সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক আলমডাঙ্গার স্বপন ফেসবুকে রাজনৈতিক পোস্ট দেয়ায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাবুগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু। প্রবাসীর ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে, বাড়ি থেকেও উচ্ছেদের হুমকি ডিসেম্বরে আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি বিদায় বাংলাদেশ আসিফ মাহমুদ

সংসদে ‘ইন্না লিল্লাহি…’ বলে বক্তব্য শুরু, ব্যাখ্যা দিলেন বিএনপির সাংসদ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০ ১৮২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

গত ২৩ জুন সংসদে দাঁড়িয়ে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ বলে বক্তৃতা শুরু করেছিলেন বিএনপির সাংসদ হারুনুর রশীদ। তখন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া হারুনকে থামিয়ে এভাবে শুরু করার কারণ জানতে চান। ওই সময় হারুণ বলেন, তার এটা বলার কারণ আছে। বক্তব্যের শেষে তিনি এটার ব্যাখ্যা দেবেন বলে জানান।

অবশেষে সংসদে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি’ বলে বক্তব্য শুরু করার ব্যাখ্যা দিলেন তিনি।
গত ২৫ জুন ফজলে রাব্বী মিয়া বলেছিলেন, আমার ৭ বারের সংসদ সদস্য জীবনে এমনভাবে শুরু দেখিনি। আপনাকে অবশ্যই এর ব্যাখ্যা দিতে হবে। সেদিন আর ব্যাখ্যা দিতে পারেননি হারুনুর রশীদ।

কারণ সেদিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনিয়ম, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি তুললে সংসদে হই চই সৃষ্টি হয়। স্পিকারের সঙ্গে বাদানুবাদের একপর্যায়ে তিনি সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন।
এরপর ২৯ জুন অনির্ধারিত আলোচনায় দাঁড়িয়ে আবারো ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ প্রসঙ্গে তোলেন হারুনুর রশীদ। একাধিকবার মাইক পেলেও সেদিনও তিনি এর ব্যাখ্যা দেননি। তিনি সেবার বলেছিলেন, সময় পেলে পরে ব্যাখ্যা দেবেন।

৩০ জুন বাজেট পাশের দিন দেশের বিচার বিভাগ স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সাংসদদের প্রতিরোধের মুখে পড়েন। ৮ জুলাই সংসদের অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি কুয়েতে আটক সাংসদ শহিদ ইসলাম (পাপুল) ও রিজেন্ট হাসপাতালের মালিকের কড়া সমালোচনা করে বক্তৃতা করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ছিলো সংসদের সমাপনী দিন। এদিন অনির্ধারিত আলোচনায় দাঁড়িয়ে বক্তব্যের শুরুতে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ বলার ব্যাখ্যা দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এর বাংলা অর্থ পড়ে শুনিয়ে তিনি বলেন, মানুষ মনে করেন, শুধু কেউ মারা গেলে ইন্না লিল্লাহি… পড়তে হয়। কিন্তু তা নয়, এর বাইরে যেকোনো বিপদে ইন্না লিল্লাহি… পাঠ করার বিধান রয়েছে। আর এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, আমরা মুসিবতের মধ্যে আছি। আমরা মহাসংকটের মধ্যে আছি, এটা কী অস্বীকার করতে পারি? নিঃসন্দেহে বলতে পারি, সারা পৃথিবী মহাবিপর্যয়ের মধ্যে আছে। আমি অন্য সময়ও সংসদে প্রবেশের সময় ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পড়ি।

তবে এই ব্যাখ্যা দেওয়ার পরও স্পিকারের সঙ্গে তার সামান্য বাদানুবাদ হয়। হইচই করেন সাংসদেরা। এসময় বিরোধী দল নিয়ে প্রশ্ন তুলে হারুনু বলেন, বিগত সংসদগুলোতে শক্তিশালী বিরোধী দল থাকলেও দশম ও একাদশ সংসদের বিরোধী দলের চরিত্র নিয়ে বিস্তারিত বলতে চাই না। তার এ বক্তব্যে জাতীয় পার্টির ও সরকার দলীয় সাংসদেরা প্রতিবাদ করেন এবং হইচই শুরু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সংসদে ‘ইন্না লিল্লাহি…’ বলে বক্তব্য শুরু, ব্যাখ্যা দিলেন বিএনপির সাংসদ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:২৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

