সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

ডা. মুরাদকে নিয়ে অশালীন মন্তব্যে ক্ষমা চাইলেন ইশরাক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২১ ১০১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

সম্প্রতি রাজধানীতে দলীয় জনসভায় সদ্য সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে নিয়ে ‘অশ্লীল’ মন্তব্য করার অভিযোগে ক্ষমা চেয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন।

গতকাল রবিবার রাতে এক ভিডিও বার্তায় ক্ষমা চান অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র সাদেক হোসেন খোকার বড় ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

ভিডিও বার্তায় ইশরাক বলেন, কয়েকদিন আগে আমাদের দলীয় একটি সভা হচ্ছিল ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে। সেখানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আমি একপর্যায়ে আমার আবেগকে ধরে রাখতে পারিনি।

সেখানে আমি রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত অশালীন কিছু শব্দ ব্যবহার করেছি, সদ্য বহিষ্কৃত একজন প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। যারা আমার বক্তব্যগুলো নিয়মিত দেখেন আমাকে পছন্দ করেন, অনেক মুরব্বিরা রয়েছেন, নতুন প্রজন্মের অনেক ভাই-বোনেরা রয়েছেন। আমি সবার কাছে মূলত ক্ষমা প্রার্থী যে, আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি আগামীতে চেষ্টা করবো এ ধরনের ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

ইশরাক বলেন, আমি নিজেও খুব লজ্জিত ছিলাম, মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আমার পিতৃতুল্য ও অভিভাবক বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আরও সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ছিলেন, তাদের মধ্যে ডাকসুর সাবেক ভিপি ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালামসহ দর্শক সারিতেও অনেক মুরব্বিরা ছিলেন।

ইশরাক বলেন, আমি এটা কোনো অজুহাত হিসেবে বলতে চাচ্ছি না। জাস্ট প্রেক্ষাপটটা বলতে চাচ্ছি।

আমি ওই অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে সেই ব্যক্তির (ডা. মুরাদ হাসান) একটা ভিডিও আমি শুনছিলাম, সেখানে আমাদের কারাবন্দি নেত্রী খালেদা জিয়া, আমরা একটি স্পর্শকাতর অবস্থায় বিএনপির নেতাকর্মীরা রয়েছি। সেই মুহূর্তে এ কথাগুলো আমাদেরকে খুবই আঘাত হানে এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি। এটি কোনোভাবে কাম্য নয়। আমরা নতুন প্রজন্ম যারা রাজনীতিতে আসছি, আমরা এটি বারবার বলে আসছি যে রাজনৈতিক শিষ্টাচার পুনঃপ্রতিষ্ঠা হওয়া উচিত। একে অপরের প্রতি সহনশীল এবং শ্রদ্ধা নিয়ে কথা বলা উচিত।

তিনি বলেন, ওই দিন আমার বক্তব্য শেষ করার পর আমি নিজেই বিব্রতবোধ করছিলাম, যে এতগুলো মুরব্বি এবং টিভি ক্যামেরার সামনে আমি এই শব্দ ব্যবহার করেছি। তখন আমি অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করি। আমি বাসায় ফেরার পরে আমার মা আমাকে বলেন, এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর ভুল হয়েছে আমার দ্বারা। আমরা ভাইবোনরা যখন বড় হয়েছি, তখন আমার মা আমাদের সেই শিক্ষাই দিয়েছেন কখনও অশালীন শব্দ না ব্যবহার করার জন্য পরিস্থিতি যাই হোক। পরবর্তীতে আমি আমাদের দলীয় মহাসচিবসহ অন্য নেতাদের সাথে সরাসরি দেখা করে তাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছি এবং আজকে এই ভিডিওর মাধ্যমে দর্শকশ্রোতা যারা রয়েছেন, বিশেষ করে যাদের আমার প্রতি একটা প্রত্যাশা রয়েছে যে একটি সুস্থ ধারার রাজনীতি হয়তোবা আমরা সূচনা করতে পারি। তাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি, আপনারা আমাকে এই একটি ভুলের জন্য ক্ষমা করে দেবেন এবং এটিকে দিয়ে আমার সার্বিক কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন না করার জন্য আমি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। আগামী আপনাদের আশা ভঙ্গ হবে না সে ধরনের কাজই আমি করে যাবো ইনশাল্লাহ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ডা. মুরাদকে নিয়ে অশালীন মন্তব্যে ক্ষমা চাইলেন ইশরাক

