সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

বন্দির স্ত্রীকে ‘একসঙ্গে রাত কাটানোর প্রস্তাব’ জেলারের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
ঝালকাঠি জেলা কারাগারের জেলার মো. আক্তার হোসেন শেখের বিরুদ্ধে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব ও অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এক বন্দির স্ত্রী তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলে কারা মহাপরিদর্শকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

জানা গেছে, ওই নারীর স্বামী ২৯ জুলাই থেকে ঝালকাঠি জেলা কারাগারে হাজতে আছেন। স্বামীর সঙ্গে দেখা করার জন্য বারবার জেল গেটে গেলেও স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে না পেরে জেলের এক কর্মচারীর পরামর্শে জেলার আক্তার হোসেন শেখের নম্বরে ফোন করে স্বামীর সঙ্গে দেখা করার বিষয়টি জানান। পরবর্তীতে জেলার বন্দি স্বামীর সঙ্গে দেখা করার ব্যবস্থা না করিয়ে ফোনে কথা বলার ব্যবস্থা করে দিয়ে ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর নেন। পরবর্তীতে জেলার তার ব্যক্তিগত নম্বর থেকে ওই নারীকে নিয়মিত ফোন করে কথা বলতে থাকেন। এরপর স্বামীর সঙ্গে দেখা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ওই নারীর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ভিডিও কল দিয়ে অশালীন কথাবার্তা বলেন এবং অনৈতিক প্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে ওই নারীর বাড়িতে গিয়ে একসঙ্গে রাত কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন জেলার। এতে ওই নারী রাজি না হওয়ায় তাকে আর তার স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি এবং তার স্বামীকে জেলে শাস্তি দিবে বলে ভয়ভীতি দেখান জেলার।

ওই নারী বলেন, আমি তার কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্বামীর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেননি জেলার আক্তার হোসেন। আমি আমার দুটি শিশু বাচ্চা নিয়ে জেলগেটে স্বামীর সঙ্গে দেখা করার জন্য দিনের পর দিন গিয়েছি। কিন্তু দেখা পাইনি। জেলারের কুপ্রস্তাবের সব রেকর্ড আমার কাছে আছে। আমি বুধবার আবার জেলগেটে স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে গেলে কারারক্ষী দুই হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। তাকে টাকা দিতে না পারায় আমাকে স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি।

অভিযোগ অস্বীকার করে ঝালকাঠি জেলা কারাগারের জেলার মো. আক্তার হোসেন শেখ বলেন, অভিযোগটি সত্য না। এটা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলক ও বানোয়াট। অডিও রেকর্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, এখন এডিটিং করেও অনেক কিছু করা যায়।

ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এনডিসি মং এছেন বলেন, নারীকে তার স্বামীর সঙ্গে দেখা করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ায় জেলারের বিরুদ্ধে কারা অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসক বরাবর ওই নারী অভিযোগ পাঠিয়েছেন বলে শুনেছি। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বন্দির স্ত্রীকে ‘একসঙ্গে রাত কাটানোর প্রস্তাব’ জেলারের

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক
ঝালকাঠি জেলা কারাগারের জেলার মো. আক্তার হোসেন শেখের বিরুদ্ধে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব ও অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এক বন্দির স্ত্রী তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলে কারা মহাপরিদর্শকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

জানা গেছে, ওই নারীর স্বামী ২৯ জুলাই থেকে ঝালকাঠি জেলা কারাগারে হাজতে আছেন। স্বামীর সঙ্গে দেখা করার জন্য বারবার জেল গেটে গেলেও স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে না পেরে জেলের এক কর্মচারীর পরামর্শে জেলার আক্তার হোসেন শেখের নম্বরে ফোন করে স্বামীর সঙ্গে দেখা করার বিষয়টি জানান। পরবর্তীতে জেলার বন্দি স্বামীর সঙ্গে দেখা করার ব্যবস্থা না করিয়ে ফোনে কথা বলার ব্যবস্থা করে দিয়ে ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর নেন। পরবর্তীতে জেলার তার ব্যক্তিগত নম্বর থেকে ওই নারীকে নিয়মিত ফোন করে কথা বলতে থাকেন। এরপর স্বামীর সঙ্গে দেখা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ওই নারীর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ভিডিও কল দিয়ে অশালীন কথাবার্তা বলেন এবং অনৈতিক প্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে ওই নারীর বাড়িতে গিয়ে একসঙ্গে রাত কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন জেলার। এতে ওই নারী রাজি না হওয়ায় তাকে আর তার স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি এবং তার স্বামীকে জেলে শাস্তি দিবে বলে ভয়ভীতি দেখান জেলার।

ওই নারী বলেন, আমি তার কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্বামীর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেননি জেলার আক্তার হোসেন। আমি আমার দুটি শিশু বাচ্চা নিয়ে জেলগেটে স্বামীর সঙ্গে দেখা করার জন্য দিনের পর দিন গিয়েছি। কিন্তু দেখা পাইনি। জেলারের কুপ্রস্তাবের সব রেকর্ড আমার কাছে আছে। আমি বুধবার আবার জেলগেটে স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে গেলে কারারক্ষী দুই হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। তাকে টাকা দিতে না পারায় আমাকে স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি।

অভিযোগ অস্বীকার করে ঝালকাঠি জেলা কারাগারের জেলার মো. আক্তার হোসেন শেখ বলেন, অভিযোগটি সত্য না। এটা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলক ও বানোয়াট। অডিও রেকর্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, এখন এডিটিং করেও অনেক কিছু করা যায়।

ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এনডিসি মং এছেন বলেন, নারীকে তার স্বামীর সঙ্গে দেখা করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ায় জেলারের বিরুদ্ধে কারা অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসক বরাবর ওই নারী অভিযোগ পাঠিয়েছেন বলে শুনেছি। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।