গত ২৩ জুন সংসদে দাঁড়িয়ে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ বলে বক্তৃতা শুরু করেছিলেন বিএনপির সাংসদ হারুনুর রশীদ। তখন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া হারুনকে থামিয়ে এভাবে শুরু করার কারণ জানতে চান। ওই সময় হারুণ বলেন, তার এটা বলার কারণ আছে। বক্তব্যের শেষে তিনি এটার ব্যাখ্যা দেবেন বলে জানান।

অবশেষে সংসদে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি’ বলে বক্তব্য শুরু করার ব্যাখ্যা দিলেন তিনি।
গত ২৫ জুন ফজলে রাব্বী মিয়া বলেছিলেন, আমার ৭ বারের সংসদ সদস্য জীবনে এমনভাবে শুরু দেখিনি। আপনাকে অবশ্যই এর ব্যাখ্যা দিতে হবে। সেদিন আর ব্যাখ্যা দিতে পারেননি হারুনুর রশীদ।

কারণ সেদিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনিয়ম, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি তুললে সংসদে হই চই সৃষ্টি হয়। স্পিকারের সঙ্গে বাদানুবাদের একপর্যায়ে তিনি সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন।
এরপর ২৯ জুন অনির্ধারিত আলোচনায় দাঁড়িয়ে আবারো ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ প্রসঙ্গে তোলেন হারুনুর রশীদ। একাধিকবার মাইক পেলেও সেদিনও তিনি এর ব্যাখ্যা দেননি। তিনি সেবার বলেছিলেন, সময় পেলে পরে ব্যাখ্যা দেবেন।

৩০ জুন বাজেট পাশের দিন দেশের বিচার বিভাগ স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সাংসদদের প্রতিরোধের মুখে পড়েন। ৮ জুলাই সংসদের অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি কুয়েতে আটক সাংসদ শহিদ ইসলাম (পাপুল) ও রিজেন্ট হাসপাতালের মালিকের কড়া সমালোচনা করে বক্তৃতা করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ছিলো সংসদের সমাপনী দিন। এদিন অনির্ধারিত আলোচনায় দাঁড়িয়ে বক্তব্যের শুরুতে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ বলার ব্যাখ্যা দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এর বাংলা অর্থ পড়ে শুনিয়ে তিনি বলেন, মানুষ মনে করেন, শুধু কেউ মারা গেলে ইন্না লিল্লাহি… পড়তে হয়। কিন্তু তা নয়, এর বাইরে যেকোনো বিপদে ইন্না লিল্লাহি… পাঠ করার বিধান রয়েছে। আর এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, আমরা মুসিবতের মধ্যে আছি। আমরা মহাসংকটের মধ্যে আছি, এটা কী অস্বীকার করতে পারি? নিঃসন্দেহে বলতে পারি, সারা পৃথিবী মহাবিপর্যয়ের মধ্যে আছে। আমি অন্য সময়ও সংসদে প্রবেশের সময় ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পড়ি।

তবে এই ব্যাখ্যা দেওয়ার পরও স্পিকারের সঙ্গে তার সামান্য বাদানুবাদ হয়। হইচই করেন সাংসদেরা। এসময় বিরোধী দল নিয়ে প্রশ্ন তুলে হারুনু বলেন, বিগত সংসদগুলোতে শক্তিশালী বিরোধী দল থাকলেও দশম ও একাদশ সংসদের বিরোধী দলের চরিত্র নিয়ে বিস্তারিত বলতে চাই না। তার এ বক্তব্যে জাতীয় পার্টির ও সরকার দলীয় সাংসদেরা প্রতিবাদ করেন এবং হইচই শুরু হয়।