সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

স্ত্রীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ, বিয়ের সাত দিনের মাথায় স্বামীর আত্মহত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১ ১১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
শ্বশুরবাড়ির অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে নববধূর আত্মহত্যার ঘটনা প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু স্ত্রী ও শ্যালকের হয়রানি সহ্য করতে না পেরে বিয়ের সাত দিনের মাথায় এক স্বামী আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (২০ নভেম্বর) এই ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুজাফফরনগরে। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী ও শ্যালকের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশের বাবরি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ভুক্তভোগী ওই স্বামীর নাম প্রয়াস। মাত্র ২৩ বছর বয়সী এই যুবক উত্তরপ্রদেশের শামলি জেলার চুসনা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। গত ১৪ নভেম্বর কোমল নামে এক নারীর সঙ্গে বিয়ে হয় তার।

বিয়ের পর থেকেই প্রতিদিনই অশান্তি লেগেছিল নতুন দাম্পত্য শুরু করা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে। এরপর গত শুক্রবার বিষপান করে আত্মহত্যা করেন প্রয়াস। কাকতালীয় ভাবে দিনটি ছিল আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস।

নিহত প্রয়াসের পরিবারের অভিযোগ, স্ত্রী কোমল ও শ্যালক নিতিন কুমারের অত্যাচারের কারণে বিষপান করেন প্রয়াস। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

মৃত যুবকের বোন সীমার অভিযোগ, মাত্র এক সপ্তাহ আগে বিয়ে হয়েছিল প্রয়াসের। তারপর থেকেই বউদি ও তার ভাই মিলে আমার দাদাকে উত্যক্ত করত। সবসময় অশান্তি করত। আমার দাদা আর সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে। প্রয়াসের মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।

অবশ্য নবদম্পতির মধ্যে ঠিক কী নিয়ে বিবাদ হতো, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতোমধ্যে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে মৃত প্রয়াসের বোন। এরপরই থেকেই অভিযুক্ত দু’জনই পলাতক রয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্ত্রীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ, বিয়ের সাত দিনের মাথায় স্বামীর আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০২:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
শ্বশুরবাড়ির অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে নববধূর আত্মহত্যার ঘটনা প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু স্ত্রী ও শ্যালকের হয়রানি সহ্য করতে না পেরে বিয়ের সাত দিনের মাথায় এক স্বামী আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (২০ নভেম্বর) এই ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুজাফফরনগরে। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী ও শ্যালকের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশের বাবরি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ভুক্তভোগী ওই স্বামীর নাম প্রয়াস। মাত্র ২৩ বছর বয়সী এই যুবক উত্তরপ্রদেশের শামলি জেলার চুসনা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। গত ১৪ নভেম্বর কোমল নামে এক নারীর সঙ্গে বিয়ে হয় তার।

বিয়ের পর থেকেই প্রতিদিনই অশান্তি লেগেছিল নতুন দাম্পত্য শুরু করা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে। এরপর গত শুক্রবার বিষপান করে আত্মহত্যা করেন প্রয়াস। কাকতালীয় ভাবে দিনটি ছিল আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস।

নিহত প্রয়াসের পরিবারের অভিযোগ, স্ত্রী কোমল ও শ্যালক নিতিন কুমারের অত্যাচারের কারণে বিষপান করেন প্রয়াস। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

মৃত যুবকের বোন সীমার অভিযোগ, মাত্র এক সপ্তাহ আগে বিয়ে হয়েছিল প্রয়াসের। তারপর থেকেই বউদি ও তার ভাই মিলে আমার দাদাকে উত্যক্ত করত। সবসময় অশান্তি করত। আমার দাদা আর সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে। প্রয়াসের মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।

অবশ্য নবদম্পতির মধ্যে ঠিক কী নিয়ে বিবাদ হতো, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতোমধ্যে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে মৃত প্রয়াসের বোন। এরপরই থেকেই অভিযুক্ত দু’জনই পলাতক রয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।