সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

মাদারীপুরের কালকিনিতে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক বোমাবিস্ফোরণ; আহত অন্তত ১৫

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ ২১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ রাজু আহ‌ম্মেদ,মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আপাং কাজির গ্রুপ এবং কবির খা গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই উভয় পক্ষের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এসময় ব্যাপক গোলাগুলি সহ প্রায় শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ হয়। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ জুলাই মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মিরাজ হোসেনের পা বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে যায় আপং কাজীর লোকজন। পরে মিরাজের ভাই কবির খাঁ বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। এতে আপাং কাজীসহ ৩৫ জনের নামে ও অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়। মামলার আসামিদের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
পরে কালকিনি থানা পুলিশ মামলার আসামিদের গ্রেফতার করার জন্য ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ১৪ ডিসেম্বর পা কাটা মামলার বাদীর চাচা একই এলাকার তিতাই খানের ছেলে লিয়াকত খানের দুই পা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ভেঙে দেয় আসামিরা। স্থানীয় লোকজন আহত কৃষককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। উক্ত ঘটনার পর থেকেই উভয় পক্ষের লোকজনের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল। তারই জের ধরে শনিবার সকাল থেকে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আমপাং কাজি গ্রুপের শহিদুল কাজী, জাহাঙ্গীর বেপারী,সুমন তালুকদার,মিরাজুল কাজী সহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়।গোলাগুলি সহ বোমাবিস্ফোরন হওয়ায় পুরো এলাকায় থমথমে পরিবেশ তৈরি হওয়ায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে।

কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা.আনিকা তাছনিম জানান, আমাদের এখানে বোমা হামলায় আহত কয়েকজন রোগী এসেছে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়েছে।
মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাইলাউ মারমা জানান , পিছনের একটি ঘটনা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, আমরা অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি,তাছাড়া বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মাদারীপুরের কালকিনিতে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক বোমাবিস্ফোরণ; আহত অন্তত ১৫

আপডেট সময় : ০৮:২৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১

মোঃ রাজু আহ‌ম্মেদ,মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আপাং কাজির গ্রুপ এবং কবির খা গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই উভয় পক্ষের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এসময় ব্যাপক গোলাগুলি সহ প্রায় শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ হয়। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ জুলাই মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মিরাজ হোসেনের পা বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে যায় আপং কাজীর লোকজন। পরে মিরাজের ভাই কবির খাঁ বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। এতে আপাং কাজীসহ ৩৫ জনের নামে ও অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়। মামলার আসামিদের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
পরে কালকিনি থানা পুলিশ মামলার আসামিদের গ্রেফতার করার জন্য ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ১৪ ডিসেম্বর পা কাটা মামলার বাদীর চাচা একই এলাকার তিতাই খানের ছেলে লিয়াকত খানের দুই পা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ভেঙে দেয় আসামিরা। স্থানীয় লোকজন আহত কৃষককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। উক্ত ঘটনার পর থেকেই উভয় পক্ষের লোকজনের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল। তারই জের ধরে শনিবার সকাল থেকে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আমপাং কাজি গ্রুপের শহিদুল কাজী, জাহাঙ্গীর বেপারী,সুমন তালুকদার,মিরাজুল কাজী সহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়।গোলাগুলি সহ বোমাবিস্ফোরন হওয়ায় পুরো এলাকায় থমথমে পরিবেশ তৈরি হওয়ায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে।

কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা.আনিকা তাছনিম জানান, আমাদের এখানে বোমা হামলায় আহত কয়েকজন রোগী এসেছে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়েছে।
মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাইলাউ মারমা জানান , পিছনের একটি ঘটনা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, আমরা অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি,তাছাড়া বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।