমতাবস্থায় এডি প্রদীপের কক্ষ থেকে সেই সিনিয়র দু’সাংবাদিক ৩/৫ মিনিট অবস্থান করে চলে যান। কিন্তু দু’সিনিয়র সাংবাদিক সংবাদকর্মী রাসেলের বেলায় কোন প্রতিবাদ করেননি।
এডি প্রদীপ রাসেলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি শুধু মুক্তিযোদ্ধার সন্তানই শিখছেন, আর কিছু শিখতে পারছেন না। সেজন্য এরই প্রভাব তার এখানে পড়ার কোন কারণ তিনি দেখছেন না। প্রদীপের কক্ষ থেকে বের হয়ে আসার সময় প্রদীপ আরো বলেন যে, তাকে যেন অফিসে এসে আর বিরক্ত না করতে। ফলে এডি প্রদীপ তার অফিস থেকে বের হওয়ার জন্য রাসেলকে নির্দেশ করলে রাসেল নীরবে প্রদীপের অফিস ত্যাগ করে চলে আসেন।