সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে, টিআইবি এ কথা বলেনি: ইফতেখারুজ্জামান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৬৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে- ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টআইবি) কখনও এই কথা বলেনি বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের দুর্নীতির ধারণা সূচকের ফলাফল নিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় ইফতেখারুজ্জামান এ কথা বলেন।

ভিডিও বার্তায় নানা ক্ষেত্রে মন্ত্রীর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন ড. ইফতেখারুজ্জামান। ভিডিও বার্তায় বলা হয়, তারা লক্ষ করেছেন, সরকারের বিভিন্ন মহল ও একটি বিশেষ মহল থেকে টিআইর সূচক নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে। প্রতিক্রিয়ায় টিআইর সূচককে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলা হয়েছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সূচকের তথ্যকে মিলিয়ে ফেলা হয়েছে, যা অমূলক।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে বলে টিআইবি সংবাদ সম্মেলন করেছিল- এমন কথাও বলা হয়েছে। যার কোনো ভিত্তি নেই। এ ক্ষেত্রে টিআইবি বলেছে, পদ্মা সেতু প্রকল্প আর্থিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে বড় একটি প্রকল্প।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংক একটি অভিযোগ উত্থাপন করেছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতে ওই অভিযোগের সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য আন্তর্জাতিকভাবে এবং জাতীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য তদন্ত এবং জবাব দিতে চেয়েছে টিআইবি। যদি দুর্নীতি হয়ে থাকে তাহলে সেটার জবাব দিতে চাওয়া হয়েছিল। দুর্নীতি না হলে সেটা তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হবে।

ভিডিও বার্তায় আরও বলা হয়, টিআইবি একমাত্র সংস্থা, যখন বিশ্ব ব্যাংকের পক্ষ থেকে দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপিত হয় তখন বিশ্ব ব্যাংককে উদ্দেশ্য করেও বলা হয়েছিল, অভিযোগটি তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার আগেই কোন যুক্তিতে অর্থায়ন তুলে নেওয়া হলো? বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এর কোনো দৃষ্টান্ত নেই। কারণ, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বিভিন্ন দেশে প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ সবসময়ই উত্থাপিত হয়। বিশ্ব ব্যাংকের প্রকল্প বাস্তবায়নে এটা অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ অবস্থায় তাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ার আগেই কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়া অর্থায়ন তুলে নেওয়ার এমন দৃষ্টান্ত নেই।

ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, টিআই প্রতি বছরের জানুয়াতিতে বার্লিন থেকে একযোগে দুর্নীতির ধারণা সূচক প্রকাশ করে থাকে। বিশ্বের ১৮০টি দেশ এই সূচকের সঙ্গে যুক্ত। সবদেশে যে সময়ে, যেদিন প্রকাশিত হয়, বাংলাদেশেও একই সময়ে প্রকাশ করা হয়। এ ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২৫ জানুয়ারি দুর্নীতির ধারণা সূচক প্রকাশ করা হয়েছিল। এবার প্রকাশ করা হয়েছে ৩১ জানুয়ারি।

টিআইবির এই পরিচালক বলেন, টিআইর এই সূচক রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলার কোনো সুযোগ নেই। এটি একটি গবেষণা, যার উদ্দেশ্য বৈশ্বিকভাবে এবং বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত কার্যকর অবস্থান সৃষ্টি করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারের হাতকে শক্তিশালী করা, যাতে তারা দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে আরও সক্রিয় হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে, টিআইবি এ কথা বলেনি: ইফতেখারুজ্জামান

আপডেট সময় : ০৫:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে- ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টআইবি) কখনও এই কথা বলেনি বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের দুর্নীতির ধারণা সূচকের ফলাফল নিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় ইফতেখারুজ্জামান এ কথা বলেন।

ভিডিও বার্তায় নানা ক্ষেত্রে মন্ত্রীর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন ড. ইফতেখারুজ্জামান। ভিডিও বার্তায় বলা হয়, তারা লক্ষ করেছেন, সরকারের বিভিন্ন মহল ও একটি বিশেষ মহল থেকে টিআইর সূচক নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে। প্রতিক্রিয়ায় টিআইর সূচককে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলা হয়েছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সূচকের তথ্যকে মিলিয়ে ফেলা হয়েছে, যা অমূলক।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে বলে টিআইবি সংবাদ সম্মেলন করেছিল- এমন কথাও বলা হয়েছে। যার কোনো ভিত্তি নেই। এ ক্ষেত্রে টিআইবি বলেছে, পদ্মা সেতু প্রকল্প আর্থিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে বড় একটি প্রকল্প।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংক একটি অভিযোগ উত্থাপন করেছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতে ওই অভিযোগের সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য আন্তর্জাতিকভাবে এবং জাতীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য তদন্ত এবং জবাব দিতে চেয়েছে টিআইবি। যদি দুর্নীতি হয়ে থাকে তাহলে সেটার জবাব দিতে চাওয়া হয়েছিল। দুর্নীতি না হলে সেটা তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হবে।

ভিডিও বার্তায় আরও বলা হয়, টিআইবি একমাত্র সংস্থা, যখন বিশ্ব ব্যাংকের পক্ষ থেকে দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপিত হয় তখন বিশ্ব ব্যাংককে উদ্দেশ্য করেও বলা হয়েছিল, অভিযোগটি তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার আগেই কোন যুক্তিতে অর্থায়ন তুলে নেওয়া হলো? বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এর কোনো দৃষ্টান্ত নেই। কারণ, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বিভিন্ন দেশে প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ সবসময়ই উত্থাপিত হয়। বিশ্ব ব্যাংকের প্রকল্প বাস্তবায়নে এটা অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ অবস্থায় তাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ার আগেই কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়া অর্থায়ন তুলে নেওয়ার এমন দৃষ্টান্ত নেই।

ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, টিআই প্রতি বছরের জানুয়াতিতে বার্লিন থেকে একযোগে দুর্নীতির ধারণা সূচক প্রকাশ করে থাকে। বিশ্বের ১৮০টি দেশ এই সূচকের সঙ্গে যুক্ত। সবদেশে যে সময়ে, যেদিন প্রকাশিত হয়, বাংলাদেশেও একই সময়ে প্রকাশ করা হয়। এ ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২৫ জানুয়ারি দুর্নীতির ধারণা সূচক প্রকাশ করা হয়েছিল। এবার প্রকাশ করা হয়েছে ৩১ জানুয়ারি।

টিআইবির এই পরিচালক বলেন, টিআইর এই সূচক রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলার কোনো সুযোগ নেই। এটি একটি গবেষণা, যার উদ্দেশ্য বৈশ্বিকভাবে এবং বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত কার্যকর অবস্থান সৃষ্টি করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারের হাতকে শক্তিশালী করা, যাতে তারা দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে আরও সক্রিয় হতে পারে।