সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবদলের ৫ শতাধিক তাল বীজ রোপন ঘোড়াঘাটে ৪ পদজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা‎‎ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস উদযাপন, চালকদের সম্মাননা ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড বরিশালে ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্সের একক বীমার বিশেষ উন্নয়ন সভা অনুণ্ঠিত নানা আয়োজনে ঝালকাঠিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত ঝালকাঠি জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত

ইসরাফিল হোসেন ঘুষ নিতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে লঞ্ছিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৯১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ইসরাফিল হোসেন ঘুষ নিতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে লঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৈদ্যুতিক সেচ যন্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার জন্য ঘুষ নেওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের মাঝদক্ষিণা বাজারে তাকে লাঞ্ছিত করার পর আটকে রাখা হয়। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মাতবরদের মধ্যস্থতায় গভীর রাতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাড়াশের ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মো. ওবায়দুল্লাহ বিষয়টি শুনেছেন বলে জানান।

জানা যায়, ছেড়ে দেওয়ার আগে তার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। তবে, দেনদরবার ও মধ্যস্থতার বিষয়টি শেষ পর্যন্ত থানা পুলিশ বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হয়নি।

এ ব্যাপারে দেশীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস জানান, ওই কর্মকর্তা সেচ যন্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে মাঝদক্ষিণা গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে ফিরোজ মাহমুদের কাছে ৯৬ হাজার টাকা ঘুষ চান। পরে ওই টাকা নিতে গিয়ে তিনি ফাঁদে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে আটকের পর মারধর করে। খবর পেয়ে তারা মধ্যস্থতা করে এবং মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়।

অভিযুক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ইসরাফিল হোসেন বলেন, ‘আমি সেখানে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলাম। ঘুষের টাকার জন্য না। ঘুষের টাকার কথা বলে আমাকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিষয়টি উদ্দেশ্যমূলক ছাড়া আর কিছুই না।’

তাড়াশের ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মো. ওবায়দুল্লাহ জানান, ঘটনাটি তিনি পরস্পরের মাধ্যমে শুনলেও কেউ তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে স্থানীয়ভাবে বিএডিসির ওই কর্মকর্তার বেশ কিছু ঝামেলা আছে বলে তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইসরাফিল হোসেন ঘুষ নিতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে লঞ্ছিত

আপডেট সময় : ১০:৪৪:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক:
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ইসরাফিল হোসেন ঘুষ নিতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে লঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৈদ্যুতিক সেচ যন্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার জন্য ঘুষ নেওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের মাঝদক্ষিণা বাজারে তাকে লাঞ্ছিত করার পর আটকে রাখা হয়। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মাতবরদের মধ্যস্থতায় গভীর রাতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাড়াশের ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মো. ওবায়দুল্লাহ বিষয়টি শুনেছেন বলে জানান।

জানা যায়, ছেড়ে দেওয়ার আগে তার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। তবে, দেনদরবার ও মধ্যস্থতার বিষয়টি শেষ পর্যন্ত থানা পুলিশ বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হয়নি।

এ ব্যাপারে দেশীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস জানান, ওই কর্মকর্তা সেচ যন্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে মাঝদক্ষিণা গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে ফিরোজ মাহমুদের কাছে ৯৬ হাজার টাকা ঘুষ চান। পরে ওই টাকা নিতে গিয়ে তিনি ফাঁদে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে আটকের পর মারধর করে। খবর পেয়ে তারা মধ্যস্থতা করে এবং মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়।

অভিযুক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ইসরাফিল হোসেন বলেন, ‘আমি সেখানে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলাম। ঘুষের টাকার জন্য না। ঘুষের টাকার কথা বলে আমাকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিষয়টি উদ্দেশ্যমূলক ছাড়া আর কিছুই না।’

তাড়াশের ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মো. ওবায়দুল্লাহ জানান, ঘটনাটি তিনি পরস্পরের মাধ্যমে শুনলেও কেউ তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে স্থানীয়ভাবে বিএডিসির ওই কর্মকর্তার বেশ কিছু ঝামেলা আছে বলে তিনি জানান।