সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু অভাবের সংসারে অসমাপ্ত ঘর, রেহানার পাশে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন। বাবুগঞ্জে সালিশ বৈঠকে হামলার অভিযোগ, আহত একই পরিবারের ৩ কাঠালিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

টিকটক করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার কিশোরী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২০ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
টিকটকে কাজ করার আশা দিয়ে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার এক কিশোরীকে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেফতার করেছে বলে সময়নিউজকে নিশ্চিত করেছেন টঙ্গী পূর্ব থানার তদন্ত (ওসি) দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী। ওই কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান ওসি দেলোয়ার।

গ্রেফতারকৃতরা হলো ঢাকার গেন্ডারিয়ার শরৎচন্দ্র রোড এলাকার বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল ব্যাপারীর ছেলে মো. শিশির ব্যাপারী (১৭) এবং ঢাকার গেন্ডারিয়ার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনের ছেলে জুনায়েদ ইসলাম ফাহিম (১৭)।
পুলিশ ও স্বজনরা জানান, ভুক্তভোগী স্থানীয় টঙ্গীর দত্তপাড়া এলাকার একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। সে টিকটক ভিডিও বানাত। দেশের বিভিন্ন জেলায় টিকটক তৈরি করে এমন কিছু কিশোরের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় ওই ছাত্রীর। গত ২৩ ডিসেম্বর বিকেলে টঙ্গীর দত্তপাড়া এলাকা থেকে ফেসবুকের সেলিব্রেটি পরিচয় দিয়ে টিকটকে কাজ করার জন্য ওই কিশোররা ভুক্তভোগীকে ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকায় নিয়ে যায়।

পরে একটি বাসায় তাকে কয়েকজন মিলে গণধর্ষণ করে। মেয়ের (ভুক্তভোগী) কোনো সন্ধান না পেয়ে পরদিন তার মা টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি জিডি করেন। জিডির পর পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। পরে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকার হাতিরঝিল মধুবাগ এলাকা থেকে পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে। এ সময় ঢাকার গেন্ডারিয়া, নারিন্দার শরৎচন্দ্র রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই দুই কিশোরকে আটক করা হয়। পরে জিডিটি শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) মামলা আকারে নেওয়া হয় এবং আটকদের গ্রেফতার দেখানো হয়। তাদের নিয়ে শনিবার আরও তিন সহযোগীকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

টিকটক করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার কিশোরী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৭:৫০:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেক্স
টিকটকে কাজ করার আশা দিয়ে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার এক কিশোরীকে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেফতার করেছে বলে সময়নিউজকে নিশ্চিত করেছেন টঙ্গী পূর্ব থানার তদন্ত (ওসি) দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী। ওই কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান ওসি দেলোয়ার।

গ্রেফতারকৃতরা হলো ঢাকার গেন্ডারিয়ার শরৎচন্দ্র রোড এলাকার বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল ব্যাপারীর ছেলে মো. শিশির ব্যাপারী (১৭) এবং ঢাকার গেন্ডারিয়ার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনের ছেলে জুনায়েদ ইসলাম ফাহিম (১৭)।
পুলিশ ও স্বজনরা জানান, ভুক্তভোগী স্থানীয় টঙ্গীর দত্তপাড়া এলাকার একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। সে টিকটক ভিডিও বানাত। দেশের বিভিন্ন জেলায় টিকটক তৈরি করে এমন কিছু কিশোরের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় ওই ছাত্রীর। গত ২৩ ডিসেম্বর বিকেলে টঙ্গীর দত্তপাড়া এলাকা থেকে ফেসবুকের সেলিব্রেটি পরিচয় দিয়ে টিকটকে কাজ করার জন্য ওই কিশোররা ভুক্তভোগীকে ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকায় নিয়ে যায়।

পরে একটি বাসায় তাকে কয়েকজন মিলে গণধর্ষণ করে। মেয়ের (ভুক্তভোগী) কোনো সন্ধান না পেয়ে পরদিন তার মা টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি জিডি করেন। জিডির পর পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। পরে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকার হাতিরঝিল মধুবাগ এলাকা থেকে পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে। এ সময় ঢাকার গেন্ডারিয়া, নারিন্দার শরৎচন্দ্র রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই দুই কিশোরকে আটক করা হয়। পরে জিডিটি শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) মামলা আকারে নেওয়া হয় এবং আটকদের গ্রেফতার দেখানো হয়। তাদের নিয়ে শনিবার আরও তিন সহযোগীকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হয়।