সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

আপিলের রায়ের আগেই ফাঁসি কার্যকর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ নভেম্বর ২০২১ ১১৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
খালাস চেয়ে করা আপিল শুনানি করতে এসে জানা গেল ৪ বছর আগেই ফাঁসি কার্যকর হয়েছে দুই আসামির। এমন ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে দেশের উচ্চ আদালতে। ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়েছে পরিবার। আইনজীবীরা বলছেন, আপিল নিষ্পত্তির আগে ফাঁসি কার্যকরের ঘটনা নজিরবিহীন।

দেশে যে কোনো আসামির ফাঁসি কার্যকরের আগে রায় অনুমোদন নিতে হয় হাইকোর্টের। এরপর আপিল হলে তা নিষ্পত্তি হতে হয়। তারপর রিভিউ করার বিষয়ও রয়েছে। কিন্তু মোকিম ও ঝডু নামক দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে ফেলা হয়েছে আপিল বিভাগে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থাতেই। ১৬ নভেম্বর ২০১৭ সালে যশোর কারাগারে তাদের ফাঁসিতে ঝোলানো হয়।

ঘটনা ১৯৯৪ সালের ২৮ জুন। চুয়াডাঙ্গায় খুন হন ইউপি মেম্বার মনোয়ার হোসেন। এ ঘটনায় ২০০৮ সালে ১৭ এপ্রিল মোকিম, ঝডুসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড দেন। ২০১৩ সালে মোকিম ও ঝড়ুর ফাঁসি বহাল রাখেন হাইকোর্ট। এরপর আপিল করে এই দুই অসহায় পরিবার। কিন্তু তারপর আর কেউ খোঁজ রাখেনি।

৩ নভেম্বর মামলাটি শুনানির জন্য আসে আপিল বিভাগের কার্যতালিকায়। এরপর আসামির সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন মামলার আইনজীবী হুমায়ুন কবীর। তখনই জানা যায়, ফাঁসি কার্যকর হয়েছে তাদের। এ অবস্থায় তাদের আইনজীবীর মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ চাওয়ার পাশাপাশি এমন ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাইল পরিবার।

ব্রিটিশ শাসনের সময় ওয়ারেন হেস্টিং যখন উপমহাদেশ শাসন করছিলেন তখন এমন একটি ঘটনা ছিল। কিন্তু স্বাধীন ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে আপিল চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হওয়ার আগে ফাঁসি কার্যকরে নজির নেই।

এ ঘটনায় আগামী সপ্তাহে আপিল শুনানি হবে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আপিলের রায়ের আগেই ফাঁসি কার্যকর

আপডেট সময় : ০৬:৩১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ নভেম্বর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
খালাস চেয়ে করা আপিল শুনানি করতে এসে জানা গেল ৪ বছর আগেই ফাঁসি কার্যকর হয়েছে দুই আসামির। এমন ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে দেশের উচ্চ আদালতে। ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়েছে পরিবার। আইনজীবীরা বলছেন, আপিল নিষ্পত্তির আগে ফাঁসি কার্যকরের ঘটনা নজিরবিহীন।

দেশে যে কোনো আসামির ফাঁসি কার্যকরের আগে রায় অনুমোদন নিতে হয় হাইকোর্টের। এরপর আপিল হলে তা নিষ্পত্তি হতে হয়। তারপর রিভিউ করার বিষয়ও রয়েছে। কিন্তু মোকিম ও ঝডু নামক দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে ফেলা হয়েছে আপিল বিভাগে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থাতেই। ১৬ নভেম্বর ২০১৭ সালে যশোর কারাগারে তাদের ফাঁসিতে ঝোলানো হয়।

ঘটনা ১৯৯৪ সালের ২৮ জুন। চুয়াডাঙ্গায় খুন হন ইউপি মেম্বার মনোয়ার হোসেন। এ ঘটনায় ২০০৮ সালে ১৭ এপ্রিল মোকিম, ঝডুসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড দেন। ২০১৩ সালে মোকিম ও ঝড়ুর ফাঁসি বহাল রাখেন হাইকোর্ট। এরপর আপিল করে এই দুই অসহায় পরিবার। কিন্তু তারপর আর কেউ খোঁজ রাখেনি।

৩ নভেম্বর মামলাটি শুনানির জন্য আসে আপিল বিভাগের কার্যতালিকায়। এরপর আসামির সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন মামলার আইনজীবী হুমায়ুন কবীর। তখনই জানা যায়, ফাঁসি কার্যকর হয়েছে তাদের। এ অবস্থায় তাদের আইনজীবীর মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ চাওয়ার পাশাপাশি এমন ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাইল পরিবার।

ব্রিটিশ শাসনের সময় ওয়ারেন হেস্টিং যখন উপমহাদেশ শাসন করছিলেন তখন এমন একটি ঘটনা ছিল। কিন্তু স্বাধীন ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে আপিল চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হওয়ার আগে ফাঁসি কার্যকরে নজির নেই।

এ ঘটনায় আগামী সপ্তাহে আপিল শুনানি হবে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে।