সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে,

ধর্ষণের পর যদি সেই মেয়েটিকে বিয়ে করে ধর্ষণকারী, তাহলে তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ প্রত্যাহার। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৬:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২০ ২১০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: অপ্রাপ্তবয়স্ক কোন মেয়েকে ধর্ষণের পর যদি সেই মেয়েটিকে বিয়ে করে ধর্ষণকারী, তাহলে তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ প্রত্যাহার করা হবে। এমনই বিতর্কিত এবং অমানবিক বিল সেদেশের সংসদে পাশ করাতে চাইছে তুরস্কের ক্ষমতাসীন দল।
এই খবর প্রকাশ্য আসার পর তুরস্কের মানবাধিকার এবং নারী অধিকার সংগঠনগুলো এই প্রস্তাবিত আইনের তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, এই আইন প্রণয়নের অর্থ দাঁড়ায় ধর্ষণকে আইনি বৈধতা দেওয়া।
তুরস্কের ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা প্রস্তাবিত এই আইনটিতে আকস্মিকভাবে তাদের সমর্থন জানান। এই আইনে অপ্রাপ্তবয়স্ক কোন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একটিমাত্র শর্তে পুরোপুরিভাবে ক্ষমা করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই বিল অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তিটি ধর্ষিতাকে বিয়ে করলে ধর্ষকের সাজা মকুফ করা হবে এবং তার শাস্তি খারিজ হয়ে যাবে।

তুরস্ক সরকারের তরফে জানান হয়েছে, এই আইনের উদ্দেশ্য হল, যারা না বুঝেই অল্পবয়সী কোনও মেয়ের সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হয়েছে তাদের বিয়ে করার সুযোগ দেওয়া। তবে বিশ্বব্যাপী নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলি এর তীব্র সমালোচনা করছে। তাদের দাবি, যেসব পুরুষ জেনেশুনেই এই কাজটি করছিলো তাদেরও এই আইনের আওতায় ক্ষমা করা হবে এবং এর মধ্য দিয়ে ধর্ষণ আইনি বৈধতা পেয়ে যেতে পারে।

যদি তুরস্কের পার্লামেন্টে এই বিলটি পাশ হয় তাহলে প্রায় তিন হাজারের মতো পুরুষ ধর্ষণের অভিযোগ থেকে মুক্তি পাবে। সংবাদমাধ্যমের সমীক্ষা অনুযায়ী, তুরস্কে গত কয়েক বছরে যৌন হয়রানির সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়েছে, তুরস্কে নারীদের ৪০ শতাংশই যে কোনওভাবে শারীরিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ধর্ষণের পর যদি সেই মেয়েটিকে বিয়ে করে ধর্ষণকারী, তাহলে তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ প্রত্যাহার। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:০৬:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: অপ্রাপ্তবয়স্ক কোন মেয়েকে ধর্ষণের পর যদি সেই মেয়েটিকে বিয়ে করে ধর্ষণকারী, তাহলে তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ প্রত্যাহার করা হবে। এমনই বিতর্কিত এবং অমানবিক বিল সেদেশের সংসদে পাশ করাতে চাইছে তুরস্কের ক্ষমতাসীন দল।
এই খবর প্রকাশ্য আসার পর তুরস্কের মানবাধিকার এবং নারী অধিকার সংগঠনগুলো এই প্রস্তাবিত আইনের তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, এই আইন প্রণয়নের অর্থ দাঁড়ায় ধর্ষণকে আইনি বৈধতা দেওয়া।
তুরস্কের ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা প্রস্তাবিত এই আইনটিতে আকস্মিকভাবে তাদের সমর্থন জানান। এই আইনে অপ্রাপ্তবয়স্ক কোন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একটিমাত্র শর্তে পুরোপুরিভাবে ক্ষমা করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই বিল অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তিটি ধর্ষিতাকে বিয়ে করলে ধর্ষকের সাজা মকুফ করা হবে এবং তার শাস্তি খারিজ হয়ে যাবে।

তুরস্ক সরকারের তরফে জানান হয়েছে, এই আইনের উদ্দেশ্য হল, যারা না বুঝেই অল্পবয়সী কোনও মেয়ের সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হয়েছে তাদের বিয়ে করার সুযোগ দেওয়া। তবে বিশ্বব্যাপী নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলি এর তীব্র সমালোচনা করছে। তাদের দাবি, যেসব পুরুষ জেনেশুনেই এই কাজটি করছিলো তাদেরও এই আইনের আওতায় ক্ষমা করা হবে এবং এর মধ্য দিয়ে ধর্ষণ আইনি বৈধতা পেয়ে যেতে পারে।

যদি তুরস্কের পার্লামেন্টে এই বিলটি পাশ হয় তাহলে প্রায় তিন হাজারের মতো পুরুষ ধর্ষণের অভিযোগ থেকে মুক্তি পাবে। সংবাদমাধ্যমের সমীক্ষা অনুযায়ী, তুরস্কে গত কয়েক বছরে যৌন হয়রানির সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়েছে, তুরস্কে নারীদের ৪০ শতাংশই যে কোনওভাবে শারীরিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।