সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক আলমডাঙ্গার স্বপন ফেসবুকে রাজনৈতিক পোস্ট দেয়ায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাবুগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু। প্রবাসীর ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে, বাড়ি থেকেও উচ্ছেদের হুমকি ডিসেম্বরে আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি বিদায় বাংলাদেশ আসিফ মাহমুদ

এবার যুদ্ধে যাচ্ছেন আর্মেনীয় প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী, আজারবাইজানের সঙ্গে সংঘাত তুঙ্গে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০ ২৩২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
যুদ্ধের দামামা বেজেছে দেশজুড়ে। শত্রুপক্ষের আক্রমণে বিপর্যয়ের মুখে নিজের দেশ। যুদ্ধে যোগ দিচ্ছেন দেশের তরুণদল। কিন্তু সকলকে চমকে দিয়ে যুদ্ধে চলেছেন ৪২ বছরের অ্যানা হাকোবিয়ান, তিনি আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের স্ত্রী।

হাকোবিয়ান নিজেই রওয়ানা দিয়েছেন যুদ্ধের ময়দানে। না, এটা কোনও কল্পকাহিনী নয়। বাস্তবেই ঘটেছে এ ঘটনা।
সম্প্রতি অ্যানা নিজেই ফেসবুকের এক স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন, আপাতত একটি সেনাঘাঁটিতে ১২ জন নারী সৈনিকের সঙ্গে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তিনি।

কয়েকদিনের মধ্যেই সীমান্তে সম্মুখ লড়াইয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন তারা। ৪২ বছর বয়সী অ্যানা হাকোবিয়ানের কথায়, ‘শত্রুপক্ষের হাতে আমাদের সম্মান ও মাতৃভূমি কোনওটাই তুলে দেবো না। ’
অবশ্য অ্যানা একা নন, যুদ্ধে নেমেছেন আর্মেনীয় প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের অন্য সদস্যরাও। প্রধানমন্ত্রীর ছেলে অ্যাশট পাশিনিয়ান বর্তমানে কারাবাখ অঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্রে রয়েছেন।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিতর্কিত নাগারনো-কারাবাখ অঞ্চলের দখল নিয়ে তুমুল লড়াই চলছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। রাশিয়ার মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিও হয়েছিল। কিন্তু তা স্থায়ী হয়নি। এ পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রও। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও কিছুদিন আগে আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে আলাদাভাবে ওয়াশিংটনে বৈঠক করেছেন।
তবে তাতেও কোনও ফল হয়নি।
এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে দুই দেশের মধ্যে শত্রুতা আরও তীব্র হয়েছে। এ সংঘর্ষে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। যুদ্ধে আজারবাইজানের পক্ষে রয়েছে তুরস্ক, পাকিস্তানসহ একাধিক মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। আবার আর্মেনিয়ার পক্ষে রয়েছে ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ। সূত্র : দ্য ওয়াল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এবার যুদ্ধে যাচ্ছেন আর্মেনীয় প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী, আজারবাইজানের সঙ্গে সংঘাত তুঙ্গে

আপডেট সময় : ০৬:০২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
যুদ্ধের দামামা বেজেছে দেশজুড়ে। শত্রুপক্ষের আক্রমণে বিপর্যয়ের মুখে নিজের দেশ। যুদ্ধে যোগ দিচ্ছেন দেশের তরুণদল। কিন্তু সকলকে চমকে দিয়ে যুদ্ধে চলেছেন ৪২ বছরের অ্যানা হাকোবিয়ান, তিনি আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের স্ত্রী।

হাকোবিয়ান নিজেই রওয়ানা দিয়েছেন যুদ্ধের ময়দানে। না, এটা কোনও কল্পকাহিনী নয়। বাস্তবেই ঘটেছে এ ঘটনা।
সম্প্রতি অ্যানা নিজেই ফেসবুকের এক স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন, আপাতত একটি সেনাঘাঁটিতে ১২ জন নারী সৈনিকের সঙ্গে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তিনি।

কয়েকদিনের মধ্যেই সীমান্তে সম্মুখ লড়াইয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন তারা। ৪২ বছর বয়সী অ্যানা হাকোবিয়ানের কথায়, ‘শত্রুপক্ষের হাতে আমাদের সম্মান ও মাতৃভূমি কোনওটাই তুলে দেবো না। ’
অবশ্য অ্যানা একা নন, যুদ্ধে নেমেছেন আর্মেনীয় প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের অন্য সদস্যরাও। প্রধানমন্ত্রীর ছেলে অ্যাশট পাশিনিয়ান বর্তমানে কারাবাখ অঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্রে রয়েছেন।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিতর্কিত নাগারনো-কারাবাখ অঞ্চলের দখল নিয়ে তুমুল লড়াই চলছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। রাশিয়ার মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিও হয়েছিল। কিন্তু তা স্থায়ী হয়নি। এ পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রও। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও কিছুদিন আগে আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে আলাদাভাবে ওয়াশিংটনে বৈঠক করেছেন।
তবে তাতেও কোনও ফল হয়নি।
এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে দুই দেশের মধ্যে শত্রুতা আরও তীব্র হয়েছে। এ সংঘর্ষে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। যুদ্ধে আজারবাইজানের পক্ষে রয়েছে তুরস্ক, পাকিস্তানসহ একাধিক মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। আবার আর্মেনিয়ার পক্ষে রয়েছে ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ। সূত্র : দ্য ওয়াল।