বাবুগঞ্জে খাসজমি দখলের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে
বাবুগঞ্জে খাসজমি দখলের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে
- আপডেট সময় : ০১:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রাহুৎকাঠী বন্দরে সরকারি খাসজমি দখলের অভিযোগ উঠেছে এক মহিলা ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে।
অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে দখলদারদের উচ্ছেদ করলেও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই জমি আবার দখল নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাহুৎকাঠী বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ একটি সরকারি খাসজমি দীর্ঘদিন ধরে দখল করে দোকান ও বসতঘর নির্মাণসহ বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। খাসজমি উদ্ধারে উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেওয়া হলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১১ আগস্ট বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্নার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে খাসজমিতে থাকা অবৈধ স্থাপনা ও দখলের চিহ্ন উচ্ছেদ করা হয় এবং সরকারি জমি দখলমুক্ত করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
তবে অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার পর সেদিন রাতেই আবার ওই জমিতে দখল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, মহিলা ইউপি সদস্য নার্গিস বেগমের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদে খাসজমিটি পুনরায় দখলে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সরকারি খাসজমি এভাবে দিনের বেলায় প্রশাসনের অভিযানে দখলমুক্ত হওয়ার পর রাতের আঁধারে পুনরায় দখল হয়ে গেলে প্রশাসনের উচ্ছেদ কার্যক্রম প্রশ্নের মুখে পড়ে। তারা দ্রুত ঘটনাটি তদন্ত করে সরকারি জমি স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত করার পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য নার্গিস বেগম বলেন, এই জমিটি আমাদের পৈত্রিক জমি। এটা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। কিন্তু প্রশাসন তাদের ক্ষমতাবলে আমাদের দোকানঘর উচ্ছেদ করেছেন।
এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) কামরুন্নাহার তামান্নার ভাষ্য সরকারি খাসজমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বা পুনরায় দখলের চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রশাসনের উচ্ছেদের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যদি সরকারি জমি আবার দখলের চেষ্টা হয়, তাহলে এর নেপথ্যে কারা এবং কীভাবে তারা এতটা প্রভাবশালী? বিষয়টি তদন্ত করে দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন























