সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক আলমডাঙ্গার স্বপন ফেসবুকে রাজনৈতিক পোস্ট দেয়ায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাবুগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু। প্রবাসীর ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে, বাড়ি থেকেও উচ্ছেদের হুমকি ডিসেম্বরে আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি বিদায় বাংলাদেশ আসিফ মাহমুদ

বরিশাল বিমানবন্দরে মনোনয়ন পাওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানাতে এসে দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মার্চ ২০২১ ১১৬৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ ( বরিশাল)প্রতিনিধি।।
বরিশাল বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচছা জানানোকে কেন্দ্র করে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর সময়র্থকদের দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার বিকাল ৫ টায় বরিশাল বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ঢাকা থেকে বিমান যোগে বরিশাল বিমানবন্দরে আসেন বাবুগঞ্জ উপজেলার ২ নং কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান নূরে আলম বেপারী। তাকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আওয়ামী লীগ সমর্থিত নেতাকর্মীরা ফুলেল প্রতীক নৌকা নিয়ে জড়ো হন বরিশাল বিমান বন্দরে। নূরে আলম বেপারী বিমান বন্দর থেকে বাহিরে বের হলে নেতাকর্মীরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে গেলে নূরে আলম সমর্থক লাভলু মেম্বার ও তার লোকজন ফুলেল প্রতিকী নৌকা নিয়ে আসা আওয়ামী লীগ নেতা জসীমউদ্দিন কে দিতে বাঁধা প্রধান করেন এবং ফুলেল প্রতীকী নৌকা ভেঙ্গে ফেলেন। এ নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
আওয়ামী লীগ নেতা জসীমউদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় তাকে ( নূরে আলম বেপারী) শুভেচ্ছা জানানোর জন্য বিমানবন্দরে আমি ফুলেল প্রতীকী নৌকা নিয়ে এসেছি। কিন্তু তার সাথে থাকা লাভলু মেম্বার ও তার লোকজন আমাকে বাঁধা প্রধান করে এবং আমার প্রতিকি নৌকা ভেঙ্গে ফেলে। আমি এর সুষ্ঠু বিচারের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কাজী ইমদাদুল হক দুলাল এর কাছে জানিয়েছি ৷ অপর দিকে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ক্যামেরায় ধারণ করার জন্য উজিরপুর উপজেলার এক সাংবাদিকের উপর চড়াও হন চেয়ারম্যানের সাঙ্গপাঙ্গরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশাল বিমানবন্দরে মনোনয়ন পাওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানাতে এসে দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মার্চ ২০২১

বাবুগঞ্জ ( বরিশাল)প্রতিনিধি।।
বরিশাল বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচছা জানানোকে কেন্দ্র করে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর সময়র্থকদের দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার বিকাল ৫ টায় বরিশাল বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ঢাকা থেকে বিমান যোগে বরিশাল বিমানবন্দরে আসেন বাবুগঞ্জ উপজেলার ২ নং কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান নূরে আলম বেপারী। তাকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আওয়ামী লীগ সমর্থিত নেতাকর্মীরা ফুলেল প্রতীক নৌকা নিয়ে জড়ো হন বরিশাল বিমান বন্দরে। নূরে আলম বেপারী বিমান বন্দর থেকে বাহিরে বের হলে নেতাকর্মীরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে গেলে নূরে আলম সমর্থক লাভলু মেম্বার ও তার লোকজন ফুলেল প্রতিকী নৌকা নিয়ে আসা আওয়ামী লীগ নেতা জসীমউদ্দিন কে দিতে বাঁধা প্রধান করেন এবং ফুলেল প্রতীকী নৌকা ভেঙ্গে ফেলেন। এ নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
আওয়ামী লীগ নেতা জসীমউদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় তাকে ( নূরে আলম বেপারী) শুভেচ্ছা জানানোর জন্য বিমানবন্দরে আমি ফুলেল প্রতীকী নৌকা নিয়ে এসেছি। কিন্তু তার সাথে থাকা লাভলু মেম্বার ও তার লোকজন আমাকে বাঁধা প্রধান করে এবং আমার প্রতিকি নৌকা ভেঙ্গে ফেলে। আমি এর সুষ্ঠু বিচারের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কাজী ইমদাদুল হক দুলাল এর কাছে জানিয়েছি ৷ অপর দিকে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ক্যামেরায় ধারণ করার জন্য উজিরপুর উপজেলার এক সাংবাদিকের উপর চড়াও হন চেয়ারম্যানের সাঙ্গপাঙ্গরা।