সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

ঝালকাঠিতে অস্ত্র মামলায় যুবকের ২২ বছর কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩ ১৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠিতে অস্ত্র মামলায় আল আমিন খান (৩৪) নামে এক যুবককে ২২ বছর কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঝালকাঠি বিশেষ ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক ও জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আল আমিন আদালতে উপস্থিত ছিল।
সে বরিশাল বাকেরগঞ্জের বিরঙ্গল এলাকার আবুয়াল খানের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সেরেস্তাদার মো. রুস্তম আলী।

তিনি বলেন, মামলার রায়ে আদালতের বিচারক ১৯৭৮ সালের পৃথক দুটি ধারায় আলাদা ভাবে ২২ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন। এরমধ্যে ১৯ এর (এ) ধারায় ১২ বছর এবং ১৯ এর (এফ) ধারায় ১০ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে আসামির সর্বোচ্চ ১২ বছর কারাবাসের মেয়াদ শেষ হলেই রায় কার্যকর হয়ে যাবে।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৯ মে রাত ৮টার দিকে বরিশাল র ্যাব-৮ এর একটি দল ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া জিরো পয়েন্ট এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় আসামি আল আমিনকে সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেহ তল্লাশি করে আমেরিকার তৈরি একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি ভর্তি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পরের দিন আল আমিনকে আসামি করে র ্যাব-৮ এর ডিএডি শেখ আমিনুল ইসলাম নলছিটি থানায় বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নলছিটি থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. সোলায়মান মাহমুদ একই বছরের ৩১ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত পরের মাসের ১ সেপ্টেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। আদালতের বিচারক ৯জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে এ রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সরকারি কৌশলী আবদুল মান্নান রসুল। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী নাসির উদ্দিন কবির।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঝালকাঠিতে অস্ত্র মামলায় যুবকের ২২ বছর কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৫:৫১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠিতে অস্ত্র মামলায় আল আমিন খান (৩৪) নামে এক যুবককে ২২ বছর কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঝালকাঠি বিশেষ ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক ও জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আল আমিন আদালতে উপস্থিত ছিল।
সে বরিশাল বাকেরগঞ্জের বিরঙ্গল এলাকার আবুয়াল খানের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সেরেস্তাদার মো. রুস্তম আলী।

তিনি বলেন, মামলার রায়ে আদালতের বিচারক ১৯৭৮ সালের পৃথক দুটি ধারায় আলাদা ভাবে ২২ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন। এরমধ্যে ১৯ এর (এ) ধারায় ১২ বছর এবং ১৯ এর (এফ) ধারায় ১০ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে আসামির সর্বোচ্চ ১২ বছর কারাবাসের মেয়াদ শেষ হলেই রায় কার্যকর হয়ে যাবে।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৯ মে রাত ৮টার দিকে বরিশাল র ্যাব-৮ এর একটি দল ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া জিরো পয়েন্ট এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় আসামি আল আমিনকে সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেহ তল্লাশি করে আমেরিকার তৈরি একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি ভর্তি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পরের দিন আল আমিনকে আসামি করে র ্যাব-৮ এর ডিএডি শেখ আমিনুল ইসলাম নলছিটি থানায় বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নলছিটি থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. সোলায়মান মাহমুদ একই বছরের ৩১ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত পরের মাসের ১ সেপ্টেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। আদালতের বিচারক ৯জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে এ রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সরকারি কৌশলী আবদুল মান্নান রসুল। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী নাসির উদ্দিন কবির।