সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

পবিত্র কোরআনে সাত দিন এবং বারের শুভ অশুভ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ ৮৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোহেল সানি

গত বুধবার। অসহনীয় যানজটের কবলে পড়ে ধানমন্ডী যাবার ইচ্ছাটাকে দমিয়ে রাখলাম। বিকেল তখন সাড়ে তিনটা। সিএনজি শান্তিনগর থেকে কাকরাইল হয়ে মৎসভবন, ততক্ষণে ঘড়ির কাটা ছুঁয়েছে পাঁচটায়। পথিমধ্যে কি আর করা, সিএনজিকে ন্যায্যটা বুঝিয়ে ফুটপাত দিয়ে হেঁটে কাকরাইল। রমনা থানা ঘেঁষা একটা পুরানো রেস্তোঁয়ায় ঢুকে পড়লাম। বয়কে করলাম চা’য়ের অর্ডার। কাপে মুখ বসাতেই কানে বেজে উঠলো দেশসেরা শিল্পী রুনা লায়লার একটি গান। বহুল প্রচারিত সেই গানটি হলো “বন্ধু তিন দিন তোর বাড়ি গেলাম, দেখা পাইলাম না- বুধবারে শুভ যাত্রা, বৃস্পতিবারে মানা, শুক্রবারে প্রেমপ্রীতি হয় না ষোলআনা, শনিবারে গিয়া তোর দেখা পাইলাম না, বন্ধু তিন দিন—–।” জনপ্রিয় গানটি আমারও মন ছুঁয়েছিলো। প্রেম-উচ্ছ্বাসে জোয়ারে প্লাবন বয়ে যাচ্ছিল কোমলমতিপ্রাণে। সুরের মূর্ছনা আমার মনের আকাশে প্রেমধ্বনি প্রতিধ্বনিত হয়ে অনুরণের সৃষ্টি করেছিলো। আমার জীবনে প্রেম এসেছিলো। প্রথম প্রেমের প্রস্তাবটির জন্য বুধবারকেই বেছে নিয়েছিলাম। কিন্তু প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যাত হলো। প্রথম অনুভূতিটা পরাস্ত হলো। কিন্তু দমে গেলাম না। ইচ্ছাটাকে জিইয়ে রাখলাম। এর মধ্যে দেড়বছর পার হলো। নিত্য পিছু ছুটতে গিয়ে ক্লান্তি নেই এতোটুকু। টগবগে তরুণ। মেয়েটির মুখোমুখি দাঁড়াতে গিয়ে একটা অপ্রীতিকর ঘটনারও জন্ম হলো। দেড়বছর পরে আসলো ইতিবাচক সাড়া। আমার অশান্ত অশান্ত মন শান্ত হলো। প্রেমিকা হাসিলের হাতিয়ারটা ছিলো একটি পত্র। রঙধনুআঁকা জলছাপিত প্যাড। প্রেমপত্র বলে কথা। বহুরঙের কালিতে লেখা পত্রটি কিন্তু মেয়েটির হাতে তুলে দেয়ার বারটি ছিলো বৃহস্পতি। সেদিন তারূণ্যপ্রদীপ্ত উচ্ছ্বল, উন্মাদনার তান্ডব অনুভূত হয়েছিলো দেহটাজুড়ে। সেকালে প্রেমে মাধ্যম অনস্বীকার্য ছিলো। মেয়েটির বান্ধবী ছিলো মাধ্যম। যাহোক পত্রের উত্তরের আশায় মরিয়া কিন্তু উত্তর মিলছিলো না। এলো সপ্তাহ ঘুরে বৃহস্পতিবার। ওদিনই উত্তর এলো। রাজধানীমুখী হওয়ার পর সেই দুটি মনের ভালোবাসা আর এগুলো না। তারপরও কি প্রথম প্রেম ভোলা যায়? কেউ কি ভুলতে পারে? যাদের মনে বিরহের স্মৃতিসৌধ গড়ে উঠেছে তাদের কাছে তো প্রথমপ্রেম অনেক বড় দুর্বলতার বিষয়। প্রেমহীন মানুষ হয়না। এডলফ হিটলারের মতো খলনায়ক তার দৃষ্টান্ত। হিটলার পৃথিবীর বহুদেশ দখলের অবিস্মরণীয় মুহূর্তগুলোতেও প্রেমিকাকে কাছে রেখেছিলেন। রাশিয়ার মস্কো দখল যখন পরাজয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ালো তখনো প্রেমিকা তার বুকে আগলে ছিলো। আত্মসমর্পণ করার মতো মানুষ ছিলেন না হিটলার। বরং পরাজয়ের গ্লানি হজম করতে না পেরে প্রিয়তমাকে বললেন এসো মৃত্যুমুখে পতিত হই। বিষপানে আত্মাহুতির ইতিহাস যেনো রূপকথারই গল্প। অবশ্য নাৎসী বাহিনী দিয়ে ষাট লাখ ইহুদী হত্যাকারী জার্মানের অধিশ্বর হিটলারের শত্রুর হাতে পরাজয় অপেক্ষা আত্মহত্যাই উত্তম- এ কথাটি মনে ধরিয়ে দিয়েছিলেন প্রেমিকা। সত্যিই তাদের সহমরণ হলো। হিটলারদম্পতির দৈহিক মৃত্যু হলেও বেঁচে আছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস স্রষ্টা হিসাবে, বেঁচে আছেন প্রেমিক হিসাবে প্রেমিকার সঙ্গে সহমরণ ঘটিয়ে। ফিরে যাচ্ছি মূল আলোচনায়।

