সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, নিহত ১ বিজয়নগরে শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই সবুজ হবে বাংলাদেশ— বাবুগঞ্জের কেদারপুরে ইয়াবাসহ যুবক আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ঘোড়াঘাটে দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জরিমানা আদায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে ব্র্যাকের ২০০ ফলজ চারা প্রদান বিষখালী নদীতে অভিযান: ৭ লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার ও ধ্বংস বাবুগঞ্জে গাঁজা সহ প্রবাসী আটক ​ ​ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ​ কাঠালিয়ায় ৫০ কেজি ও ৩৯ পোটলা গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১: মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের বড় সাফল্য

৫ বছর পালিয়ে থেকেও ছিলেন নিয়মিত শিক্ষক, অত:পর গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ ৮১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লালমোহন প্রতিনিধি : দীর্ঘ ৫ বছর পালিয়ে থাকার পর র‌্যাব ও পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন লালমোহন সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কৃষি শিক্ষক ও লালমোহন বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী ভাস্কর চন্দ্র দাস। সোমবার (২৯ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় বরিশাল শহরের চকবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গেছে, লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে স্বর্ণ বন্ধকী সংক্রান্ত লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমান ঋণ নিয়ে ২০১৯ সালের ৯ই এপ্রিল লালমোহন থেকে গা-ঢাকা দেন ভাস্কর। তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ৮টি মামলার ওয়ারেন্ট হয়। এর মধ্যে ৩টি মামলার সাজাও রয়েছে বলে জানিয়ছে পুলিশ ।

জানা গেছে , ভাস্কর লালমোহন বাজারে জুয়েলারী ব্যবসার পাশাপাশি ২০১২ সালে লালমোহন সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কৃষি শিক্ষক পদে চাকরি নেন। এর পর থেকে লালমোহনে তার কোনো অস্তিত্ব না থাকলেও স্কুলের খাতায় তিনি হাজির ছিলেন প্রায় অর্ধেক সময় ধরে। নিয়েছেন সেই সময়ের প্রতি মাসের বেতনও। ভুয়া মেডিকেল প্রেসক্রিপশন দিয়ে তার দীর্ঘ সময়ে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলেও অদৃশ্যকারণে তার বিরুদ্ধে কেউই ব্যবস্থা নেয়নি।

২০১৮ সালের মে মাসে বিদ্যালয়টি জাতীয় করনের পর তার বেতন স্থগিত হয় বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তবে এই দীর্ঘ অনুপস্থিতির জন্য ভাস্করকে নোটিশও করা হয়নি বলে জানা গেছে।

লালমোহন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিন বলেন, সরকারী বেতন লিষ্টে তার নাম নেই। ৫ বছর অনুপস্থিতির কারনে ভাস্করকে কোনো কারন দর্শানো চিঠি দেয়া হয়েছিল কিনা তা জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন ফাইল থেকে নিশ্চিত হতে হবে।
লালমোহন থানার ওসি এনায়েত হোসেন বলেন, ভাস্করের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যাংকের ঋণ খেলাপীর কারনে ২০১৮ সালে ১টি, ২০১৯ সালে ৪টি এবং ২০২০ সালে ১টি মামলা হয় এবং এসব মামলার ওয়ারেন্ট হয়। এ ছাড়া ৬টি মামলার মধ্যে ৩টি মামলায় তার সাজা হয়। ওসি এনায়েত হোসেন আরো জানান, ভাস্করের আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে লালমোহনের বিভিন্ন লোকজন স্বর্ণ বন্ধকীকরণ সংক্রান্ত টাকা ফেরৎ পাওয়ার জন্য থানায় আসতে থাকে। এ বিষয়ে থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

৫ বছর পালিয়ে থেকেও ছিলেন নিয়মিত শিক্ষক, অত:পর গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০২:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৪

লালমোহন প্রতিনিধি : দীর্ঘ ৫ বছর পালিয়ে থাকার পর র‌্যাব ও পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন লালমোহন সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কৃষি শিক্ষক ও লালমোহন বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী ভাস্কর চন্দ্র দাস। সোমবার (২৯ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় বরিশাল শহরের চকবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গেছে, লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে স্বর্ণ বন্ধকী সংক্রান্ত লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমান ঋণ নিয়ে ২০১৯ সালের ৯ই এপ্রিল লালমোহন থেকে গা-ঢাকা দেন ভাস্কর। তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ৮টি মামলার ওয়ারেন্ট হয়। এর মধ্যে ৩টি মামলার সাজাও রয়েছে বলে জানিয়ছে পুলিশ ।

জানা গেছে , ভাস্কর লালমোহন বাজারে জুয়েলারী ব্যবসার পাশাপাশি ২০১২ সালে লালমোহন সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কৃষি শিক্ষক পদে চাকরি নেন। এর পর থেকে লালমোহনে তার কোনো অস্তিত্ব না থাকলেও স্কুলের খাতায় তিনি হাজির ছিলেন প্রায় অর্ধেক সময় ধরে। নিয়েছেন সেই সময়ের প্রতি মাসের বেতনও। ভুয়া মেডিকেল প্রেসক্রিপশন দিয়ে তার দীর্ঘ সময়ে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলেও অদৃশ্যকারণে তার বিরুদ্ধে কেউই ব্যবস্থা নেয়নি।

২০১৮ সালের মে মাসে বিদ্যালয়টি জাতীয় করনের পর তার বেতন স্থগিত হয় বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তবে এই দীর্ঘ অনুপস্থিতির জন্য ভাস্করকে নোটিশও করা হয়নি বলে জানা গেছে।

লালমোহন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিন বলেন, সরকারী বেতন লিষ্টে তার নাম নেই। ৫ বছর অনুপস্থিতির কারনে ভাস্করকে কোনো কারন দর্শানো চিঠি দেয়া হয়েছিল কিনা তা জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন ফাইল থেকে নিশ্চিত হতে হবে।
লালমোহন থানার ওসি এনায়েত হোসেন বলেন, ভাস্করের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যাংকের ঋণ খেলাপীর কারনে ২০১৮ সালে ১টি, ২০১৯ সালে ৪টি এবং ২০২০ সালে ১টি মামলা হয় এবং এসব মামলার ওয়ারেন্ট হয়। এ ছাড়া ৬টি মামলার মধ্যে ৩টি মামলায় তার সাজা হয়। ওসি এনায়েত হোসেন আরো জানান, ভাস্করের আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে লালমোহনের বিভিন্ন লোকজন স্বর্ণ বন্ধকীকরণ সংক্রান্ত টাকা ফেরৎ পাওয়ার জন্য থানায় আসতে থাকে। এ বিষয়ে থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।