সংবাদ শিরোনাম ::
অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

আইনজীবীকে স্টুপিড বললেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, কোর্ট বর্জন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩ ৪২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এ এস মোসার সঙ্গে উচ্চ স্বরে তর্কে জড়ানোয় ফারুক হোসেন মিয়াজী নামের এক আইনজীবীকে স্টুপিড বলে তাকে তাৎক্ষণিক এরেস্টের নির্দেশ দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে এডিএমকে ঘুষখোর এবং তার কার্যালয়ের কতিপয় কর্মচারী ঘুষ ছাড়া কাজ করেন না বলে অভিযোগ করেন ওই আইনজীবী।

সোমবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে আদালত চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। তবে এই ব্যাপারে এডিএমের ব্যবহারের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জেলা আইনজীবী সমিতি।

এ বিষয়ে চাঁদপুরের সিনিয়র আইনজীবী জসিম উদ্দিন ভুঁইয়া মিঠু বলেন, এডিএম কোর্টে আইনজীবী ফারুক হোসেন মিয়াজী একটি মামলার শুনানিতে উপস্থিত হন। এর আগে ওই মামলাটি এডিএম নিজেই তদন্ত করার জন্য সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. হেদায়েত উল্যাহকে দায়িত্ব দেন। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী এসিল্যান্ড মামলা তদন্ত করে বিবদমান সম্পত্তি প্রতিপক্ষের দখলে আছেন মর্মে এডিএম কোর্টে রিপোর্ট দেন। আইনজীবী ফারুক মিয়াজী ওই প্রতিবেদন রিপোর্টের কপি হাতে পান এবং রিপোর্ট গ্রহণের বিষয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে এডিএম বলেন, এই রিপোর্ট গ্রহণ করা যাবে না। উত্তরে আইনজীবী ফারুক মিয়াজী বলেন, কেন গ্রহণ করা যাবে না। আপনি নিজেই তো এসিল্যান্ডকে দায়িত্ব দিয়েছেন তদন্ত করার জন্য। তখন এডিএম এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তাৎক্ষণিক কোর্ট পুলিশকে ওই আইনজীবীকে অ্যারেস্ট করার জন্য বলেন এবং স্টুপিড বলেও সম্বোধন করেন। এই ধরনের আচরণ কোন এডিএমের কাছ থেকে কোনভাবে কাম্য নয়।

চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এজেডএম রফিকুল হাসান রিপন জানান, আইনজীবী ফারুক হোসেনের সঙ্গে এডিএমের অসদাচরণ করার বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমরা নিয়মানুসারে সভাপতিসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাৎক্ষণিক আদালত বর্জন করি এবং এই বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য জেলা আইনজীবী সমিতিতে জরুরি সাধারণ সভা ডেকেছি।

এদিকে কোর্ট চত্বরে আইনজীবীদের কেউ কেউ বলছিলেন এডিএমকে ঘুষখোর বলায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওই আইনজীবীকে স্টুপিড বলে এরেস্টের নির্দেশ দেন। যদিও উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অন্য আইনজীবীরা এগিয়ে আসেন।

এ বিষয়ে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এ এস মোসা বলেন, আইনজীবীই আমার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। কী ধরনের অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তা আমি সুপ্রিম কোর্ট বার কাউন্সিলে লিখিত আকারে জানাব এবং সেখানেই তা উল্লেখ করব।

বিষয়টি নিয়ে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানের সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, আমি বাইরে ছিলাম। বিষয়টি এই মাত্রই শুনলাম। আমি খোঁজ খবর নিয়ে পরবর্তীতে আপনাদের বক্তব্য দেব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আইনজীবীকে স্টুপিড বললেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, কোর্ট বর্জন

আপডেট সময় : ০৬:২৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক
চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এ এস মোসার সঙ্গে উচ্চ স্বরে তর্কে জড়ানোয় ফারুক হোসেন মিয়াজী নামের এক আইনজীবীকে স্টুপিড বলে তাকে তাৎক্ষণিক এরেস্টের নির্দেশ দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে এডিএমকে ঘুষখোর এবং তার কার্যালয়ের কতিপয় কর্মচারী ঘুষ ছাড়া কাজ করেন না বলে অভিযোগ করেন ওই আইনজীবী।

সোমবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে আদালত চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। তবে এই ব্যাপারে এডিএমের ব্যবহারের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জেলা আইনজীবী সমিতি।

এ বিষয়ে চাঁদপুরের সিনিয়র আইনজীবী জসিম উদ্দিন ভুঁইয়া মিঠু বলেন, এডিএম কোর্টে আইনজীবী ফারুক হোসেন মিয়াজী একটি মামলার শুনানিতে উপস্থিত হন। এর আগে ওই মামলাটি এডিএম নিজেই তদন্ত করার জন্য সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. হেদায়েত উল্যাহকে দায়িত্ব দেন। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী এসিল্যান্ড মামলা তদন্ত করে বিবদমান সম্পত্তি প্রতিপক্ষের দখলে আছেন মর্মে এডিএম কোর্টে রিপোর্ট দেন। আইনজীবী ফারুক মিয়াজী ওই প্রতিবেদন রিপোর্টের কপি হাতে পান এবং রিপোর্ট গ্রহণের বিষয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে এডিএম বলেন, এই রিপোর্ট গ্রহণ করা যাবে না। উত্তরে আইনজীবী ফারুক মিয়াজী বলেন, কেন গ্রহণ করা যাবে না। আপনি নিজেই তো এসিল্যান্ডকে দায়িত্ব দিয়েছেন তদন্ত করার জন্য। তখন এডিএম এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তাৎক্ষণিক কোর্ট পুলিশকে ওই আইনজীবীকে অ্যারেস্ট করার জন্য বলেন এবং স্টুপিড বলেও সম্বোধন করেন। এই ধরনের আচরণ কোন এডিএমের কাছ থেকে কোনভাবে কাম্য নয়।

চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এজেডএম রফিকুল হাসান রিপন জানান, আইনজীবী ফারুক হোসেনের সঙ্গে এডিএমের অসদাচরণ করার বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমরা নিয়মানুসারে সভাপতিসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাৎক্ষণিক আদালত বর্জন করি এবং এই বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য জেলা আইনজীবী সমিতিতে জরুরি সাধারণ সভা ডেকেছি।

এদিকে কোর্ট চত্বরে আইনজীবীদের কেউ কেউ বলছিলেন এডিএমকে ঘুষখোর বলায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওই আইনজীবীকে স্টুপিড বলে এরেস্টের নির্দেশ দেন। যদিও উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অন্য আইনজীবীরা এগিয়ে আসেন।

এ বিষয়ে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এ এস মোসা বলেন, আইনজীবীই আমার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। কী ধরনের অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তা আমি সুপ্রিম কোর্ট বার কাউন্সিলে লিখিত আকারে জানাব এবং সেখানেই তা উল্লেখ করব।

বিষয়টি নিয়ে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানের সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, আমি বাইরে ছিলাম। বিষয়টি এই মাত্রই শুনলাম। আমি খোঁজ খবর নিয়ে পরবর্তীতে আপনাদের বক্তব্য দেব।