প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
- আপডেট সময় : ০৯:১১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ নভেম্বর ২০২১ ১১৩ বার পড়া হয়েছে
গত ২১/১১/২০২১ ও ২২/১১/২০২১ তারিখের দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ “বরগুনার এসপি’র সঙ্গে সন্ত্রাসীর বিরল বন্ধুত্ব” এবং “ডিমও ঘুষ নেন বরগুনার পুলিশ সুপার (এসপি) মুহম্মদ জাহাঙ্গির মল্লিক।। ঘুষের তালিকায় আছে পাতিহাঁস, গরু-ছাগলও” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বরগুনার পুলিশ সুপার (এসপি) মুহম্মদ জাহাঙ্গির মল্লিক।
এক প্রতিবাদ লিপিতে তিনি বলেছেন,
নিম্নস্বাক্ষরকারী বরগুনা জেলায় গত ২৯/১২/২০২০ তারিখে পুলিশ সুপারের দায়িত্বভার গ্রহণ করে তৎপরবর্তীতে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি। বরগুনা জেলা পুলিশের আইন শৃংখলা বিষয়ক সাহসী ভূমিকা পালনের কারণে বরগুনা জেলার সাধারণ মানুষের স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। তারই পাশাপাশি একটি কুচক্রী মহল জেলা পুলিশের কার্যক্রমকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য সাধারণ মানুষের নিকট জেলা পুলিশকে বিতর্কিত করার মানসে বিভিন্ন অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন গত ২১/১১/২০২১ ও ২২/১১/২০২১ তারিখের দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ “বরগুনার এসপি’র সঙ্গে সন্ত্রাসীর বিরল বন্ধুত্ব” এবং “ডিমও ঘুষ নেন বরগুনার পুলিশ সুপার (এসপি) মুহম্মদ জাহাঙ্গির মল্লিক।। ঘুষের তালিকায় আছে পাতিহাঁস, গরু-ছাগলও” শিরোনামটি তেমনি একটি অপপ্রচার, অসত্য, বানোয়াট ও তথ্য বিবর্জিত হওয়ায় সংবাদ শিরোনামটির প্রেক্ষিতে নিম্নস্বাক্ষরকারী তথা বরগুনা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিম্নবর্ণিত প্রতিবাদটি যুগান্তর পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।
বাস্তবতা হলো- আমার বরগুনা জেলায় যোগদান পরবর্তীতে বরগুনা জেলার ২টি পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর পদে নির্বাচন হয়েছে এবং ২৯ টি ইউনিয়নে ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হযয়েছে।
বরগুনাবাসীর কাছে বর্তমান জেলা পুলিশ সুপার আস্থার প্রতীক হিসেবে অধিকতর পরিচিত। জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য ইমেজ রক্ষা করে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত ১১/০৪/২০২১ তারিখ বরগুনা জেলার ৫টি থানার মোট ২২ টি ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত ছিল কিন্তু কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে নির্বাচন স্থাগিত হয়। এবং পুনরায় ২১/০৬/২০২১ তারিখে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আমার যতদূর মনে পড়ে জুন-২০২১ মাসের প্রথমদিকে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং বরগুনা-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু মহোদয় ও অফিসসময় কালে মোবাইল ফোনে একজন প্রবাসী তার ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে আমার সাথে সাক্ষাৎ করবেন জানিয়ে তিনি আমাকে তার বিষয়টি সহৃদয়তার সাথে বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করেন তারই রেফারেন্সে ঐদিন বেলা ১১.০০/১১.৩০ ঘটিকার সময় জৈনিক প্রবাসী আমার সাথে অফিস কক্ষে সাক্ষাৎ করেন তখন জেলা পুলিশের অন্যান্য অফিসারগণ আমার কক্ষে উপস্থিত ছিলেন।
