সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫

ইউপি চেয়ারম্যানের কোমরে পিস্তল, ফেসবুকে ছবি ভাইরাল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৬৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের কোমরে রাখা পিস্তলের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি জেলার বরুড়া উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান। তবে ওই ইউপি চেয়ারম্যান দাবি- এটা তার লাইসেন্স করা পিস্তল, তাই কোমরে রেখেছিলেন তিনি।

শনিবার সন্ধ্যা থেকে ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে দেখা যায়- দুইজন ব্যক্তির হাত থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করছেন চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান। এ সময় চেয়ারম্যানের কোমরের ডানপাশে রাখা ছিল পিস্তলটি। যদিও ওই ইউপি চেয়ারম্যানের দাবি- পিস্তলটি তার লাইসেন্স করা। লাইসেন্স করা হলেও এভাবে অস্ত্র রাখা নিয়ে জনমনে নেতিবাচক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

জেলা পুলিশের একজন কর্মকতা সমকালকে বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা ২০১৬ এর ২৫ নম্বরের ক অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি স্বীয় লাইসেন্স এন্ট্রিকৃত অস্ত্র আত্মরক্ষার নিজে বহন/ ব্যবহার করতে পারবেন। তবে অন্যের ভীতি/ বিরক্তি উদ্রেক করতে পারে এরূপভাবে প্রদর্শন করতে পারবেন না।’ ওই কর্মকতা আরও বলেন, ‘ভাইরাল হওয়া ছবিটিতে চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান যেভাবে তার অস্ত্র প্রদর্শন করেছেন তাতে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়াটা একেবারেই স্বাভাবিক।’

তবে চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার এ অস্ত্রের লাইসেন্স আছে। জেলা প্রশাসন থেকে লাইসেন্স পাওয়া অস্ত্র আমার সঙ্গে রাখতে পারব, আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখুন।’

রোববার সকালে বরুড়া থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার সমকালকে বলেন, ‘ওই চেয়ারম্যান অস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার পর থানায় এসে এন্ট্রি করেছেন এটা জানি। কোমরে অস্ত্র রাখার বিষয়টি আইনে কী বলা আছে তা দেখবো।’

সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর কুমিল্লার সাবেক সভাপতি আলমগীর খান বলেন, ‘ছবিটি আমি দেখেছি। চেয়ারম্যান যেভাবে কোমরে পিস্তলটি রেখেছেন যেকোনো মানুষের মনে ভীতি সৃষ্টি হবে। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করবো, ওই চেয়ারম্যানের লাইসেন্স যদি থেকেই থাকে তবে সেই লাইসেন্স বাতিল করে যত দ্রুত সম্ভব তার কাছ থেকে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হোক।’

কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম সমকালকে বলেন, ‘ওই চেয়ারম্যানের প্রকাশ্যে কোমরে অস্ত্র রাখার একটি ছবি আমাদের কাছে এসেছে, তদন্ত করে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইউপি চেয়ারম্যানের কোমরে পিস্তল, ফেসবুকে ছবি ভাইরাল

আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের কোমরে রাখা পিস্তলের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি জেলার বরুড়া উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান। তবে ওই ইউপি চেয়ারম্যান দাবি- এটা তার লাইসেন্স করা পিস্তল, তাই কোমরে রেখেছিলেন তিনি।

শনিবার সন্ধ্যা থেকে ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে দেখা যায়- দুইজন ব্যক্তির হাত থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করছেন চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান। এ সময় চেয়ারম্যানের কোমরের ডানপাশে রাখা ছিল পিস্তলটি। যদিও ওই ইউপি চেয়ারম্যানের দাবি- পিস্তলটি তার লাইসেন্স করা। লাইসেন্স করা হলেও এভাবে অস্ত্র রাখা নিয়ে জনমনে নেতিবাচক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

জেলা পুলিশের একজন কর্মকতা সমকালকে বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা ২০১৬ এর ২৫ নম্বরের ক অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি স্বীয় লাইসেন্স এন্ট্রিকৃত অস্ত্র আত্মরক্ষার নিজে বহন/ ব্যবহার করতে পারবেন। তবে অন্যের ভীতি/ বিরক্তি উদ্রেক করতে পারে এরূপভাবে প্রদর্শন করতে পারবেন না।’ ওই কর্মকতা আরও বলেন, ‘ভাইরাল হওয়া ছবিটিতে চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান যেভাবে তার অস্ত্র প্রদর্শন করেছেন তাতে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়াটা একেবারেই স্বাভাবিক।’

তবে চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার এ অস্ত্রের লাইসেন্স আছে। জেলা প্রশাসন থেকে লাইসেন্স পাওয়া অস্ত্র আমার সঙ্গে রাখতে পারব, আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখুন।’

রোববার সকালে বরুড়া থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার সমকালকে বলেন, ‘ওই চেয়ারম্যান অস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার পর থানায় এসে এন্ট্রি করেছেন এটা জানি। কোমরে অস্ত্র রাখার বিষয়টি আইনে কী বলা আছে তা দেখবো।’

সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর কুমিল্লার সাবেক সভাপতি আলমগীর খান বলেন, ‘ছবিটি আমি দেখেছি। চেয়ারম্যান যেভাবে কোমরে পিস্তলটি রেখেছেন যেকোনো মানুষের মনে ভীতি সৃষ্টি হবে। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করবো, ওই চেয়ারম্যানের লাইসেন্স যদি থেকেই থাকে তবে সেই লাইসেন্স বাতিল করে যত দ্রুত সম্ভব তার কাছ থেকে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হোক।’

কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম সমকালকে বলেন, ‘ওই চেয়ারম্যানের প্রকাশ্যে কোমরে অস্ত্র রাখার একটি ছবি আমাদের কাছে এসেছে, তদন্ত করে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’