ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সড়ক সংস্কারে দুর্ভোগের অবসান, পরিদর্শনে ইউএনও মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে তিন বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ বানারীপাড়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেটে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ: থানায় জিডি ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মোবাইল কোর্ট জরিমানা ইউএনওর সরকারি বাসভবন থেকে উদ্ধার ‘ঘরগিন্নি’ সাপ, পরে সুন্দরবনে অবমুক্ত দেশীয় অর্থায়নে দ্রুত “তিস্তা মেগা প্রকল্প”বাস্তবায়ন হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী কালকিনি পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করে সকলের কাছে দোয়া চাইলেন বিএনপি নেতা কামাল হোসেন বেপারী ঝালকাঠি-২ আসনের রাজনীতি থেকে সংসদের আলোচনায় জীবা পাথরঘাটা থানার বিতর্কিত ওসি ক্লোজ! সর্ব মহলে প্রশংসায় ভাসছেন রেঞ্জ ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুগঞ্জে পদ স্থগিত বিএনপি নেতা জাকির মোল্লার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ।

দেশীয় অর্থায়নে দ্রুত “তিস্তা মেগা প্রকল্প”বাস্তবায়ন হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী

আব্দুর রহিম রিয়াদ,ডিমলা(নীলফামারী) প্রতিনিধি।।
  • আপডেট সময় : ০৪:০০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অঞ্চলের কৃষিতে বিপ্লব ঘটানোর লক্ষ্যে তিস্তা সেচ প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান”। তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তিস্তা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে ইনশাআল্লাহ।তিস্তা নদীকে ঘিরে মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে ও দেশি-বিদেশি কারিগরি সহযোগিতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ‘তিস্তা মেগা প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।তিনি বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। বিশেষ প্রকল্পের আওতায় প্রয়োজনীয় অর্থায়নের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই কাজের সার্বিক অগ্রগতি তদারকি করছেন।আমরা যদি খুব পরিকল্পিত বাঁধ নির্মান করি, পরিকল্পিত ড্রেজিং করি তাহলে এই অঞ্চলের মানুষকে ইনশাআল্লাহ রক্ষা করবেন আল্লাহ।শুক্রবার(১৯ জুন) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা ও নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার মাঝামাঝি অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প ‘তিস্তা ব্যারেজ’পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, তিস্তাপাড়ের সকল দিক বিবেচনা করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা খুব প্রয়োজন। তিস্তা শুধু আপনাদের দুঃখ না, এটা সারা বাংলাদেশের দুঃখ। আমরা যখনই এ কাজগুলো দৃশ্যমান করে সমাপ্ত করতে পারব। কিন্তু যা বেনিফিট আসবে তাতে এ অঞ্চলের মানুষ যেমন পাবেন,তেমনি সারা বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। এখানে কৃষি উপকরন ও কৃষিভিত্তিক অঞ্চল গড়ে উঠবে যেটা আপনাদের ৫ টা জেলার দুঃখ। তা আনন্দে পরিনত হবে।নির্বাচনের আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ অঞ্চলের মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিস্তার দুঃখ তিনি দূর করবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ইতিমধ্যে একাধিক কমিটি গঠন করে দিয়েছেন।তিনি আরও জানান, প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষা ও সমীকরণের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। নয় সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী দল এই প্রকল্পটির রূপরেখা তৈরিতে কাজ করছেন। আগামী দুই-এক মাসের মধ্যেই এই মহাপরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।মতবিনিময় শেষে মন্ত্রী তিস্তা তীরবর্তী নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন। এর আগে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে তিস্তা মেগা প্রকল্পের কারিগরি দিক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা মিলিত হয়।

তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শনকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ,সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, রোকন উদ্দিন বাবুল,নীলফামারী- ১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আব্দুস সাত্তার ও লালমনিরহাট-নীলফামারী জেলার প্রশাসনের উচ্চপদের কর্মকর্তাগণসহ রাজনৈতিক ব্যক্তিরা মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দেশীয় অর্থায়নে দ্রুত “তিস্তা মেগা প্রকল্প”বাস্তবায়ন হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:০০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

অঞ্চলের কৃষিতে বিপ্লব ঘটানোর লক্ষ্যে তিস্তা সেচ প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান”। তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তিস্তা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে ইনশাআল্লাহ।তিস্তা নদীকে ঘিরে মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে ও দেশি-বিদেশি কারিগরি সহযোগিতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ‘তিস্তা মেগা প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।তিনি বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। বিশেষ প্রকল্পের আওতায় প্রয়োজনীয় অর্থায়নের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই কাজের সার্বিক অগ্রগতি তদারকি করছেন।আমরা যদি খুব পরিকল্পিত বাঁধ নির্মান করি, পরিকল্পিত ড্রেজিং করি তাহলে এই অঞ্চলের মানুষকে ইনশাআল্লাহ রক্ষা করবেন আল্লাহ।শুক্রবার(১৯ জুন) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা ও নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার মাঝামাঝি অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প ‘তিস্তা ব্যারেজ’পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, তিস্তাপাড়ের সকল দিক বিবেচনা করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা খুব প্রয়োজন। তিস্তা শুধু আপনাদের দুঃখ না, এটা সারা বাংলাদেশের দুঃখ। আমরা যখনই এ কাজগুলো দৃশ্যমান করে সমাপ্ত করতে পারব। কিন্তু যা বেনিফিট আসবে তাতে এ অঞ্চলের মানুষ যেমন পাবেন,তেমনি সারা বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। এখানে কৃষি উপকরন ও কৃষিভিত্তিক অঞ্চল গড়ে উঠবে যেটা আপনাদের ৫ টা জেলার দুঃখ। তা আনন্দে পরিনত হবে।নির্বাচনের আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ অঞ্চলের মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিস্তার দুঃখ তিনি দূর করবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ইতিমধ্যে একাধিক কমিটি গঠন করে দিয়েছেন।তিনি আরও জানান, প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষা ও সমীকরণের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। নয় সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী দল এই প্রকল্পটির রূপরেখা তৈরিতে কাজ করছেন। আগামী দুই-এক মাসের মধ্যেই এই মহাপরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।মতবিনিময় শেষে মন্ত্রী তিস্তা তীরবর্তী নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন। এর আগে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে তিস্তা মেগা প্রকল্পের কারিগরি দিক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা মিলিত হয়।

তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শনকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ,সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, রোকন উদ্দিন বাবুল,নীলফামারী- ১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আব্দুস সাত্তার ও লালমনিরহাট-নীলফামারী জেলার প্রশাসনের উচ্চপদের কর্মকর্তাগণসহ রাজনৈতিক ব্যক্তিরা মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।