“কুরআনে সাতদিন” দিন বা দিবস সম্পর্কে কোরআন কি বলেছে, আল্লাহ কি বলেন সেদিকে উদ্ধৃতিদানের আগে বলে নিচ্ছি আমার এই লেখা একান্ত যতটুকু জানি তার ওপরে নির্ভরতা রেখে। একেবারে পবিত্র হয়ে ধর্ম পালন করার লোক কম পাওয়া গেলেও ধর্মীয় উস্কানীতে শামিল হতে লোকের অভাব হয় না। ভারত বিভাগের আগে পরে হিন্দু মুসলিম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় হাজার হাজার প্রাণ সংহারই এর প্রমান। এটা দমাতে ভারত ভেঙ্গে পাকিস্তান হলেও মুসলমান অধ্যুষিত বাংলাদেশ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পবিত্র কোরআনে সাত দিন এবং বারের শুভ অশুভ

আপডেট সময় : ০৪:২৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১

সোহেল সানি

গত বুধবার। অসহনীয় যানজটের কবলে পড়ে ধানমন্ডী যাবার ইচ্ছাটাকে দমিয়ে রাখলাম। বিকেল তখন সাড়ে তিনটা। সিএনজি শান্তিনগর থেকে কাকরাইল হয়ে মৎসভবন, ততক্ষণে ঘড়ির কাটা ছুঁয়েছে পাঁচটায়। পথিমধ্যে কি আর করা, সিএনজিকে ন্যায্যটা বুঝিয়ে ফুটপাত দিয়ে হেঁটে কাকরাইল। রমনা থানা ঘেঁষা একটা পুরানো রেস্তোঁয়ায় ঢুকে পড়লাম। বয়কে করলাম চা’য়ের অর্ডার। কাপে মুখ বসাতেই কানে বেজে উঠলো দেশসেরা শিল্পী রুনা লায়লার একটি গান। বহুল প্রচারিত সেই গানটি হলো “বন্ধু তিন দিন তোর বাড়ি গেলাম, দেখা পাইলাম না- বুধবারে শুভ যাত্রা, বৃস্পতিবারে মানা, শুক্রবারে প্রেমপ্রীতি হয় না ষোলআনা, শনিবারে গিয়া তোর দেখা পাইলাম না, বন্ধু তিন দিন—–।” জনপ্রিয় গানটি আমারও মন ছুঁয়েছিলো। প্রেম-উচ্ছ্বাসে জোয়ারে প্লাবন বয়ে যাচ্ছিল কোমলমতিপ্রাণে। সুরের মূর্ছনা আমার মনের আকাশে প্রেমধ্বনি প্রতিধ্বনিত হয়ে অনুরণের সৃষ্টি করেছিলো। আমার জীবনে প্রেম এসেছিলো। প্রথম প্রেমের প্রস্তাবটির জন্য বুধবারকেই বেছে নিয়েছিলাম। কিন্তু প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যাত হলো। প্রথম অনুভূতিটা পরাস্ত হলো। কিন্তু দমে গেলাম না। ইচ্ছাটাকে জিইয়ে রাখলাম। এর মধ্যে দেড়বছর পার হলো। নিত্য পিছু ছুটতে গিয়ে ক্লান্তি নেই এতোটুকু। টগবগে তরুণ। মেয়েটির মুখোমুখি দাঁড়াতে গিয়ে একটা অপ্রীতিকর ঘটনারও জন্ম হলো। দেড়বছর পরে আসলো ইতিবাচক সাড়া। আমার অশান্ত অশান্ত মন শান্ত হলো। প্রেমিকা