সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

সংস্কারের অভাবে নদী ভাঙ্গনে বিলীন হতে পারে বাকেরগঞ্জের পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৪:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২২ ৯০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ বশির উদ্দিন
বরিশাল (বাকেরগঞ্জ) সংবাদদাতা

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাকেরগঞ্জ পৌর সভাটি দু’দিক দিয়েই নদী ঘেরা। বর্ষা মৌসুম এলেই,নদী গুলোর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে আর এতে করেই ভাঙ্গনের মুখে পড়ে পৌর সভার ২-৩-৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড। পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায় পায়রা ও তুলাতলার নদিতে। পৌর এলাকার চরাঞ্চলের কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে প্রতিবছর। বিগত দিনের
সিডর,আয়লা,মহসিন,বুলবুল,আম্পান ও ইয়াসের মত বড়ো বড়ো
ঝড়-বন্যা-জলোচ্ছ্বাসের সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হয় মানুষকে। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্বল বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে পৌরসভার ২,৩,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাজারো মানুষ। ভেসে যায় মৎস্য ঘের, ফসলি জমি সহ ঘর বাড়ি।

খোদ পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র সদর রোড, বন্দর এলাকার শতাধিক পরিবার হারাতে বসেছেন মাথাগোঁজার শেষ ঠাই টুকু। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ মন্দির সহ কবরস্থান শ্মশানঘাট নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।
সদর রোডের বাসিন্দা মোঃ হানিফ মোল্লা জানান কিছুদিন পূর্বেও শহররক্ষা বাঁধের দুই শত ফুট দূরত্বে নদী ছিল অথচ কয়েক বছরের ব্যবধানে শহররক্ষা বাঁধ নদীর গর্ভে গিয়েও ২থেকে ৩ শত ফুট ভিতরে চলে এসেছে তুলা তলার নদী। শহররক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা না হলে পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র ২নং ওয়ার্ড নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।৩ নং ওয়ার্ড বাসিন্দা শামীম শিকদার জানান অচিরেই শহররক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা না হলে অস্তিত্বহীন হয়ে যাবে পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড।
তবে পৌর কর্তৃপক্ষ ব্যক্তিগত অর্থায়নে কয়েকটি ওয়ার্ডে বেড়িবাঁধ পুননির্মাণ করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই নগণ্য হওয়ায় পানির তোরে নিমিষেই বিলীন হয়ে যায়।
পৌর সভার ৫ নং ওয়ার্ড সাহেবগঞ্জ হতে ৬ নং ওয়ার্ড রুহিতারপাড় বেড়িবাঁধ প্রায় ১ কিলোমিটার নদী ভাঙ্গনে প্রতিবছর নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে শত শত একর জমি ও কয়েক শত পরিবারের ভিটেমাটি।

এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া সাংবাদিকদের জানান শহর রক্ষা বাঁধ ভাঙ্গনে বিষয়টি একাধিকবার পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করেছি, তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় বাকেরগঞ্জ পৌরসভা বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পৌরসভার ব্যক্তিগত অর্থায়নে শহর রক্ষা বাঁধ সংস্কারে করলেও প্রবল স্রোতে নদী ভাঙ্গনে নিমিষেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, শীঘ্রই আমরা ভেঙে যাওয়া শহর রক্ষা বাদ ও বেড়িবাঁধ সহ ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুল পরিদর্শন করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সংস্কারের অভাবে নদী ভাঙ্গনে বিলীন হতে পারে বাকেরগঞ্জের পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ড

আপডেট সময় : ০২:২৪:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২২

মোঃ বশির উদ্দিন
বরিশাল (বাকেরগঞ্জ) সংবাদদাতা

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাকেরগঞ্জ পৌর সভাটি দু’দিক দিয়েই নদী ঘেরা। বর্ষা মৌসুম এলেই,নদী গুলোর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে আর এতে করেই ভাঙ্গনের মুখে পড়ে পৌর সভার ২-৩-৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড। পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায় পায়রা ও তুলাতলার নদিতে। পৌর এলাকার চরাঞ্চলের কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে প্রতিবছর। বিগত দিনের
সিডর,আয়লা,মহসিন,বুলবুল,আম্পান ও ইয়াসের মত বড়ো বড়ো
ঝড়-বন্যা-জলোচ্ছ্বাসের সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হয় মানুষকে। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্বল বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে পৌরসভার ২,৩,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাজারো মানুষ। ভেসে যায় মৎস্য ঘের, ফসলি জমি সহ ঘর বাড়ি।

খোদ পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র সদর রোড, বন্দর এলাকার শতাধিক পরিবার হারাতে বসেছেন মাথাগোঁজার শেষ ঠাই টুকু। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ মন্দির সহ কবরস্থান শ্মশানঘাট নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।
সদর রোডের বাসিন্দা মোঃ হানিফ মোল্লা জানান কিছুদিন পূর্বেও শহররক্ষা বাঁধের দুই শত ফুট দূরত্বে নদী ছিল অথচ কয়েক বছরের ব্যবধানে শহররক্ষা বাঁধ নদীর গর্ভে গিয়েও ২থেকে ৩ শত ফুট ভিতরে চলে এসেছে তুলা তলার নদী। শহররক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা না হলে পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র ২নং ওয়ার্ড নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।৩ নং ওয়ার্ড বাসিন্দা শামীম শিকদার জানান অচিরেই শহররক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা না হলে অস্তিত্বহীন হয়ে যাবে পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড।
তবে পৌর কর্তৃপক্ষ ব্যক্তিগত অর্থায়নে কয়েকটি ওয়ার্ডে বেড়িবাঁধ পুননির্মাণ করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই নগণ্য হওয়ায় পানির তোরে নিমিষেই বিলীন হয়ে যায়।
পৌর সভার ৫ নং ওয়ার্ড সাহেবগঞ্জ হতে ৬ নং ওয়ার্ড রুহিতারপাড় বেড়িবাঁধ প্রায় ১ কিলোমিটার নদী ভাঙ্গনে প্রতিবছর নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে শত শত একর জমি ও কয়েক শত পরিবারের ভিটেমাটি।

এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া সাংবাদিকদের জানান শহর রক্ষা বাঁধ ভাঙ্গনে বিষয়টি একাধিকবার পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করেছি, তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় বাকেরগঞ্জ পৌরসভা বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পৌরসভার ব্যক্তিগত অর্থায়নে শহর রক্ষা বাঁধ সংস্কারে করলেও প্রবল স্রোতে নদী ভাঙ্গনে নিমিষেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, শীঘ্রই আমরা ভেঙে যাওয়া শহর রক্ষা বাদ ও বেড়িবাঁধ সহ ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুল পরিদর্শন করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।