সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া ১১১৩ ফেসের কয়লা শেষ, উৎপাদন বন্ধ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩ ২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া খনি থেকে কয়লা উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। খনির ভূগর্ভের ১১১৩ কোল ফেসের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বুধবার (৩০ আগস্ট) সকাল থেকে কয়লা উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

খনি সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ১১১৩ ফেস থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়। ওই ফেস থেকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলন করা হয়। উত্তোলিত কয়লা বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ করা হয়। এই ফেসে কয়লা মজুত শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে নতুন ফেসে যন্ত্রপাতি স্থানান্তরের জন্য আজ বুধবার খনি থেকে কয়লা উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র ও বিসিএমসিএল এর ইয়ার্ডে ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন কয়লা মজুত আছে। যা দিয়ে প্রায় দুই মাস তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রাখা সম্ভব হবে।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বলেন, মজুত শেষ হওয়ায় ওই ফেস এর উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক ঠাক থাকলে আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে আবারও নতুন একটি ফেস থেকে কয়লা উৎপাদন শুরু হবে। তবে, এসময়ের মধ্যে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য যথেষ্ট কয়লা মজুদ রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, তাপ বিদ্যুতের তিনটি ইউনিটের মধ্যে ওভার হোলিং এর কারণে দুই নম্বর ইউনিটটি বন্ধ হয়ে আছে। কয়লা স্বল্পতার কারণে ২০১৯ সাল থেকে এক নম্বর ইউনিটটিও বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে তাপ বিদ্যুতকেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৩ নম্বর ইউনিটটি চালু আছে। যা থেকে প্রতিদিন গড়ে ১৮০ থেকে ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে। ইউনিট চালু রাখতে প্রতিদিন ২ হাজার মেট্রিক টন কয়লা প্রয়োজন হয়। বর্তমানে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ইয়ার্ড ও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইয়ার্ডে ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন কয়লা মজুদ রয়েছে। যা দিয়ে প্রায় দুই মাস তাপ বিদ্যুতের এই ইউনিটটি সচল রাখা সম্ভব।তবে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে তিনটি ইউনিট চালু রাখতে গেলে প্রতিদিন ৪ হাজার ৮০০ মেট্রিকটন থেকে পাঁচ হাজার মেট্রিকটন কয়লার প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া ১১১৩ ফেসের কয়লা শেষ, উৎপাদন বন্ধ

আপডেট সময় : ১১:১৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া খনি থেকে কয়লা উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। খনির ভূগর্ভের ১১১৩ কোল ফেসের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বুধবার (৩০ আগস্ট) সকাল থেকে কয়লা উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

খনি সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ১১১৩ ফেস থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়। ওই ফেস থেকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলন করা হয়। উত্তোলিত কয়লা বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ করা হয়। এই ফেসে কয়লা মজুত শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে নতুন ফেসে যন্ত্রপাতি স্থানান্তরের জন্য আজ বুধবার খনি থেকে কয়লা উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র ও বিসিএমসিএল এর ইয়ার্ডে ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন কয়লা মজুত আছে। যা দিয়ে প্রায় দুই মাস তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রাখা সম্ভব হবে।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বলেন, মজুত শেষ হওয়ায় ওই ফেস এর উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক ঠাক থাকলে আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে আবারও নতুন একটি ফেস থেকে কয়লা উৎপাদন শুরু হবে। তবে, এসময়ের মধ্যে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য যথেষ্ট কয়লা মজুদ রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, তাপ বিদ্যুতের তিনটি ইউনিটের মধ্যে ওভার হোলিং এর কারণে দুই নম্বর ইউনিটটি বন্ধ হয়ে আছে। কয়লা স্বল্পতার কারণে ২০১৯ সাল থেকে এক নম্বর ইউনিটটিও বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে তাপ বিদ্যুতকেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৩ নম্বর ইউনিটটি চালু আছে। যা থেকে প্রতিদিন গড়ে ১৮০ থেকে ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে। ইউনিট চালু রাখতে প্রতিদিন ২ হাজার মেট্রিক টন কয়লা প্রয়োজন হয়। বর্তমানে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ইয়ার্ড ও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইয়ার্ডে ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন কয়লা মজুদ রয়েছে। যা দিয়ে প্রায় দুই মাস তাপ বিদ্যুতের এই ইউনিটটি সচল রাখা সম্ভব।তবে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে তিনটি ইউনিট চালু রাখতে গেলে প্রতিদিন ৪ হাজার ৮০০ মেট্রিকটন থেকে পাঁচ হাজার মেট্রিকটন কয়লার প্রয়োজন।