আগন্তক ব্যক্তি তার পরিচয় দিয়ে বলেন তার নাম মোঃ মিলন বাড়ি ১০নং ইউনিযনের বাবুগঞ্জ এলাকায় তিনি মালয়েশিয়ায় ব্যবসা করেন এবং তার ভাইয়ের ইলেকশনের জন্য এলাকায় এসেছেন তিনি সাক্ষাৎকার ইন বরগুনা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার জনাব বিজয় বসাক বিপিএম পিপিএম মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় মাননীয় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মহোদয় সাবেক ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী জনাব মোফাজ্জল হোসেন মায়া জনাব আতিকুর রহমান মাননীয় মেয়র ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম ঢাকা মহানগর যুবলীগের সভাপতি ডিএমপি’র সাবেক পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত আইজিপি আসাদুর রহমান স্যার) ডিএমপির ডিসি রমনা বিভাগ জনাব এইচ এম আজিজুল হকসহ অনেক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে তার তোলা সেলফি মোবাইল ফোনে আমাকে দেখিয়ে সকলের সাথে তার ভাল সম্পর্ক তা প্রকাশ করেন।
তিনি আরো জানান যে তার ভাই তার মোঃ হুমায়ুন কবির ১০নং নলটোনা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান নির্বাচিত চেয়ারম্যান দলীয় কোন্দলের কারণে তার ভাই নৌকা প্রতীক পান নাই তবে তার ভাই মোঃ হুমায়ুন কবির স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী জনাব আলমগীর বিশ্বাস তাকে হয়রানি করার চেষ্টা করে আসছেন।
আমি যেন সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের পদক্ষেপ গ্রহণ করি আমি তার বক্তব্য শোনার পর সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তাকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করার আশ্বাস প্রদান করি এবং রিটার্নিং অফিসারের সাথে দেখা করার পরামর্শ প্রদান করি। প্রবাসী মোঃ মিলন সম্পর্কে আমার আর কিছু জানা ছিল না যেহেতু উর্দ্ধতন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বরগুনা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মহোদয় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা গনের সাথে তার ছবি ছিল প্রাথমিকভাবে ধরে নেওয়া হয়েছে তিনি জেলা পুলিশের একজন শুভাকাঙ্ক্ষী বরগুনা জেলায় ২১/০৬/২০২১ তারিখে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোঃ মিলনের ভাই মোঃ হুমায়ুন কবির স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ মাহফুজুর রহমানের কাছে হেড়ে যায়।
গত ১২-১৩ সেপ্টেম্বর-২০২১ তারিখে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ঢাকায় কোয়ার্টারলি কনফারেন্সের তারিখ নির্ধারিত ছিল আমি গত ১৩/০৯/২০২১ তারিখে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এ অনুষ্ঠিত কোয়ার্টারলি কনফারেন্সে যোগদান শেষে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কেটে বের হয় বসুন্ধরা সিটি শপিংমলে গমন করে সেখানে আমি মোবাইলের দোকানের সামনে দিয়ে যাবার সময় মিলন দুর থেকে আমাকে দেখে কাছে দৌড়ে আসে এবং বলে ভাই কেমন আছেন কোথায় যান আমার পোশাক পরিহিত অবস্থায় একটি সেলফি তোলে অতঃপর আমি তাকে বলি একটা গার্মেন্টসের শো-রুমে গিয়ে পোশাক চেঞ্জ করে আসি আমার কাছে থাকা একটি কালো গেঞ্জি একটি সিভিল প্যান্ট পড়ে বের হয়ে আসি।
