সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ প্রেমিকের যাবজ্জীবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৮:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ নভেম্বর ২০২১ ৮৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের পলাশ হোসেনকে হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ প্রেমিকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একইসঙ্গে তাদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নূর ইসলাম এই রায় দেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-নওগাঁর বদলগাছীর শমাপুর গ্রামের শফিউর রহমানের মেয়ে ছনি খাতুন (২৯) ও তার পরকীয়া প্রেমিক পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাবলু মণ্ডলের ছেলে রনি হোসেন (২৬)।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১১ মার্চ সকালে পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে পলাশ হোসেনের মরদেহ গলায় ফাঁস দেওয়ায় অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় স্ত্রী সনি খাতুন ও তার প্রেমিক রনি হোসেনকে আসামি করা হয়।

মামলার তদন্ত চলাকালে আসামি সনি খাতুন স্বেচ্ছায় আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

তিনি উল্লেখ করেন, উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের একটি খামার বাড়িতে চাকরির সুবাদে রনি হোসেনের সঙ্গে পরিচয় হয় সনি খাতুনের। পরে তারা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। তার স্বামী পলাশ হোসেন তাকে ও তার প্রেমিক রনি হোসেনকে নিয়ে সন্দেহ করতেন। সেই জন্য তারা দুজনেই নিজ ঘরে খাবারের সাথে ঘুমের ট্যাবলেট খাওয়ান।

এরপর স্বামী ঘুমিয়ে পড়লে সে ও তার পরকিয়ার প্রেমিক শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ প্রেমিকের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ১১:৩৮:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ নভেম্বর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের পলাশ হোসেনকে হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ প্রেমিকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একইসঙ্গে তাদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নূর ইসলাম এই রায় দেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-নওগাঁর বদলগাছীর শমাপুর গ্রামের শফিউর রহমানের মেয়ে ছনি খাতুন (২৯) ও তার পরকীয়া প্রেমিক পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাবলু মণ্ডলের ছেলে রনি হোসেন (২৬)।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১১ মার্চ সকালে পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে পলাশ হোসেনের মরদেহ গলায় ফাঁস দেওয়ায় অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় স্ত্রী সনি খাতুন ও তার প্রেমিক রনি হোসেনকে আসামি করা হয়।

মামলার তদন্ত চলাকালে আসামি সনি খাতুন স্বেচ্ছায় আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

তিনি উল্লেখ করেন, উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের একটি খামার বাড়িতে চাকরির সুবাদে রনি হোসেনের সঙ্গে পরিচয় হয় সনি খাতুনের। পরে তারা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। তার স্বামী পলাশ হোসেন তাকে ও তার প্রেমিক রনি হোসেনকে নিয়ে সন্দেহ করতেন। সেই জন্য তারা দুজনেই নিজ ঘরে খাবারের সাথে ঘুমের ট্যাবলেট খাওয়ান।

এরপর স্বামী ঘুমিয়ে পড়লে সে ও তার পরকিয়ার প্রেমিক শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল।