সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক আলমডাঙ্গার স্বপন ফেসবুকে রাজনৈতিক পোস্ট দেয়ায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাবুগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু। প্রবাসীর ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে, বাড়ি থেকেও উচ্ছেদের হুমকি ডিসেম্বরে আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি বিদায় বাংলাদেশ আসিফ মাহমুদ

ধর্ষণের পর যদি সেই মেয়েটিকে বিয়ে করে ধর্ষণকারী, তাহলে তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ প্রত্যাহার। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৬:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২০ ২৪০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: অপ্রাপ্তবয়স্ক কোন মেয়েকে ধর্ষণের পর যদি সেই মেয়েটিকে বিয়ে করে ধর্ষণকারী, তাহলে তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ প্রত্যাহার করা হবে। এমনই বিতর্কিত এবং অমানবিক বিল সেদেশের সংসদে পাশ করাতে চাইছে তুরস্কের ক্ষমতাসীন দল।
এই খবর প্রকাশ্য আসার পর তুরস্কের মানবাধিকার এবং নারী অধিকার সংগঠনগুলো এই প্রস্তাবিত আইনের তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, এই আইন প্রণয়নের অর্থ দাঁড়ায় ধর্ষণকে আইনি বৈধতা দেওয়া।
তুরস্কের ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা প্রস্তাবিত এই আইনটিতে আকস্মিকভাবে তাদের সমর্থন জানান। এই আইনে অপ্রাপ্তবয়স্ক কোন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একটিমাত্র শর্তে পুরোপুরিভাবে ক্ষমা করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই বিল অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তিটি ধর্ষিতাকে বিয়ে করলে ধর্ষকের সাজা মকুফ করা হবে এবং তার শাস্তি খারিজ হয়ে যাবে।

তুরস্ক সরকারের তরফে জানান হয়েছে, এই আইনের উদ্দেশ্য হল, যারা না বুঝেই অল্পবয়সী কোনও মেয়ের সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হয়েছে তাদের বিয়ে করার সুযোগ দেওয়া। তবে বিশ্বব্যাপী নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলি এর তীব্র সমালোচনা করছে। তাদের দাবি, যেসব পুরুষ জেনেশুনেই এই কাজটি করছিলো তাদেরও এই আইনের আওতায় ক্ষমা করা হবে এবং এর মধ্য দিয়ে ধর্ষণ আইনি বৈধতা পেয়ে যেতে পারে।

যদি তুরস্কের পার্লামেন্টে এই বিলটি পাশ হয় তাহলে প্রায় তিন হাজারের মতো পুরুষ ধর্ষণের অভিযোগ থেকে মুক্তি পাবে। সংবাদমাধ্যমের সমীক্ষা অনুযায়ী, তুরস্কে গত কয়েক বছরে যৌন হয়রানির সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়েছে, তুরস্কে নারীদের ৪০ শতাংশই যে কোনওভাবে শারীরিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ধর্ষণের পর যদি সেই মেয়েটিকে বিয়ে করে ধর্ষণকারী, তাহলে তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ প্রত্যাহার। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:০৬:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: অপ্রাপ্তবয়স্ক কোন মেয়েকে ধর্ষণের পর যদি সেই মেয়েটিকে বিয়ে করে ধর্ষণকারী, তাহলে তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ প্রত্যাহার করা হবে। এমনই বিতর্কিত এবং অমানবিক বিল সেদেশের সংসদে পাশ করাতে চাইছে তুরস্কের ক্ষমতাসীন দল।
এই খবর প্রকাশ্য আসার পর তুরস্কের মানবাধিকার এবং নারী অধিকার সংগঠনগুলো এই প্রস্তাবিত আইনের তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, এই আইন প্রণয়নের অর্থ দাঁড়ায় ধর্ষণকে আইনি বৈধতা দেওয়া।
তুরস্কের ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা প্রস্তাবিত এই আইনটিতে আকস্মিকভাবে তাদের সমর্থন জানান। এই আইনে অপ্রাপ্তবয়স্ক কোন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একটিমাত্র শর্তে পুরোপুরিভাবে ক্ষমা করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই বিল অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তিটি ধর্ষিতাকে বিয়ে করলে ধর্ষকের সাজা মকুফ করা হবে এবং তার শাস্তি খারিজ হয়ে যাবে।

তুরস্ক সরকারের তরফে জানান হয়েছে, এই আইনের উদ্দেশ্য হল, যারা না বুঝেই অল্পবয়সী কোনও মেয়ের সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হয়েছে তাদের বিয়ে করার সুযোগ দেওয়া। তবে বিশ্বব্যাপী নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলি এর তীব্র সমালোচনা করছে। তাদের দাবি, যেসব পুরুষ জেনেশুনেই এই কাজটি করছিলো তাদেরও এই আইনের আওতায় ক্ষমা করা হবে এবং এর মধ্য দিয়ে ধর্ষণ আইনি বৈধতা পেয়ে যেতে পারে।

যদি তুরস্কের পার্লামেন্টে এই বিলটি পাশ হয় তাহলে প্রায় তিন হাজারের মতো পুরুষ ধর্ষণের অভিযোগ থেকে মুক্তি পাবে। সংবাদমাধ্যমের সমীক্ষা অনুযায়ী, তুরস্কে গত কয়েক বছরে যৌন হয়রানির সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়েছে, তুরস্কে নারীদের ৪০ শতাংশই যে কোনওভাবে শারীরিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।