সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক আলমডাঙ্গার স্বপন ফেসবুকে রাজনৈতিক পোস্ট দেয়ায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাবুগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু। প্রবাসীর ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে, বাড়ি থেকেও উচ্ছেদের হুমকি ডিসেম্বরে আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি বিদায় বাংলাদেশ আসিফ মাহমুদ

মাদরাসা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমা ৬০ বছর। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০ ২০৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমা ৬০ বছর নির্ধারণ করে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০২০ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (২৭ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ‌্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, গত ২৩ ডিসেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ আইনের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং (পরীক্ষা-নিরীক্ষা) নিয়ে মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসা হয়। আইনে ২৯টি ধারা আছে। কীভাবে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হবে তা খসড়া আইনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়া পাঠ‌্যক্রম, পাঠ্যসূচি ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, উন্নয়ন, নবায়ন, নিরীক্ষণ এবং সংস্কার কার্যক্রমে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে প্রয়োজনীয় সহায়তা করার বিষয়ে নতুন ধারা সংযোজন করা হয়েছে।

তিনি জানান, অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের মতো মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমা ৬০ বছর হবে। মাদরাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন, উন্নয়ন এবং গবেষণার ক্ষেত্রে এ আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এ আইনের অধীনে কাজগুলো হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।’

তিনি জানান, বিদ্যমান অধ্যাদেশে উল্লেখ করা ‘বোর্ড’ শব্দের পরিবর্তে ‘পরিচালনা পর্ষদ’ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। বোর্ডের সদস্য সংখ্যা ১৩ জনের পরিবর্তে ১৫ জন করা হয়েছে। বিদ্যমান অর্ডিন্যান্সে বোর্ডের কোনো সদস্য সচিব ছিল না। বর্তমানে খসড়া আইনে রেজিস্ট্রারকে সদস্য সচিব হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মাদরাসা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমা ৬০ বছর। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমা ৬০ বছর নির্ধারণ করে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০২০ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (২৭ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ‌্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, গত ২৩ ডিসেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ আইনের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং (পরীক্ষা-নিরীক্ষা) নিয়ে মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসা হয়। আইনে ২৯টি ধারা আছে। কীভাবে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হবে তা খসড়া আইনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়া পাঠ‌্যক্রম, পাঠ্যসূচি ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, উন্নয়ন, নবায়ন, নিরীক্ষণ এবং সংস্কার কার্যক্রমে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে প্রয়োজনীয় সহায়তা করার বিষয়ে নতুন ধারা সংযোজন করা হয়েছে।

তিনি জানান, অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের মতো মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমা ৬০ বছর হবে। মাদরাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন, উন্নয়ন এবং গবেষণার ক্ষেত্রে এ আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এ আইনের অধীনে কাজগুলো হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।’

তিনি জানান, বিদ্যমান অধ্যাদেশে উল্লেখ করা ‘বোর্ড’ শব্দের পরিবর্তে ‘পরিচালনা পর্ষদ’ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। বোর্ডের সদস্য সংখ্যা ১৩ জনের পরিবর্তে ১৫ জন করা হয়েছে। বিদ্যমান অর্ডিন্যান্সে বোর্ডের কোনো সদস্য সচিব ছিল না। বর্তমানে খসড়া আইনে রেজিস্ট্রারকে সদস্য সচিব হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।