অতঃপর ঐ গার্মেন্টস এর শো-রুম হতেই দুটি ছবি ও দুটি সেলফি তোলে গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় তারপর অন্য একটি গার্মেন্টসের শো-রুমে যাই একটি সাদা টি-শার্ট ক্রয় করার জন্য কালো গেঞ্জি চেঞ্জ করে অতঃপর একটি সাদা গেঞ্জি পরে আমি বাইরে আসি অতঃপর সাদা গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় আমি আমার দেহরক্ষী মোস্তাফিজকে নিয়ে একটি মোবাইলের দোকানে যাই এবং সেখান থেকে একটি স্যামসাং ইয়ারফোন ক্রায় করি তারপর মিলন সেখানে চলে আসে প্রবাসী মোঃ মিলন এর বিরুদ্ধে যে কোন অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার পূর্বক আইনামলে আনা হবে। মোঃ মিলন অনেকটা সরল স্বভাবের লোক। সে মন্ত্রী-এমপি পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে সেলফি তুলে আত্মতৃপ্তি পেয়ে থাকেন।
হতে পারে সে উক্ত সেলফি পুঁজি হিসাবে ব্যবহার করে থাকতে পারেন তথাপিও ভবিষ্যতের জন্য বিষয়গুলো স্মরণ রেখে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দায়িত্ব পালন করা হবে। পত্রিকায় প্রকাশিত শিরোনাম অনুযায়ী কোনো সাংবাদিককে থানায় অথবা আমার অফিসে ডেকে কোরআন শপথ করানো হয়নি। অভিযোগের বিন্দুমাত্র সত্যতা নাই বিষয়টি নিরপক্ষ ব্যক্তি ১০নং নলটোনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব মোঃ মাহফুজুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসতো একটি কুচক্রী মহল জেলা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার উদ্দেশ্যে নিম্নস্বাক্ষরকারীকে জড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে সব অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
প্রবাসী মিলনের সাথে এলাকার বিরোধের জের ধরে একটি কুচক্রী মহল সহজ-সরল উপরে তোলা ছবিকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করছে তারই ধারাবাহিকতায় জেলা পুলিশের সিডিউল কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের শারীরিক সুস্থতা ও কর্ম উদ্দীপনা বৃদ্ধির জন্য পুলিশ লাইনের পুর্ব থেকে একটি ব্যায়ামাগার নিম্নস্বাক্ষরকারী বরগুনা জেলায় যোগদানের বহু পূর্ব থেকেই বিদ্যমান ছিল জেলা পুলিশের মহিলা ব্যারাকে বিশেষ বলতে কোন কক্ষের অস্তিত্ব বিদ্যমান নাই জেলা পুলিশের বিভিন্ন কালচারাল অনুষ্ঠানে অতিথি শিল্পী দের আমন্ত্রণ জানানো হয়।
তাতে জেলা পুলিশের বিশেষ অর্থের প্রয়োাজন হয়। জেলা পুলিশের কর্মরত অনেক সদস্য যারা উপস্থাপনা, আবৃতি, গান ও নাচে মোটামুটি পারদর্শী পুলিশ বাহিনীর বৃহত্তর স্বার্থে তাদের একটু প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রশিক্ষিত করে কালচারাল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের উপযোগী করা হয়েছে যার ফলশ্রæতিতে জেলা পুলিশের অনুষ্ঠানের জন্য কোন অতিথি শিল্পী দের আমন্ত্রণ জানানোর প্রয়োজন হয়না প্রায়ই পুলিশ লাইনে নারী ও পুরুষের পুলিশ সদস্যগনের উপস্থাপনা, আবৃতি, গান ও নাচ সংক্রান্ত রির্হাসেল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে পুলিশের সাংস্কৃতিক দলের সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ পর্যবেক্ষণের জন্য উপস্থিত থাকেন।
উক্ত বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে অন্য কারো সেখানে প্রবেশের অনুমতি নাই মর্মে বিশ্লেষণ ব্যবহার করা হয়েছে। জেলা পুলিশের বৃহত্তর স্বার্থে অফিসার ও ফোর্সদের লন টেনিস ও ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য মাঠ তৈরি করা হয়েছে। উক্ত মাঠগুলোতে বিভাগীয় ও জেলা পুলিশের বার্ষিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে এটা জেলা পুলিশের একটি উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে উদ্ভাবন করা হয়েছে উক্ত উন্নয়নমূলক কার্যক্রম জেলা পরিষদ বরগুনার অর্থায়নে এবং জেলা পুলিশের নিজস্ব অর্থায়নে সম্পন্ন করা হয়েছে এক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে অনুদান গ্রহণের বিষয়ে অসত্য ও বানোয়াট।
