সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী জীবননগর ও উথলী বিজিবি হাতে ভারতীয় কীটনাশক,মদ,ভায়াগ্রাসহ মহেশপুর সীমান্তে ৬ হিজড়া আটক বাবুগঞ্জ রহমতপুর ইউনিয়নে তরুণ সমাজসেবক শিমুল সিকদারের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ ভাণ্ডারিয়ায় মাদক প্রতিরোধে গঠিত জেলা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঝালকাঠিতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ১৮ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীকে সংবর্ধনা প্রদান চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা

মাদকাসক্ত ছেলেকে আদালতে সোপর্দ মায়ের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩ ৭৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মাদকাসক্ত ছেলে নয়ন চন্দ্র রায়কে (২১) ভ্রাম্যমাণ আদালতের হাতে তুলে দিয়েছেন মা কিনা রানী। আজ রোববার ৭ নম্বর শিবনগর ইউনিয়নের দাদপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে নয়নকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী।

জানা যায়, দাদপুর গ্রামের শিবু রায় ও কিনা রানী দম্পতির ছেলে নয়ন রায় দীর্ঘদিন মাদক সেবন করে আসছিলেন। আসক্তির ফলে কাজকর্ম না করে টাকার জন্য বাড়িতে প্রতিনিয়ত ঝামেলা করতেন। বাবা-মা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাড়ির আসবাব ভাঙচুর ও প্রায়ই বাড়ির জিনিসপত্র বিক্রি করে মাদক সেবন করতেন।

সম্প্রতি বাড়ির ঢেউটিন, নলকূপ বিক্রি করে মাদক কেনেন নয়ন। এতে বাধা দিলে কিনা রানীর মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করেন নয়ন। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে তাঁকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের হাতে তুলে দেন ভুক্তভোগী কিনা রানী।

কিনা রানী জানান, ছেলে মাদকের টাকার জন্য বাড়ির জিনিসপত্র চুরি করে। বাধা দিলে মারধর করে। তাই সবার পরামর্শে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। এতে যদি ছেলেটি ভালো হয়– এটিই তাঁর কামনা।

শিবনগর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান দিলীপ চন্দ্র রায় এবং কিনা রানীর প্রতিবেশী উত্তম দাস বলেন, ছেলের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরে অভিযোগ করছিলেন তাঁর মা। ছেলেকে (নয়ন) অনেক বুঝিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু পরিবর্তন হয়নি।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী জানান, নিজ বাড়িতে মাদক সেবনের অভিযোগ পাওয়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে হাতেনাতে নয়ন রায়কে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এটি সমাজে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মাদকাসক্ত ছেলেকে আদালতে সোপর্দ মায়ের

আপডেট সময় : ০৫:২২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩

আজকের ক্রাইম ডেক্স

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মাদকাসক্ত ছেলে নয়ন চন্দ্র রায়কে (২১) ভ্রাম্যমাণ আদালতের হাতে তুলে দিয়েছেন মা কিনা রানী। আজ রোববার ৭ নম্বর শিবনগর ইউনিয়নের দাদপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে নয়নকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী।

জানা যায়, দাদপুর গ্রামের শিবু রায় ও কিনা রানী দম্পতির ছেলে নয়ন রায় দীর্ঘদিন মাদক সেবন করে আসছিলেন। আসক্তির ফলে কাজকর্ম না করে টাকার জন্য বাড়িতে প্রতিনিয়ত ঝামেলা করতেন। বাবা-মা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাড়ির আসবাব ভাঙচুর ও প্রায়ই বাড়ির জিনিসপত্র বিক্রি করে মাদক সেবন করতেন।

সম্প্রতি বাড়ির ঢেউটিন, নলকূপ বিক্রি করে মাদক কেনেন নয়ন। এতে বাধা দিলে কিনা রানীর মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করেন নয়ন। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে তাঁকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের হাতে তুলে দেন ভুক্তভোগী কিনা রানী।

কিনা রানী জানান, ছেলে মাদকের টাকার জন্য বাড়ির জিনিসপত্র চুরি করে। বাধা দিলে মারধর করে। তাই সবার পরামর্শে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। এতে যদি ছেলেটি ভালো হয়– এটিই তাঁর কামনা।

শিবনগর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান দিলীপ চন্দ্র রায় এবং কিনা রানীর প্রতিবেশী উত্তম দাস বলেন, ছেলের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরে অভিযোগ করছিলেন তাঁর মা। ছেলেকে (নয়ন) অনেক বুঝিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু পরিবর্তন হয়নি।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী জানান, নিজ বাড়িতে মাদক সেবনের অভিযোগ পাওয়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে হাতেনাতে নয়ন রায়কে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এটি সমাজে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।