সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসারত সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু দিওড় ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা মোস্তাফিজুর রহমানের, চাইলেন দোয়া ও সমর্থন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পূনরায় প্রার্থী হতে চান ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ নাজির হোসেন কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল ২০২৬: নিরাপদ ও আনন্দময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপির বিশেষ উদ্যোগ রাস্তার পাশে পিঠা বিক্রি করলেও লাগবে নিবন্ধন দেহেরগতিতে সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য পদে ফের নির্বাচন করতে চান সমাজকর্মী শাহীনা খান। ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়কে ইমরান ট্রাভেলসের বাস উল্টে আহত প্রায় ১৬থেকে১৭,জন আশঙ্কাজনক অবস্থা ৪থেকে৫ জন…. ভাণ্ডারিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে ৬০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজ হোসেনের ‘আধুনিক মাধবপাশা ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় দর্শনায় কেরুজ ৩ হাজার ১৮৫ আখচাষি পেলেন ৯৫ লাখ টাকার প্রণোদনা

জামায়াতের ১৩ নারী সদস্যসহ এক মাদ্রাসা অধ্যক্ষ আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ ২৫৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাবনায় গোপন বৈঠক করার সময় জামায়াতের ১৩ নারী সদস্যসহ এক মাদ্রাসা অধ্যক্ষকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার রাত ৯টার দিকে শহরতলীর মনসুরাবাদ আবাসিক এলাকা থেকে পাবনা থানা পুলিশ তাদের আটক করে। তারা এসময় গোপন বৈঠক করছিল বলে পুলিশ জানায়। এসময় তাদের কাছ থেকে বিপুল সংখ্যক জিহাদি বইপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

পাবনা থানার ওসি নাসিম আহম্মেদ জানান, পাবনা শহরতলীর মনসুরাবাদ আবাসিক এলাকার ৫ নং সড়কের ১১৯ নং বাড়িটির মালিক সাঁথিয়া উপজেলার ধুলাউড়ি কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আনোয়ার হোসেন। দ্বিতল এই বাড়ির নিচ তলায় জামায়াতের নারী সদস্যদের আস্তানা ছিল। এখান থেকে নারী সদস্যরা মেয়েদেরকে সংগঠিত এবং নাশকতার ছক পরিচালনা করতেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ রাত ৯টার দিকে ঘিরে ফেলে এবং সেখান থেকে বৈঠক করা অবস্থায় জামায়াতের ১৩ নারী সদস্য এবং বাড়ির মালিক অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেনকে আটক করে। ওই আস্তানা থেকে বিপুল সংখ্যক জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়েছে। আটকরা জেলার বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

পাবনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান তাদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরে তদন্ত করে বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন করা হবে।

এদিকে পাবনার বেড়া উপজেলা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অনছারুল্লাহ বাংলা টিমের ৫ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১৪।

রোববার বিকেলে ময়মনসিং থেকে আসা র‌্যাবের একটি বিশেষ দল বেড়া উপজেলার একটি স্থানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

আটকরা আনছারুল্লাহ বাংলা টিমের ৫ জন সক্রিয় সদস্য বলে পুলিশ জানায়। এদের মধ্যে চার জনের বাড়ি পাবনা সাঁথিয়া উপজেলায় ও একজনের বাড়ি বেড়া উপজেলায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জামায়াতের ১৩ নারী সদস্যসহ এক মাদ্রাসা অধ্যক্ষ আটক

আপডেট সময় : ০৯:৩০:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯

পাবনায় গোপন বৈঠক করার সময় জামায়াতের ১৩ নারী সদস্যসহ এক মাদ্রাসা অধ্যক্ষকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার রাত ৯টার দিকে শহরতলীর মনসুরাবাদ আবাসিক এলাকা থেকে পাবনা থানা পুলিশ তাদের আটক করে। তারা এসময় গোপন বৈঠক করছিল বলে পুলিশ জানায়। এসময় তাদের কাছ থেকে বিপুল সংখ্যক জিহাদি বইপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

পাবনা থানার ওসি নাসিম আহম্মেদ জানান, পাবনা শহরতলীর মনসুরাবাদ আবাসিক এলাকার ৫ নং সড়কের ১১৯ নং বাড়িটির মালিক সাঁথিয়া উপজেলার ধুলাউড়ি কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আনোয়ার হোসেন। দ্বিতল এই বাড়ির নিচ তলায় জামায়াতের নারী সদস্যদের আস্তানা ছিল। এখান থেকে নারী সদস্যরা মেয়েদেরকে সংগঠিত এবং নাশকতার ছক পরিচালনা করতেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ রাত ৯টার দিকে ঘিরে ফেলে এবং সেখান থেকে বৈঠক করা অবস্থায় জামায়াতের ১৩ নারী সদস্য এবং বাড়ির মালিক অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেনকে আটক করে। ওই আস্তানা থেকে বিপুল সংখ্যক জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়েছে। আটকরা জেলার বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

পাবনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান তাদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরে তদন্ত করে বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন করা হবে।

এদিকে পাবনার বেড়া উপজেলা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অনছারুল্লাহ বাংলা টিমের ৫ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১৪।

রোববার বিকেলে ময়মনসিং থেকে আসা র‌্যাবের একটি বিশেষ দল বেড়া উপজেলার একটি স্থানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

আটকরা আনছারুল্লাহ বাংলা টিমের ৫ জন সক্রিয় সদস্য বলে পুলিশ জানায়। এদের মধ্যে চার জনের বাড়ি পাবনা সাঁথিয়া উপজেলায় ও একজনের বাড়ি বেড়া উপজেলায়।