হাসিলের হাতিয়ারটা ছিলো একটি পত্র। রঙধনুআঁকা জলছাপিত প্যাড। প্রেমপত্র বলে কথা। বহুরঙের কালিতে লেখা পত্রটি কিন্তু মেয়েটির হাতে তুলে দেয়ার বারটি ছিলো বৃহস্পতি। সেদিন তারূণ্যপ্রদীপ্ত উচ্ছ্বল, উন্মাদনার তান্ডব অনুভূত হয়েছিলো দেহটাজুড়ে। সেকালে প্রেমে মাধ্যম অনস্বীকার্য ছিলো। মেয়েটির বান্ধবী ছিলো মাধ্যম। যাহোক পত্রের উত্তরের আশায় মরিয়া কিন্তু উত্তর মিলছিলো না। এলো সপ্তাহ ঘুরে বৃহস্পতিবার। ওদিনই উত্তর এলো। রাজধানীমুখী হওয়ার পর সেই দুটি মনের ভালোবাসা আর এগুলো না। তারপরও কি প্রথম প্রেম ভোলা যায়? কেউ কি ভুলতে পারে? যাদের মনে বিরহের স্মৃতিসৌধ গড়ে উঠেছে তাদের কাছে তো প্রথমপ্রেম অনেক বড় দুর্বলতার বিষয়। প্রেমহীন মানুষ হয়না। এডলফ হিটলারের মতো খলনায়ক তার দৃষ্টান্ত। হিটলার পৃথিবীর বহুদেশ দখলের অবিস্মরণীয় মুহূর্তগুলোতেও প্রেমিকাকে কাছে রেখেছিলেন। রাশিয়ার মস্কো দখল যখন পরাজয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ালো তখনো প্রেমিকা তার বুকে আগলে ছিলো। আত্মসমর্পণ করার মতো মানুষ ছিলেন না হিটলার। বরং পরাজয়ের গ্লানি হজম করতে না পেরে প্রিয়তমাকে বললেন এসো মৃত্যুমুখে পতিত হই। বিষপানে আত্মাহুতির ইতিহাস যেনো রূপকথারই গল্প। অবশ্য নাৎসী বাহিনী দিয়ে ষাট লাখ ইহুদী হত্যাকারী জার্মানের অধিশ্বর হিটলারের শত্রুর হাতে পরাজয় অপেক্ষা আত্মহত্যাই উত্তম- এ কথাটি মনে ধরিয়ে দিয়েছিলেন প্রেমিকা। সত্যিই তাদের সহমরণ হলো। হিটলারদম্পতির দৈহিক মৃত্যু হলেও বেঁচে আছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস স্রষ্টা হিসাবে, বেঁচে আছেন প্রেমিক হিসাবে প্রেমিকার সঙ্গে সহমরণ ঘটিয়ে। ফিরে যাচ্ছি মূল আলোচনায়।

“কুরআনে সাতদিন” দিন বা দিবস সম্পর্কে কোরআন কি বলেছে, আল্লাহ কি বলেন সেদিকে উদ্ধৃতিদানের আগে বলে নিচ্ছি আমার এই লেখা একান্ত যতটুকু জানি তার ওপরে নির্ভরতা রেখে। একেবারে পবিত্র হয়ে ধর্ম পালন করার লোক কম পাওয়া গেলেও ধর্মীয় উস্কানীতে শামিল হতে লোকের অভাব হয় না। ভারত বিভাগের আগে পরে হিন্দু মুসলিম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় হাজার হাজার প্রাণ সংহারই এর প্রমান। এটা দমাতে ভারত ভেঙ্গে পাকিস্তান হলেও মুসলমান অধ্যুষিত বাংলাদেশ