সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ

তেঁতুলিয়ায় মুক্তিযোদ্ধার বিধবা স্ত্রী একটি বাড়ি চায়। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১ ১০৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ- স্বামী মৃত্যর পর অসহায় দিন যাপন করছে বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম। বিধবা স্ত্রী সরকারের কাছে একটি বাড়ি চায়। উপজেলা শালবাহান ইউনিয়নের ছোপাগছ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দীন মারা যায় প্রায় ৪ বছর আগে। মারা যাওয়ার আগ মূহুর্ত পর্যন্ত তার ২য় স্ত্রী সন্তান নিয়ে মাত্র ৪ শতক জমির উপর ঝুপড়ি তুলে বসবাস করছিলে। প্রথম স্ত্রী সন্তানদের সাথে ঢাকায় থাকেন। প্রথম স্ত্রীর সন্তারা ঢাকায় অন্যের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কর্মরত। এদিকে তিনি ২য় স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে গ্রামে বসবাস করতেন। স্বামী মৃত্যুর পর মুক্তিযোদ্ধার সম্মানী ভাতা দুই স্ত্রী সমান ভাগে বন্টন করে নেন। এভাবেই সংসার চালিয়ে থাকেন। ছেলে দেলোয়ার হোসেন ট্রাকের হেলপারি করে সংসারের জোগান দিতেন। দুর্ভাগ্যের শিকার গত ২৯ ডিসেম্বর মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। সংসারে জোগান দেয়া এক মাত্র সন্তানকে ৪ বছরের মাথায় হারিয়ে আরো অসহায় হয়ে পড়েন। সাড়ে ৪ বছর বয়সের নাতি নিয়ে কোন মতে দিনাতিপাত করছে।
স্ত্রী মনোয়ারা বেগম জানান, চার বছর আগে স্বামীকে হারিয়ে সন্তানদের নিয়ে কোন মতে সংসার চালাতাম। সংসারে উপার্জনক্ষম ছেলে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ায় অসহায় হয়ে পাড়েছি। সন্তানদের নিয়ে কোন মতে ঝুপরি ঘরে বসবাস করছি। এখন পর্যন্ত সরকারি কোন সাহায্য সহযোগিতা পাইনি। ছেলে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার দিন শালবাহান ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আশরাফুল ইসলাম নগদ অর্থ ও চাল ডাল দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করেছেন। আমরা গরীব মানুষ, আমার স্বামী একজন মুক্তিযোদ্ধা তবুও সরকারি কোন সাহায্য সহযোগিতা পাইনা। সরকারেরর কাছে আবদার যদি একটি বাড়ি করে দিতো তাহলে সন্তানদের নিয়ে অন্তত শান্তিতে একটু ঘুমাতে পারতাম।
ছেলে আনোয়ার হোসেন জানান, আমি ঢাকায় অন্যের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করি। গ্রামে আসলে নিজের বাড়িতে ঘুমানোর মত কোন ঘর না থাকায় অন্যের বাড়িতে আমাদের ঘুমাতে হয়।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহাগ চন্দ্র সাহা জানান, বিষয়টি শুনেছি আমাদের প্রথম ধাপের বরাদ্দ শেষ হয়ে গেছে। পরবর্তী বরাদ্দ আসলে প্রথমেই মুক্তিযোদ্ধার বিধবা স্ত্রীর বাড়ির বিষয়টা অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

জাবেদুর রহমান জাবেদ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তেঁতুলিয়ায় মুক্তিযোদ্ধার বিধবা স্ত্রী একটি বাড়ি চায়। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১

তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ- স্বামী মৃত্যর পর অসহায় দিন যাপন করছে বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম। বিধবা স্ত্রী সরকারের কাছে একটি বাড়ি চায়। উপজেলা শালবাহান ইউনিয়নের ছোপাগছ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দীন মারা যায় প্রায় ৪ বছর আগে। মারা যাওয়ার আগ মূহুর্ত পর্যন্ত তার ২য় স্ত্রী সন্তান নিয়ে মাত্র ৪ শতক জমির উপর ঝুপড়ি তুলে বসবাস করছিলে। প্রথম স্ত্রী সন্তানদের সাথে ঢাকায় থাকেন। প্রথম স্ত্রীর সন্তারা ঢাকায় অন্যের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কর্মরত। এদিকে তিনি ২য় স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে গ্রামে বসবাস করতেন। স্বামী মৃত্যুর পর মুক্তিযোদ্ধার সম্মানী ভাতা দুই স্ত্রী সমান ভাগে বন্টন করে নেন। এভাবেই সংসার চালিয়ে থাকেন। ছেলে দেলোয়ার হোসেন ট্রাকের হেলপারি করে সংসারের জোগান দিতেন। দুর্ভাগ্যের শিকার গত ২৯ ডিসেম্বর মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। সংসারে জোগান দেয়া এক মাত্র সন্তানকে ৪ বছরের মাথায় হারিয়ে আরো অসহায় হয়ে পড়েন। সাড়ে ৪ বছর বয়সের নাতি নিয়ে কোন মতে দিনাতিপাত করছে।
স্ত্রী মনোয়ারা বেগম জানান, চার বছর আগে স্বামীকে হারিয়ে সন্তানদের নিয়ে কোন মতে সংসার চালাতাম। সংসারে উপার্জনক্ষম ছেলে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ায় অসহায় হয়ে পাড়েছি। সন্তানদের নিয়ে কোন মতে ঝুপরি ঘরে বসবাস করছি। এখন পর্যন্ত সরকারি কোন সাহায্য সহযোগিতা পাইনি। ছেলে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার দিন শালবাহান ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আশরাফুল ইসলাম নগদ অর্থ ও চাল ডাল দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করেছেন। আমরা গরীব মানুষ, আমার স্বামী একজন মুক্তিযোদ্ধা তবুও সরকারি কোন সাহায্য সহযোগিতা পাইনা। সরকারেরর কাছে আবদার যদি একটি বাড়ি করে দিতো তাহলে সন্তানদের নিয়ে অন্তত শান্তিতে একটু ঘুমাতে পারতাম।
ছেলে আনোয়ার হোসেন জানান, আমি ঢাকায় অন্যের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করি। গ্রামে আসলে নিজের বাড়িতে ঘুমানোর মত কোন ঘর না থাকায় অন্যের বাড়িতে আমাদের ঘুমাতে হয়।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহাগ চন্দ্র সাহা জানান, বিষয়টি শুনেছি আমাদের প্রথম ধাপের বরাদ্দ শেষ হয়ে গেছে। পরবর্তী বরাদ্দ আসলে প্রথমেই মুক্তিযোদ্ধার বিধবা স্ত্রীর বাড়ির বিষয়টা অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

জাবেদুর রহমান জাবেদ