জেলার পুলিশ সদস্যদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বদলির জন্য কোন টাকা পয়সার প্রয়োজন হয়না এটা সকলের জানা। পুলিশ বিভাগের থানা ইউনিটে কর্মরত এসআই (নি:) ও এএসআই গণের নির্ধারিত সংখ্যক গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল করার জন্য পুলিশ হেডকোয়াটার্স ও রেঞ্জকার্যালয়ের নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়। নির্দিষ্ট সংখ্যক গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলে ব্যর্থ অফিসারদের রঘুদন্ড প্রদান করা হয়। উক্ত লঘুদন্ড প্রদানের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করা হয়।
পুলিশ বিভাগের প্রচলিত বিধি অনুসরণ করা হয় এছাড়াও পুলিশ লাইনে উপস্থিত সকল পুলিশ সদস্য রিহার্সেল রুমে প্রবেশ করতে পারেন। একটি কুচক্রী মহল দৈনন্দিন শিডিউল কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে বিকৃত আকারে প্রকাশ করা হয়েছে যার উৎকৃষ্ট প্রমাণ নিম্ন স্বাক্ষরকারী ২৯/১২/২০২০ তারিখে বরগুনা জেলায় যোগদান করি। প্রাত্তন বরগুনা জেলার পুলিশ সুপার মহোদয়ের বদলি উপলক্ষে তৎকালীন বিদায়ী পুলিশ সুপার মহোদয়ের উদ্যোগে ৩১/১২/২০২০ তারিখে পুলিশ লাইন্সের হলরুমে বড়খানা আয়োাজন এর বিষয় যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে তা সর্বৈর মিথ্যা ও বানোয়াট। উক্ত আয়োাজনে নিম্নস্বাক্ষরকারীর কোন সম্পর্ক ছিলনা তথাপিও জেলা পুলিশের একটি উদ্বেগকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। অনুরূপভাবে নিম্নস্বাক্ষরকারী গরু-ছাগল পালন করাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। জনপ্রতিনিধিদের নিকট থেকে গরু নেওয়ার যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে যা অসত্য এবং প্রকাশকের নিকৃষ্ট প্রকৃতির মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করি। আবার কোথাও থানা পরিদর্শনে গিয়ে ডিম মুরগি আনার মতো জঘন্য বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে যাতে নিম্মস্বাক্ষরকারীকে জনসমক্ষে অপমানিত করার পায়তারা চালানো হয়েছে। যা কুচক্রী মহলের কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার ছাড়া আর কিছুই নয়।
জেলা পুলিশ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে থাকে সোর্সমানির সমুদয় অর্থ প্রচলিত বিধি অনুসরণ করে জেলা পুলিশের সকল ইউনিট ইনর্চাজদের মধ্যে বিতরণ করা হয়ে থাকে। যার প্রমাণ প্রতিটি ইউনিট ইনর্চাজগণ নিয়মিত তাদেও নিজ সাক্ষরে টাকা গ্রহণের বিষয় রেজিস্টারে পাওয়া যাবে। পুলিশ বিভাগের কোন আত্মীয়তার সম্পর্ক চলে না। ব্যক্তির যোগ্যতার মাপকাঠিতে তা বিচার করা হয়ে থাকে। জেলা পুলিশের পরিচালিত দৈনন্দিন রুটিন কার্যক্রমকে বিতর্কিত করার মানসে কাউকে ঘনিষ্ঠজন আবার কাউকে ভাগ্নে হিসাবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এগুলো অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি কুচক্রী মহল জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার উদ্দেশ্যে নিম্নস্বাক্ষরকারীকে জড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব অভিযোগ অসত্য বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

























