সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

চোখের আলো ফিরে পেয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ নভেম্বর ২০২১ ৭২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স ‍॥ বরিশাল জেলা পুলিশ সুপারের মানবিক সহায়তা নিয়ে উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে চোখের আলো ফিরে পেয়েছেন রণাঙ্গণের বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম ইউসুফ আলী। ফলে বাকি জীবন তিনি পৃথিবীর আলো দেখতে পাবেন।

চিকিৎসার মাধ্যমে দৃষ্টি ফিরে পেয়ে কৃতজ্ঞতার চোখ নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ছুটে আসেন মানবিক জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম-এর কাছে। নিজের চোখে তাকে দেখতে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে যান মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ। গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন পুলিশ সুপারের মানবিকতার জন্য। এসময় রেঞ্জ ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদিপ্ত সরকার উপস্থিত ছিলেন।

সূত্রমতে, ১৯৭১ সালের রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আলী বরগুনার বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। প্রায় দুই বছর ধরে তিনি চোখের সমস্যায় ভুগছিলেন। একপর্যায়ে তার চোখের আলো নিভে যায়। আর্থিক দৈনত্যায় তার উন্নত চিকিৎসা করানোর মতো পরিস্থিতি ছিলোনা।

সূত্রে আরও জানা গেছে, মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম বরগুনার পুলিশ সুপার থাকাককালীন সময়ে তার কাছে সহযোগিতা চায় চোখের আলো নিভে যাওয়া মুক্তিযোদ্ধা। পুলিশ সুপার দেশের এ বীর সেনানীর উন্নত চিকিৎসার সকল দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরইমধ্যে মারুফ হোসেন বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি হয়ে আসলেও মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আলীর অপারেশনের দায়িত্ব নেওয়ার কথা তিনি ভুলেননি।

ফলশ্রুতিতে অতিসস্প্রতি তার (মুক্তিযোদ্ধার) চোখের অস্ত্রপাচার সম্পন্ন করা হয়। এর যাবতীয় ব্যয় বহন করেছেন পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন। এতে আবারো চোখের আলোয় পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখতে পাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আলী।

ইউসুফ আলীর সাথে বরিশালে আসা তার ছেলে সাইফুল ইসলাম বলেন, বাবার উন্নত চিকিৎসা থেকে শুরু করে পরবর্তী সকল ব্যয়ভার ও নগদ অর্থ প্রদান করেছেন এই পুলিশ সুপার। ফলে আমার বাবা আবারো পৃথিবীর আলো দেখতে পারছেন।

বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসার অভাবে চোখ হারাবেন এটা মেনে নেয়া যায়না। তাই দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা ও মুল্যবোধ থেকেই মুক্তিযোদ্ধার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন একাধিক মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ অসহায় ব্যক্তির অস্ত্রপাচারজনিত চিকিৎসার দায়িত্ব পালন করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চোখের আলো ফিরে পেয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ নভেম্বর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স ‍॥ বরিশাল জেলা পুলিশ সুপারের মানবিক সহায়তা নিয়ে উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে চোখের আলো ফিরে পেয়েছেন রণাঙ্গণের বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম ইউসুফ আলী। ফলে বাকি জীবন তিনি পৃথিবীর আলো দেখতে পাবেন।

চিকিৎসার মাধ্যমে দৃষ্টি ফিরে পেয়ে কৃতজ্ঞতার চোখ নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ছুটে আসেন মানবিক জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম-এর কাছে। নিজের চোখে তাকে দেখতে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে যান মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ। গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন পুলিশ সুপারের মানবিকতার জন্য। এসময় রেঞ্জ ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদিপ্ত সরকার উপস্থিত ছিলেন।

সূত্রমতে, ১৯৭১ সালের রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আলী বরগুনার বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। প্রায় দুই বছর ধরে তিনি চোখের সমস্যায় ভুগছিলেন। একপর্যায়ে তার চোখের আলো নিভে যায়। আর্থিক দৈনত্যায় তার উন্নত চিকিৎসা করানোর মতো পরিস্থিতি ছিলোনা।

সূত্রে আরও জানা গেছে, মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম বরগুনার পুলিশ সুপার থাকাককালীন সময়ে তার কাছে সহযোগিতা চায় চোখের আলো নিভে যাওয়া মুক্তিযোদ্ধা। পুলিশ সুপার দেশের এ বীর সেনানীর উন্নত চিকিৎসার সকল দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরইমধ্যে মারুফ হোসেন বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি হয়ে আসলেও মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আলীর অপারেশনের দায়িত্ব নেওয়ার কথা তিনি ভুলেননি।

ফলশ্রুতিতে অতিসস্প্রতি তার (মুক্তিযোদ্ধার) চোখের অস্ত্রপাচার সম্পন্ন করা হয়। এর যাবতীয় ব্যয় বহন করেছেন পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন। এতে আবারো চোখের আলোয় পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখতে পাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আলী।

ইউসুফ আলীর সাথে বরিশালে আসা তার ছেলে সাইফুল ইসলাম বলেন, বাবার উন্নত চিকিৎসা থেকে শুরু করে পরবর্তী সকল ব্যয়ভার ও নগদ অর্থ প্রদান করেছেন এই পুলিশ সুপার। ফলে আমার বাবা আবারো পৃথিবীর আলো দেখতে পারছেন।

বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসার অভাবে চোখ হারাবেন এটা মেনে নেয়া যায়না। তাই দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা ও মুল্যবোধ থেকেই মুক্তিযোদ্ধার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন একাধিক মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ অসহায় ব্যক্তির অস্ত্রপাচারজনিত চিকিৎসার দায়িত্ব পালন করেছেন।