আপডেট সময় : ১০:১৫:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

সম্প্রতি রাজধানীতে দলীয় জনসভায় সদ্য সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে নিয়ে ‘অশ্লীল’ মন্তব্য করার অভিযোগে ক্ষমা চেয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন।

গতকাল রবিবার রাতে এক ভিডিও বার্তায় ক্ষমা চান অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র সাদেক হোসেন খোকার বড় ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

ভিডিও বার্তায় ইশরাক বলেন, কয়েকদিন আগে আমাদের দলীয় একটি সভা হচ্ছিল ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে। সেখানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আমি একপর্যায়ে আমার আবেগকে ধরে রাখতে পারিনি।

সেখানে আমি রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত অশালীন কিছু শব্দ ব্যবহার করেছি, সদ্য বহিষ্কৃত একজন প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। যারা আমার বক্তব্যগুলো নিয়মিত দেখেন আমাকে পছন্দ করেন, অনেক মুরব্বিরা রয়েছেন, নতুন প্রজন্মের অনেক ভাই-বোনেরা রয়েছেন। আমি সবার কাছে মূলত ক্ষমা প্রার্থী যে, আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি আগামীতে চেষ্টা করবো এ ধরনের ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

ইশরাক বলেন, আমি নিজেও খুব লজ্জিত ছিলাম, মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আমার পিতৃতুল্য ও অভিভাবক বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আরও সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ছিলেন, তাদের মধ্যে ডাকসুর সাবেক ভিপি ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালামসহ দর্শক সারিতেও অনেক মুরব্বিরা ছিলেন।

ইশরাক বলেন, আমি এটা কোনো অজুহাত হিসেবে বলতে চাচ্ছি না। জাস্ট প্রেক্ষাপটটা বলতে চাচ্ছি।

আমি ওই অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে সেই ব্যক্তির (ডা. মুরাদ হাসান) একটা ভিডিও আমি শুনছিলাম, সেখানে আমাদের কারাবন্দি নেত্রী খালেদা জিয়া, আমরা একটি স্পর্শকাতর অবস্থায় বিএনপির নেতাকর্মীরা রয়েছি। সেই মুহূর্তে এ কথাগুলো আমাদেরকে খুবই আঘাত হানে এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি। এটি কোনোভাবে কাম্য নয়। আমরা নতুন প্রজন্ম যারা রাজনীতিতে আসছি, আমরা এটি বারবার বলে আসছি যে রাজনৈতিক শিষ্টাচার পুনঃপ্রতিষ্ঠা হওয়া উচিত। একে অপরের প্রতি সহনশীল এবং শ্রদ্ধা নিয়ে কথা বলা উচিত।

তিনি বলেন, ওই দিন আমার বক্তব্য শেষ করার পর আমি নিজেই বিব্রতবোধ করছিলাম, যে এতগুলো মুরব্বি এবং টিভি ক্যামেরার সামনে আমি এই শব্দ ব্যবহার করেছি। তখন আমি অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করি। আমি বাসায় ফেরার পরে আমার মা আমাকে বলেন, এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর ভুল হয়েছে আমার দ্বারা। আমরা ভাইবোনরা যখন বড় হয়েছি, তখন আমার মা আমাদের সেই শিক্ষাই দিয়েছেন কখনও অশালীন শব্দ না ব্যবহার করার জন্য পরিস্থিতি যাই হোক। পরবর্তীতে আমি আমাদের দলীয় মহাসচিবসহ অন্য নেতাদের সাথে সরাসরি দেখা করে তাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছি এবং আজকে এই ভিডিওর মাধ্যমে দর্শকশ্রোতা যারা রয়েছেন, বিশেষ করে যাদের আমার প্রতি একটা প্রত্যাশা রয়েছে যে একটি সুস্থ ধারার রাজনীতি হয়তোবা আমরা সূচনা করতে পারি। তাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি, আপনারা আমাকে এই একটি ভুলের জন্য ক্ষমা করে দেবেন এবং এটিকে দিয়ে আমার সার্বিক কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন না করার জন্য আমি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। আগামী আপনাদের আশা ভঙ্গ হবে না সে ধরনের কাজই আমি করে যাবো ইনশাল্লাহ।