ইউএনওর থাপ্পড়ে হাসপাতালে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান
- আপডেট সময় : ০৫:৩৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০২৩ ৯৮ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ওই উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে।
আজ বুধবার সকাল ১১টার দিকে খুলনা-মাওয়া মহাসড়কের কাঁঠালতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত মিজানুর রহমান ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। তবে চোখ ও কানে আঘাত লাগায় তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক। কিন্তু ইউএনও মনোয়ার হোসেন থাপ্পড় মারার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
মিজানুর রহমান ফকিরহাট উপজেলা পরিষদের দুইবারের ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্যও ছিলেন। কাঁঠালতলা এলাকায় থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, খুলনা-মাওয়া মহাসড়ক দিয়ে ইউএনওর গাড়িটি ফলতিতার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় গাড়িটি পেছনের দিকে এলে এর সঙ্গে পাশের রাস্তা থেকে উঠে আসা মিজানুর রহমানের মোটরসাইকেলের সামান্য ধাক্কা লাগে। এতে প্রথমে গাড়িচালক নিচে আসেন। পরে ইউএনও গাড়ি থেকে নামেন এবং মিজানুর রহমানকে থাপ্পড় মারেন। পরে তাঁকে ইউএনও গাড়ির পেছনে উঠিয়ে নিয়ে যান। প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রথমে গাড়ির চালক নেমে মিজানুর রহমানকে ধমকান। পরে ইউএনও নেমে থাপ্পড় মারেন।
মিজানুর রহমান বলেন, সকাল ১১টার দিকে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে তিনি গরুর ফার্মে যাচ্ছিলেন। কাঁঠালতলা মোড় এলাকায় পৌঁছলে দ্রুতগতিতে ইউএনওর গাড়িটি পেছনের দিকে আসে। তখন গাড়ির সঙ্গে তাঁর মোটরসাইকেলের সামান্য ধাক্কা লাগে। এতে ইউএনও ক্ষুব্ধ হয়ে থাপ্পড় মারেন। তিনি জোর করে গাড়ির পেছনে তুলে গালাগাল করেন এবং কয়েক কিলোমিটার গিয়ে নামিয়ে দেন।
ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক প্রত্যয় দাস বলেন, মিজানুর রহমান বেশ অসুস্থ। মুখ-কান ফোলা থাকায় তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
থাপ্পড় মারার অভিযোগ অস্বীকার করে ইউএনও মনোয়ার হোসেন বলেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলার জন্য গাড়িতে ওঠানো হয়েছিল। পরিচয় জানার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এটা একটা ভুল বোঝাবুঝি।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


























